ধ্বজভঙ্গ, শীঘ্রই বীর্যপাত, Impotency

ধ্বজভঙ্গ

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 100 বার ]

Category : Genital, Conjugal Life




স্ত্রী সহবাস করার আংশিক অথবা সম্পূর্ণ অক্ষমতাকে ধ্বজভঙ্গ ( Impotency ) বলে। স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা হয় অথচ লিঙ্গের উত্থান হয় না অথবা অতি শীঘ্র বীর্যক্ষরণ হয়ে যায়। এরূপ অবস্থাকে আংশিক ধ্বজভঙ্গ বলা হয়। কিন্তু প্রকৃত ধ্বজভঙ্গে সহবাস ইচ্ছা ও লিঙ্গ উত্থানের অভাব হয়।


সাময়িক ধ্বজভঙ্গ আশঙ্কার নয়। তীব্র মনোবিকার, বহুদিন ধরে নিস্তেজকর রোগ ভোগের পর ইত্যাদি কারণে সাময়িক ধ্বজভঙ্গ হতে পারে। এটি সহজেই নিরাময় হয়। অতিরিক্ত স্ত্রীসহবাস, বহুদিনের হস্তমৈথুনের অভ্যাস এবং জননেন্দ্রিয়ের নানাবিধ পীড়া, প্রমেহ প্রভৃতি কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে উপযুক্ত চিকিৎসায় নিরাময় হয়ে থাকে। অতিরিক্ত নেশা হতেও কারো কারো ধ্বজভঙ্গ হতে দেখা যায়।


ধ্বজভঙ্গ পুরুষের জন্য
একটি মারাত্মক
, কঠিন ও জটিল রোগ। হস্তমৈথুন,
অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, আঘাত প্রাপ্তি, বহুমূত্র, সিফিলিস, গনোরিয়া, পুরাতন অন্ডকোষ
প্রদাহ
, দীর্ঘকাল যাবৎ অজীর্ণ রোগ, স্নায়বিক রোগ ইত্যাদি কারণে
এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে। ইহাতে সন্তান উত্পাদন শক্তি লোপ
পায়।
অনেক চিকিত্সা বিজ্ঞানী ইহাকে রোগ বলে অভিহিত করতে চান না। ইহা যে কোন
কঠিন
জাতীয় পুরাতন রোগের লক্ষণ বিশেষ বলে তারা মনে করেন। পুরুষের যৌন
উত্তেজনা
ও যৌনতার স্থায়ীত্ব কম বেশি হয় কারণ তার দেহের হরমোনের ক্রিয়ার কম
বেশি
অবস্থা ঘটে। যৌন উত্তেজনা ও যৌন স্থায়ীত্ব কম হাওয়াই ধ্বজভঙ্গের
লক্ষণ
নয়।




অনেক ক্ষেত্রেই দেখা
যায় যে তার যৌন ক্ষমতা ঠিকই আছে কিন্তু মানসিক কারণে বা হীনমন্যতার জন্য ধ্বজভঙ্গ
ভাব
প্রকাশ
পায়। অনেকেই যৌবন কালে কম বেশি বীর্য ক্ষয় করে থাকে এবং নানা
প্রকার কৃত্রিম উপায়
অবলম্বন করে বীর্য ক্ষয় করে তাদের মনে তাদের মনে অনেক
সময় একটা ভুল ধারণার সৃষ্টি হয় যে তারা
ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত
, তার
যৌন ক্ষমতা
বোধ
কম এমন একটা দুর্বলতা বিশেষ করে মানসিক দুর্বলতা তার মনে সৃষ্টি হয়।
আবার কোন কোন সময় যৌন
ক্ষমতা সামান্য কম হলে সে মনে করে তার যৌন ক্ষমতা নেই
– ইহাও একটি ভুল ধারণা ।



অনেক সময় পুরুষের
পেনিস সামান্য ছোট বড়
হতে পারে, ইহা
প্রকৃতির নিয়মে অথবা বংশগত ধারায়। কিন্তু ছোট বলে অনেক পুরুষ
মনে করে যে সে যৌন
কার্যে অক্ষম এবং তার ধ্বজভঙ্গ রোগ হয়েছে
– এটাও ভুল ধারণা । বেশি পরিশ্রম, পুষ্টির অভাব, দেহে
উপযুক্ত প্রোটিন
, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব হলেও
এটি হতে পারে।



প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ রোগ
এবং জন্মগত ভাবে
ধ্বজভঙ্গ রোগ এই দুই শ্রেণীতে ইহাকে বিভক্ত করা হয়ে থাকে।
মানসিক বা দৈহিক
কারণে যদি এই রোগ হয় তবে তাকে প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ বলা যায়। আবার
যদি জন্মগত
ভাবে
হয় তখন তাকে ধ্বজভঙ্গ রোগ বলা যায়। মানসিক বা দৈহিক কারণে এই রোগ হলে
তার ট্রিটমেন্ট করা
যায় কিন্তু জন্মগত ভাবে হলে তার চিকিত্সা করে আরোগ্য
করাটা বেশ কঠিন। এবার আসুন প্রকৃত এবং
জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের ক্ষেত্রে কি
কি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তা দেখি :-




জন্মগত ধ্বজভঙ্গ
রোগের লক্ষণ:-



যৌবন আগমনের সঙ্গে
পুরুষোচিত গুনাবলীগুলি যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না।
মানুসিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়। সর্বদাই হীনমন্যতা
ও দুর্বলতার ভাব প্রকাশ
পায়। যৌবনের গুনাবলী ঠিক যে সময় যৌবন ভাব প্রকাশ পাওয়া
স্বাভাবিক সেটা দেখা যায়
না এবং যৌনতার ভাব যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। দেহের নানা
হরমোনের অভাবে
এবং
স্নায়ুবিক অক্ষমতার কারণ হিসাবে দেখা দেয়। যৌবন আগমন হলেও যৌনইন্দ্রিয়ের কোনো
উত্তেজনা থাকে না। পেনিস ঠিক মত শক্ত হয় না। কখনো কখনো অতি সামান্য দু
’এক ফোটা বীর্যপাত হয়। সর্বদাই এদের
চরিত্রে নারী সুলভ ভাবভঙ্গি প্রকাশ পায়। অদ্ভুদ ধরনের হাবভাব প্রকাশ পায় যা
সাধারনত কোন পুরুষের মধ্যে থাকে না। এদের যৌন উত্তেজনা
, পেনিসের উত্থান, বীর্যপাত
প্রভৃতি কিছুই দেখা যায় না।
আচার আচরণে বোকামি প্রকাশ পায়, মানুষের কাছে হস্যম্পদ হয়ে থাকে এবং অনেক সময় মানুষ তাদের নিয়ে
উপহাস ও কৌতক করে থাকে।



 



মানসিক বা দৈহিক
ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-



অন্যের যৌন ক্ষমতা
বেশি এবং নিজের কম এই ভেবে অনেক সময় মানসিক দুর্বলতা দেখা দেয়।


যতটা দৈহিক বীর্য ক্ষয় হয় ততটা খাদ্য
ঠিক মত পায় না। উপযুক্ত প্রোটিন
, ভিটামিন
প্রভৃতির অভাব
, পেটের রোগ এবং অন্য
কোন রোগে ভোগা।



হরমোন ক্রিয়ার কম
বেশির জন্য
, দীর্ঘকাল যাবৎ বছরের
পর বছর ধরে অতিরিক্ত
হস্তমৈথুন অথবা জন্মগত বা পৈত্রিক সূত্রে অনেকের পেনিস একটু
ছোট হলে এর
জন্য
হিনমন্যতায় ভোগে।


অনেক সময় আদৌ রোগ নয়, শুধু মাত্র মানসিক কারণেই এই লক্ষণ দেখা
দেয়। তারা
প্রকৃতপক্ষে
যৌনতায় সুস্থ কিন্তু কৃত্রিমভাবে বীর্যক্ষয় করার কারণে
ধ্বজভঙ্গের সন্দেহ করে এবং এই সন্দেহের
জন্য নিজেকে ধ্বজভঙ্গ রোগী মনে করে
থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে যৌন হরমোন বা
অন্য কোন গ্রন্থির হরমোন সমান্য কিছু কম
নিঃসরণের জন্য যৌন উত্তেজনা কিছুটা কম
হতে পারে কিন্তু যথাযথ ট্রিটমেন্ট
করলে হরমোনের এই গোলযোগ ঠিক হয়ে যায়। এই
ক্ষেত্রে মানসিক দুর্বলতা অনেক সময়
প্রকাশ পেয়ে থাকে।




রোগ নির্ণয় :-



স্ত্রী সহবাসের সময়
পেনিসের উত্থান হয় না
অথবা সামান্য মাত্র উত্থান হয়ে আবার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দ্রুত
বীর্যপাত
অর্থাৎ
বীর্য ধারণের সময় যতটা হওয়া উচিত তার চেয়ে অনেক কম। পেনিসে উত্তেজনা
দেখা যায় না আর হলেও
অনেক কম। বীর্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তরল হয়।
বীর্যপাতের পর অস্বাভাবিক ভাবে দুর্বল
হয়ে পড়ে। বীর্য এতটা পাতলা যে দেখতে
জলের মত।



 


ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসাঃ

ধ্বজভঙ্গের চিকিৎসা করার আগে, যে সকল কারণে, ধ্বজভঙ্গ হয়ে থাকে, বা ধ্বজভঙ্গ রোগ আরোগ্য হবার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আগে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে, এবং এই সমস্যাগুলো গে দূর করতে হবে। - -

১। কোষ্ঠবদ্ধতা।

২। বিশেষ কোন ঔষধ নির্ভরতা

৩। প্রস্রাবের ক্ষয় বা একিউট নেফ্রাইটিস

৪। হরমোন সমস্যা

৫। যৌন মিলনে খেলা না করে সরাসরি যৌনতা

৬। ভয়, মানসিক সমস্যা।



১। কোষ্ঠবদ্ধতা --

আপনার পেটে হজমের সমস্যা বা মলের সমস্যা থাকলে, আপনার শারীরিক হীনতা থাকবে। এতে করে আপনি যতই ভিটামিন টনিক বা ঔষধ সেবন করেন না কন , আশানুরূপ ফল পাবেন না। তাই প্রথমেই নিশ্চিত হতে হবে, আপনার পেটের কোন সমস্যা নাই। আপনি প্রতিদিন সকালে ১ বেলা পেট ক্লিয়ার হয়ে মল ত্যাগ করেন, এবং এসিডিটি আমাশয় বা অন্য কোন সমস্যা নাই।


২। বিশেষ কোন ঔষধ নির্ভরতা ---

বিশেষ কোন ঔষধের উপরর নির্ভরতা থাকা যাবে না। যেমন - আপনি প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের বা অন্য কোন সমস্যার জন্য ঔষধ খেতে হয়। নিয়মিত দীর্ঘদিন এলোপ্যাথি ঔষধ সেবন করলে বিশেষ করে, গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ সেবন করলে, যৌন শক্তি হ্রাস পায়, হাড় ক্ষয় সমস্যা দেখা দেয়, কিডনিতে একিউট নেফ্রাইটিস হয়ে দেহের হাড় ক্ষয় দেখা দেয়।


৩। প্রস্রাবের ক্ষয় বা একিউট নেফ্রাইটিস

প্রস্রাবের সাথে ক্যালসিয়াম বা এলবুমিন বেরিয়া যাওয়াকে প্রস্রাবের ক্ষয়ম প্রস্রাবের ইনফেকসন বা একিউট নেফ্রাইটিস বলে। এদের জন্য এলোপ্যাথিতে কোন ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই। এর ফলে দেহের শক্তি কমে যায়, যৌন দুর্বলতা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন চলতে থাকলে, পরে ধ্বজভঙ্গ দেখা দেয়। এটা বুঝার জন্য , আমার কিডনি বিষয়ক আর্টিকেল পড়ুন, এবং সেখানে যে কয়টি চেকাপ এর কথা বলা হয়েছে , সেগুল পরীক্ষা করে দেখুন। অথবা, সকালে ঘুম থেকে উঠে যে প্রস্রাব হবে সম্পূর্ণ প্রস্রাব একটি স্বচ্ছ বোতলে নিয়ে ৬ ঘন্টা পরে দেখুন প্রস্রাব কতটা ঘোলা এবং ব্বোতলের তলায় কোন তলানী পড়ে কিনা ? থাকলে, এর জন্য হোমিও চিকিৎসা নিন। তাহলেই ধ্বজভঙ্গ এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।


৪। হরমোন সমস্যা

উপরের ৩ টি পয়েন্ট ঠিক থাকা সত্বেও ধ্বজভঙ্গ হলে, হরমোন পরীক্ষা করুন। সাধারণত টেস্টোস্টেরণ সমস্যা দেখা দেয়। হরমোন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ফলপ্রসু।


৫। যৌন মিলনে খেলা না করে সরাসরি যৌনতা

উপরের ৪ টি পয়েন্ট ঠিক থাকলে, কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় নিয়ে সঙ্গীর সাথে খেলাধূলা আলিঙ্গন করুন যাকে ফোর-প্লে বলা হয়।

খেলাধূলা করা হলে, মেয়েদের যৌনতা মিটতে মাত্র ৫ মিনিট এর কম সমস্য লাগে। এটা আমাদের অনেক ছেলেই যানেনা। আমাদের ছেলের বেশীরভাগ যৌন শিক্ষা শুরু হয় বিকৃত পর্ণগ্রাফী থেকে। যেখানে দেখানো হয়, ঘন্টারপর ঘন্টা মেয়েদের যৌনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করাতে পারলেই সেক্স । বাস্তবে এটা যুব সমাজকে - ভুল মেসেজ দেয় ।

কোন মেয়েই ঘন্টার পর ঘন্টা সেক্স চায় না। তাদের দরকার, যৌন তৃপ্তি। এজন্য, যত বেশী সময় ধরে ফোর-প্লে করা হবে, তত কম সময়ে মেয়েরা তৃপ্তি লাভ করে থাকে।


৬। ভয়, মানসিক সমস্যা --

বাবা মায়ের জীবনে কোন ধরনের যৌন বিকৃতি বা অশান্তি দেখা সন্তানের বিবাহিত জীবনে মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, বন্ধুমহলের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি গল্প, এই যেমন অমুক বন্ধু ২ ঘন্টা সেক্স করে। স্ত্রীকে কোন কারণে ভয় করে বা ঘৃনা করে। অথবা অন্য কোন মানসিক ভীতি থাকলে, এ জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

-----------------------

উপরোক্ত ৬ টি বাধা সমাধান না করে, আপনি যতই ধ্বজভঙ্গের চিকিৎসা করেন কাজ হবে না। তাই এদের সমাধান আগে করতে হবে। এই ৬ টি সমস্যা সমাধানের পরেও যদি আপনার যৌন সমস্যা থাকে, তাহলে আপনি চিকিৎসা নেবার উপযুক্ত । নিকটস্থ অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক হতে ধাতগত চিকিৎসা নিন। সুস্থ হয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ।


হোমিও চিকিৎসায় সতর্কতাঃ

-----------------------

হোমিও চিকিৎসার নামে জিনসেং বা এই ধরনের কোন প্রকার ঔষধের বোতল সেবন থেকে দূরে থাকুন।

প্রকৃত পক্ষে জিনসেং যৌনশক্তি বর্ধক ঔষধ নয়। এটা মুলত অন্ডকোষের বাতের সমস্যায় নির্দেশিত।

বাস্তবিক, চায়নিজরা, এই হার্বসকে যৌন শক্তি বর্ধক বলে প্রচারণার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে যাচ্ছে, মানুষের যৌনতাকে পুঁজি করে।

এরপরেও যদি মেনে নিই, জিনসেং কাজ করে, তাহলে, ১০০ মিলি জিনসেং রস পেতে ১ কেজি জিনসেং শিকড় লাগবে, যার চাইনীজ জিনসেং এর দাম ১ লাখ টাকা আর কোরিয়ান জিনসেং এর দাম ৫ লাখ টাকা। এবার আপনি বুঝে নেন, ৫ বা ১ লাখ টাকা জিনসেং রস আপনাকে কিভাবে মাত্র ১০০-৫০০ টাকায় দেয়া হচ্ছে।

বাস্তবে, এই বতলের মধ্যে ভায়াগ্রা বা এই ধরনের ক্ষতিকর ঔষধ মেশানো থাকে। যা সেবন করে প্রথমদিকে এক রাতে ৮-১০ বার যৌন মিলন করতে পারবেন। এভাবে ২-৩ বছর চলার পর এক সময় এই ঔষধ আর কাজ করবে না। এমনকি আপনার নিজের যে স্বাভাবিক শক্তি ছিল সেটাও নষ্ট হয়ে যাবে। লিঙ্গ ছোট হয়ে পেটের ভিতর ঢুকে যাবে।

যে চিকিৎসক, এই ধরনের ঔষধ দিবেন , তাকে এড়িয়ে চলুন।



কিছু কুসংস্কার --

----------------------

বন্ধু মহলে, অনেক ছেলে গল্প করে আমি ২ ঘন্টা সেক্স করি, ১ রাতে ৫-৬ বার সেক্স করি। শক্তিবর্ধক খাবার দাবার এবং উন্নত জীবন যাপনের কারণে এমনিটি হতে পারে, তবে তা সংখ্যায় খুব কম বর্তমানে খুবই কম কারণ আমাদের ভেজাল খাবারের কারনে দেহের সাইলেন্ট এলবুমিনুরিয়ার কারণে। যাই হোক, এমন বন্ধুকে এক নাগারে ৩ দিন ৯ বেলা, লাউ তরকারি দিয়ে পান্তাভাত পেট ভরে খেতে দিন। এরপর সেক্স করতে দিন। তখন যদি পারে তাহলে সে ন্যাচার‍্যালি সেক্সশক্তি সম্পন্ন। আর না পারলে, চাপাবাজি করে অন্য বন্ধুদের মানসিক অশান্তি তৈরী করার জন্য, ভালো শাস্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে।



হোমিওপ্যাথি তে ধ্বজভঙ্গ আরোগ্য হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।

#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।


যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018

আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
--------------------------------------------------------
সর্বশেষ আপডেট  16-03-2023 - 9:10 am








কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp