এ রোগে সঙ্গমের সময় প্রায়ই অনিচ্ছাকৃতভাবে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে বীর্য নির্গত হয়, ফলে কোমরে ব্যথা হয় এবং সাধারণ দুর্বলতা দেখা দেয়। সাধারণত শরীর দুর্বল থাকলে এবং সঠিক নিয়ম মেনে সঙ্গম না করলে এটা হয়ে থাকে।
কারণঃ
১। সঙ্গমের আগে সময় নিয়ে আলিঙ্গন না করা।
২। পর্যাপ্ত উত্তেজনা তৈরী না করে সঙ্গম করা।
৩। উত্তেজক কোন খাবার বা ঔষধ সেবন করা।
৪। পায়খানা, প্রস্রাবের বেগ থাকা।
৫। ধ্বজভঙ্গের প্রাথমিক অবস্থা।
যৌন পরামর্শঃ
১। সঙ্গমের আগে কমপক্ষে ১ ঘন্টা সময় নিয়ে আলিঙ্গন ও ক্রীড়া কৌতুক করুন।
২। উভয়ে পর্যাপ্ত উত্তেজনা তৈরী করে সঙ্গম করুন।
৩। আপনার সঙ্গীর সাথে যত বেশী সম্ভব ভাল সম্পর্ক তৈরী করুন।
৪। মিলনের সময় দ্রুত শরীর শান্ত হয়ে গেলে, পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ ডিম ও ফল খাবার অভ্যাস করুন।
৫। রাতে মাংসের হালিম খুবই উপকারি।
জীবনযাত্রার পরামর্শঃ
১। চা, কফি, মদ ইত্যাদি উত্তেজক দ্রব্য পরিহার করুন।
২। নিয়মিত প্রাতঃভ্রমন করুন।
৩। ঘুমাতে যাবার ২ ঘন্টা আগে রাতের খাবার গ্রহন করুন।
৪। উষ্ণ প্রকৃতির ও মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করুন।
৫। রাতে হালকা খাবার খান।
৬। কোষ্ঠ-কাঠিন্য হতে দিবেন না।
৭। ঘাতে যাবার আগে প্রস্রাব পায়খানা করে নিন।
৮। যৌন বিষয়ক চিন্তা করবেন না।
৯। নগ্ন ছবি দেখা থেকে বিরত থাকুন।
চিকিৎসা পরামর্শঃ
১। যেখানে সেখানে শক্তি বর্ধক হালুয়া খাবেন না। এই সকল হালুয়ায় উত্তেজক উপাদান থাকে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। পেপারে প্রায়ই নিউজ দেখা যায় - "শক্তিবর্ধক হালুয়া সেবনে মৃত্যু"।
২। আয়ুর্বেদিক, ইউনানী ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা খুবই দ্রুত কার্যকর এবং দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল পাওয়া যায়। এলোপ্যাথি চিকিৎসায় সাময়িক ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।
৩। হার্বাল চিকিৎসা খুবই ব্যয় বহুল।
৪। তূলনামূলক হোমিও চিকিৎসা কম ব্যয়বহুল ।
৫। এলোপ্যাথিতে স্থায়ী আরোগ্য সময় সাপেক্ষ।