হুপিং কাশি

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 124 বার ]

Category : Respiratory disease


হুপিং কাশি - শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত একটি সংক্রামক ব্যাধি। এর অন্য নাম - পার্টুসিস ( Pertusis ) । যে কোন বয়সের লোক এই ব্যধিতে আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণতঃ ২ বছরের কম বয়সের শিশুরা এই পীড়ায় আক্রান্ত হয়। ২-৫ বছরের শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বেশী। পীড়া এপিডেমিক হলে ৮ বৎসর বয়স পর্যন্ত আক্রমণ করতে পারে। হুপিং-কাশি জীবনে মাত্র একবার আক্রমণ করে। প্রবাদ আছে যে, -  টিকা দিলেই পীড়া সহজেই আরোগ্য হয়ে যায়।

"হেমাফেলাস পারটিউসিস" নামক জীবানু দ্বারা এই রোগ হয়ে থাকে। সর্দি হলে কাশি, কাশি শুকনা হলে তা প্রায়ই হুপিং কাশিতে পরিণত হয়। পরে তা খারাপের দিকে ধাবিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে কেউ আসলে এই রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। রোগের জীবাণু সংক্রামিত হবার ৭-২০ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়।

হুপিং কাশির ৩ টি স্টেজ আছে।
১। ক্যাটার‍্যাল (  Catarrhal )
২। কনভলসিভ ( Convulsive )
৩। ক্রিটিক্যাল ( Critical )

১। ক্যাটার‍্যাল (  Catarrhal ) - প্রথমাবস্থাঃ
এই অবস্থায় সামান্য সর্দি কাশির লক্ষণ নিয়ে পীড়া উপস্থিত হয়। অল্প জ্বর থাকে, কাশিতে শ্লেষ্মা উঠে না, ক্রমে তরুন সর্দির লক্ষণ ও জ্বরের হ্রাস হয়, শ্লেষ্মা গাঢ় ও চটচটে হয়। 

২। কনভলসিভ ( Convulsive ) - দ্বিতীয়াবস্থাঃ
প্রথমাবস্থার লক্ষণ সহ ৮-১০ দিন থেকে কাশি ক্রমশঃ আক্ষেপিক কাশিতে পরিণত হয়, এই অবস্থাই অত্যন্ত কষ্টকর অবস্থা। মাঝে মাঝে এক একটা এমন কাশির বেগ আসে যে, তাতে যেন শিশুর দম বন্ধ হয়ে যায়, চোখ মুখ লালবর্ণ হয়, হাত মুঠা করে, নাক মুখ দিয়ে শ্লেষ্মা বের হয় অথচ কাশির নিবৃত্তি হয় না। কাশতে কাশতে বাহ্যে প্রস্রাব করে ফেলে বা বমি করে ফেলে, সমস্ত শরীর ঘেমে উঠে, দুই পাটি দাঁতের মধ্যে জোড়ে জিভ প্রবেশ করায় অনেক সময় জিভের নিচে এক বা দুই ধারে ঘা হয়। এর কাশিতে এক প্রকার "হুপ" শব্দ হয়, কাশির বেগ দিন ও রাতে ২-৪ বার বা এর অধিক হতে পারে। তবে দিনের তুলনায় রাতেই বেশী হয়। অনেক সময় চোখে রক্ত জমে ও নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়।

৩। ক্রিটিক্যাল ( Critical ) - তৃতীয়াবস্থাঃ
এই অবস্থার লক্ষণ অনেকটা প্রথমাবস্থার মত, কাশির বেগ কম হয়, সতেজ তরল শ্লেষ্মা উঠে, কাশি কম হয়, শিশু আরোগ্য হয়।

লক্ষণঃ
১। প্রাথমিক অবস্থায় রোগী সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয় ও সেইসঙ্গে জ্বর থাকে। এই জ্বর পরে বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ডিগ্রীর উপর উঠে।
২। ঘন ঘন কাশের পর কাশ হয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে চোখের কনজাংটাইভাতে রক্ত জমে যায়।
৩। পক্ষকালের মধ্যে কাশি খুব বাড়ে এবং বেগ বেশ কিছুক্ষণ স্থায়ী হয়। প্রায়ই দম বন্ধ হবার উপক্রম হয়।
৪। রোগী কাশির সাথে ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহন ও ত্যাগ করে।
৫। অনেক সময় কাশতে কাশতে বমি হয় এবং রোগী ধীরে ধীরে কৃশ হয়।
৬। বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হয়, রোগীর অস্থিরতা, পিপাসা প্রভৃতি দেখা দেয়।
৭। ৫-৬ সপ্তাহ পরে কাশির বেগ কমে, তবে এই পর্যায়ে একাধিক ক্রমে ৫-৬ মাস পর্যন্তও স্থায়ী হয়। কাশির জন্য ঘাড়ে, বুকে, পিঠে ব্যথা হয়।






কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp