পাকস্থলীর প্রদাহ, Gastrities (Stomach Pain), পাকস্থলী, Stomach inflamation

পাকস্থলীর প্রদাহ

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 37 বার ]

Category : Digestive


এটা পাকস্থলীর একটি ব্যাধি। পাকস্থলী পরিপাকতন্ত্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর গাত্র ৩টি স্তর নিয়ে গঠিত। সর্ব বহির্বিভাগ পেরিটোনিয়াম নামক পর্দা দ্বারা আবৃত, মধ্যে পেশীস্তর ও ভিতরে শ্লেষ্মা ঝিল্লীর দ্বারা ঢাকা। এই ঝিল্লীগাত্রে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র গর্ত আছে। গর্তগুলি শ্লেষ্মা ঝিল্লীর মধ্যে নিহিত অসংখ্য গ্রন্থির মুখ্য গ্রন্থিগুলি হতে এক প্রকার পাচক রস নিঃসৃত হয় এবং ভুক্ত খাদ্য দ্রব্য পাকস্থলীতে পৌছায়। ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে তা পাচক রসের সাথে মিশে যায়।

পাচক রসের উপাদান হলঃ
১) হাইড্রোক্লোরিক এসিড।
২) পেপসিন।
৩) রেনিন।
পাচকাম্ল রস সৃষ্টিকারী গ্রন্থির নাম পেপটিক গ্রন্থি ও পাচকাম্ল রসকে গ্যাস্ট্রিক জুস বলে। গ্যাস্ট্রিক জুসের কম-বেশীর জন্যই পাকস্থলীতে প্রদাহ হয়।


পাকস্থলীর প্রদাহ ২ প্রকারঃ
১। পাকস্থলীর মারাত্মক প্রদাহ ( Hyper Acid Gastrities)
২। পাকস্থলীর পুরাতন প্রদাহ ( Hypo Acid Gastrities)

তরুন / পুরাতন প্রদাহের লক্ষণঃ
১। ভুক্ত খাবার প্রায়ই হজম হয় না। নীচ পেট ভার বোধ হয়, অস্বস্থি লাগে।
২। অজীর্ণতা থাকতে পারে।
৩। বমি বমি ভাব হয় বা বমি হতে পারে।
৪। মুখের ভিতর শুকনা ভাব হয়, খাবারে রুচি থাকে না।
৫। পেট ফেঁপে উঠে, বুক পুড়ে, জ্বালা পোড়া হয়।
৬। পেট জ্বালা ও মুখ তিতা হয়। অনেক সময় ব্যথা হয়। কোন কোন সময় পেটের ভিতর মোচড়ায়।
প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা না হলে পরে পুরাতন প্রদাহ হলে তা খুবই খারাপ।

প্রদাহের কারণঃ
১। মাত্রাতিরিক্ত খাদ্য খাইলে কিংবা খাবার চিবিয়ে না খাইলে হজমে ব্যঘাত ঘটে, ফলে পাকস্থলীতে প্রদাহ ঘটে।
২। অর্ধ সিদ্ধ বা কাঁচা খাবার খেলে ।
৩। বেশীপরিমান মদ পান করলে।
৪। বিষাক্ত খাবার খেলে।
৫। সহজে হজম হয় না এমন খাবার খেলে বা অসময়ে খাবার খেলে।
৬। অতিরিক্ত চা পান বা ধুমপানের জন্য।

*** মনে রাখতে হবে যে, পুরাতন পাকস্থলীর প্রদাহ ভাল না হলে, পরে তা পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসারে পরিণত হতে পারে।

১। পাকস্থলীর মারাত্মক প্রদাহ ( Hyper Acid Gastrities)
গ্যাস্ট্রিক জুসের হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রোটিন জাতীয় খাদ্য - ডিম, মাছ , মাংস ইত্যাদি হজমে সাহায্য করে। এই হাইড্রোক্লোরিক এসিড স্বাভাবিকের চেয়ে পরিমাণে বেশী হলে ঐ অবস্থাকে হাইপার এসিড গ্যাস্ট্রাইটিজ।

লক্ষণঃ
১। ক্ষুধা লাগলে উপরের পেটে ও বুকের মধ্যে জ্বালাপোড়া ভাব থাকে।
২। কিছুদিন এমনিভাবে চলার পর খালি পেট হলেই ব্যথা অনুভব করে।
৩। কিছু খেলে ব্যথা সামান্য কমে যায়।
৪। এই অবস্থায় ক্ষুধা বেশী হয় এবং দ্রুত হজম হয়।
৫। ধীরে ধীরে ব্যথা বৃদ্ধি পায় এবং অবশেষে তা পেপ্টিক আলসারে রূপ নেয়।


২। পাকস্থলীর পুরাতন প্রদাহ ( Hypo Acid Gastrities)
হাইপার এসিডিটিতে ভুগতে ভুগতে হাইপো এসিডিটিতে আক্রান্ত হয়। এই অবস্থায় গ্যাস্ট্রিক জুসে হাইড্রোক্লোরিক এসিড কম থাকে।

লক্ষণঃ
১। রক্তহীনতা,
২। ক্ষুধামন্দা,
৩। বুক জ্বালা-পোড়া,
৪। অম্ল ঢেকুর,
৫। বমি, বমি ভাব ও পাতলা পায়খানা হতে পারে।
৬। কারো কারো ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিণ্য থাকতে পারে।

উপদেশঃ
১। পাকস্থলীর মারাত্মক প্রদাহ হলে যথা সময়ে চিকিৎসা করা উত্তম। কেননা, এই রোগে উপর্যপরি ভুগতে থাকলে রোগ পুরাতন হয় এবং পরিশেষে হাইপার এসিডিটি কিংবা হাইপো এসিডিট পর্যন্ত গড়াতে পারে।
২। রোগ সৃষ্টি হবার কারন সমূহ সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে।
৩। অতিরিক্ত গরম মসলাযুক্ত খাদ্য, কম সিদ্ধ, কাঁচা কিংবা কঠিন খাদ্য খাইবে না। যে খাদ্য সহজে হজম হয় অর্থাৎ, সহজ পাচ্য খাবার খাবে।
৪। বেশীক্ষণ খালি পেটে থাকবে না।
৫। চর্বিযুক্ত খাদ্য, ভাজা-পোড়া, কাঁচা ফলমূল, মদ, চা, সিগারেট খাবে না। গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ী মাছ, বোয়াল মাছ খাবে না।
৬। পুরোপুরি নিয়ম মাফিক চলতে হবে।




আপনি কি এই ক্যাটাগরির আর্টিকেল দেখত চান?

Category: digestive
Article : 1
1. . অসম খাদ্যাভ্যাস ও গ্যাস্ট্রিক, এসিডিটি অনেক রোগের কারণ [ 138 ] -


কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp