কলেরা বা ওলা উঠা, Cholera, পাকস্থলী, Stomach, পাতলা পায়খানা, মল, প্রস্রাব বন্ধ, বমি, আম, আমাশয়, মিউকাস

কলেরা বা ওলা উঠা

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 52 বার ]

Category : Digestive


সংক্রামক রোগের মধ্যে কলেরা অন্যতম। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি। বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার লোক এই মরনব্যাধিতে মৃত্যুবরন করে। আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা  এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কলেরা রোগের জীবাণু দূষিত পানি, মাছি, খাবার ইত্যাদির মাধ্যমে পেটে যায়। পচা, বাসি ইত্যাদি খাবার কলেরা রোগ দ্রুত বিস্তার করতে সাহায্য করে। কলেরা ভিব্রিও নামক জীবাণু দ্বারা কলেরা সংক্রমিত হয়। পেটে এই জীবাণু ঢুকতে না পারলে কলেরা সংক্রমিত হতে পারে না। শরীরের চামরা ভেদ করে এই জীবাণু পেটে প্রবেশ করতে পারে না। কলেরা অনেক প্রকার হয়। এর মধ্যে এশিয়াটিক কলেরা মারাত্মক। এতে আক্রান্ত হবার অল্প সময়ের মধ্যে চিকিৎসা না হলে রোগী খুব তাড়াতাড়ি খারাপ পর্যায়ে যায় এবং প্রাণাশংকা দেখা দেয়। কোন কোন কলেরা কঠিন ডায়রিয়ার মত অবস্থা সৃষ্টি করে। আবার কতগুলি পেট খারাপ বা বদহজমের মত অবস্থা সৃষ্টি করে। খাবারের সাথে কলেরা রোগের জীবাণু পেটে প্রবেশ করার কয়েক ঘন্টার মধ্যে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
দূষিত পানি ও পচা বাসি খাবারের মাধ্যমে পেটে জীবাণু
প্রবেশ করে কলেরা হয়ে থাকে।



লক্ষণঃ



১। এশিয়াটিক কলেরায় প্রথমে একটি বড় রকমের পায়খানা হয়,
তারপর বারে বারে পানির মত বেশী পাতলা পায়খানা হয়।



২। পায়খানায় কোন মল থাকে না, চাউল ধোয়া পানির মত রঙ হয়।



৩। পায়খানা আরম্ভ হবার সঙ্গে সঙ্গে ভেদ বমিও হতে পারে।



৪। নাড়ির গতি ক্ষীণ হয়, অনেক সময় নাড়ীর গতি অনুভব করা
যায় না।



৫। শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং হাত-পা কোঁকড়াইয়া যায়।



৬। পিপাসায় রোগী অস্থির হয়ে যায়। জিহ্বা ও মুখ শুকিয়ে
যায়।



৭। রক্ত কমে যায়।



৮। চক্ষু ঢেকে যায়, চোয়াল উঁচু হয়ে উঠে, গাল ও হাত-পায়ের
চামড়া ঢিলা হইয়া যায়।



এমন পর্যায়ে চিকিৎসা না করলে রোগীর প্রস্রাব বন্ধ হয়ে
এসিডোসিস হয়।



৯। পানি শূন্যতায় রোগীর হাত পা বেঁকে যায় এবং রোগী শেষ
পর্যন্ত মারা যায়।



 



কিছু চিকিৎসার পরে অবস্থাঃ

১। কোলাপস অবস্থায় যে রোগী মারা যায় নাই, ধীরে ধীরে তার শরীরে তাপ কিছু কিছু বৃদ্ধি পায়।

২। নাড়ীর গতির কিছু উন্নতি উপলব্ধি করা যেতে পারে।

৩। কারো কারো প্রস্রাব সামান্য হয়, আবার কারো প্রস্রাব হয় না।

৪। রোগী ছটফট করে এবং ঘন ঘন লম্বা শ্বাস ফেলে।


ইউরিমিক স্টেজঃ

১। এই অবস্থায় প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায় বা প্রস্রাবের পরমাণ খুব কম হওয়ায় রক্তে এসিডোসিস হয়ে রক্তে ইউরিমিয়া সৃষ্টি হয়।

২। স্বাস-প্রস্বাস ঘন হয়।

৩। মলের সাথে মিউকাস থাকতে পারে।

৪। শরীরের তাপ স্বাভাবিক হতে পারে।

৫। জিহ্বা লাল ও শুশক দেখায়।


কলেরা ও ডায়রিয়ার পার্থক্যঃ













কলেরা



ডায়রিয়া



১।
প্রথম বারে খুব বড় রকমের পাতলা পায়খানা হয়।


২।
পেটে ব্যথা থাকে না বা কদাচিৎ ব্যথা হতে পারে।


৩।
কলেরায় প্রথমে পায়খানা ও পরে বমি হয়।


৪।
পায়খানা চাউল ধোয়া পানির মত হয়।


৫।
সাধারণ ঔষধে এটা কমে না।


৬।
রোগী সহজে অজ্ঞান হয় না।



১।
বারে বারে পাতলা পায়খানা হয়।


২।
পেটে তীব্র ব্যথা হয়।


৩।
আগে বমি বা বমি নাও হতে পারে।


৪।
হলুদ রঙ এর পায়খানা।


৫।
সাধারণ ঔষধে কমে।


৬।
কয়েকবার পায়খানা করে এবং অজ্ঞান হয়।










আপনি কি এই ক্যাটাগরির আর্টিকেল দেখত চান?

Category: Digestive
Article : 1
1. . অসম খাদ্যাভ্যাস ও গ্যাস্ট্রিক, এসিডিটি অনেক রোগের কারণ [ 140 ] -


কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp