কোষ্ঠ-কাঠিন্য

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 58 বার ]

Category : digestive


ভুক্ত খাদ্য দ্রব্যের প্রয়োজনীয় অংশ বাদে অসার অংশ ১২-৪৮ ঘন্টার মধ্যে পায়খানা হয়ে বের না হলে তাকে কোষ্ঠ-কাঠিণ্য বলে। অন্ত্রের রোগ, অন্ত্রের ক্রিয়াতে ব্যাঘাত, যকৃতের ক্রিয়া হ্রাস, উপযুক্ত খাদ্যের অভাব প্রভৃতি কারণে এই রোগ হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় ২৪ ঘন্টায় ১-২ বার মলত্যাগ হয়। বিভিন্ন লোকের মলত্যাগের বিভিন্ন নিয়ম। কেউ ২৪ ঘন্টায় ১-২ বার , কেউ ২-৩ দিন পরপর ১ বার মলত্যাগ করে। এই ক্ষেত্রে তার কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।  কিন্তু কোষ্ঠ-কাঠিণ্য হলে মল ভান্ডার হতে মল সম্পূর্ণ নিঃসৃত হয় না। বিভিন্ন রোগের সাথে যেমন - ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড ইত্যাদির সাথে কোষ্ঠ-কাঠিণ্য  থাকতে পারে। সোজা কথায় কেউ ৩ দিন পর পায়খানা করেও যদি কোন অসুবিধা বোধ না করে তবে তার জন্য উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই।

কোষ্ঠ-কাঠিণ্য দুই প্রকারঃ
১। কোলোনিক কনসটিপেশন ( Colonic Constipation) .
২। রেক্টাল কনসটিপেশন ( Rectal Constipation)

১। কোলোনিক কনসটিপেশন ( Colonic Constipation)
কারণঃ
১। শাক-সবজি, ফলমূল না খেলে, ভিটামিন বা হরমনের অভাব হলে, খাওয়ার পরে পানি কম খেলে, কিংবা যথা সময়ে আহার না করলে।
২। অলসতা, বার্ধক্য, দুর্বলতা এবং রক্তহীনতার জন্য এই রোগ হয়।
৩। পেটের মাংসপেশী দুর্বল হলে কিংবা বিসমাথ, আফিম, লৌহ ইত্যাদি ঔষধের ক্রিয়ায় এই রোগ হয়।
৪। বৃহৎ অন্ত্রের সংকোচনের জন্য অর্থাৎ, মানসিক অশান্তি, অস্থিরতা, অম্লশূল ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে ।
৫। পিত্তরস কম নিঃসরণ হলে।

২। রেক্টাল কনসটিপেশন ( Rectal Constipation)
কারণঃ
১। পায়খানার বেগ হলেও যথা সময়ে পায়খানা না করার অভ্যাস ক্রমাগত অনেকদিন স্থায়ী হলে।
২। মলত্যাগের নালীর শেষ প্রান্ত সরু হলে।
৩। হিস্টিরিয়া এবং নিউর‍্যাসথেনিয়া রোগ থাকলে।
৪। পেটে টিউমার কিংবা ইনটেসটিনে কোন রোগ থাকলে ।
৫। কৃমি জনিত কারণে।

লক্ষণঃ
১। তলপেটের বাম দিকে ব্যথা হয়।
২। রোগীর পেট ফাঁপা কিংবা ব্যথা থাকতে পারে।
৩। শরীরে অস্বস্তি বোধ হয় এবং ক্ষুধা কমে যায়।
৪। পেটে গ্যাস দেখা দিতে পারে এবং পেট ভার ভার বোধ হয়।
৫। মুখে দুর্গন্ধ এবং অনিদ্রা দেখা দিতে পারে।
৬। দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠ-কাঠিণ্যের কারনে রোগী দুর্বল হয়।

চিকিৎসাঃ
কোষ্ঠ-কাঠিণ্যের প্রকৃত কারণ জেনে চিকিৎসা করতে হবে। রক্তহীন হলে রক্তশূণ্যতার চিকিৎসা করতে হবে। নিন্মলিখিত নিয়ম পালন করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
১।  প্রতিদিন ভোরে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিয়মমত সঠিক খাদ্য খেতে হবে।
২। অলসতা পরিহার করে সকালে ও বিকালে পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করা, যথেষ্ট ব্যায়াম করা - ইত্যাদি অভ্যাস গরে তুলতে হবে।
৩। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা, টাটকা শাক-সবজি এবং ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
৪। কৃমি থাকলে কৃমির ঔষধ খেয়ে কৃমি ফেলে দিতে হবে।
৫। আমাশয়, বহুমূত্র ইত্যাদি রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।
৬। পায়খানা পরিষ্কার হওয়ার জন্য ইসবগুল, রাতে শোবার পূর্বে ১গ্লাস পানিতে ১/২ চামচ মিশিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে শক্তি বাড়ে ও পায়খানা পরিষ্কার হয়।




আপনি কি এই ক্যাটাগরির আর্টিকেল দেখত চান?

Category: digestive
Article : 1
1. . অসম খাদ্যাভ্যাস ও গ্যাস্ট্রিক, এসিডিটি অনেক রোগের কারণ [ 140 ] -


কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp