সর্দি - পুরাতন
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 209 বার ]
Category : respiratory, earnosenthroat, general,
নাকের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির পুরাতন প্রদাহকে পুরাতন সর্দি বলে। সাধারণত তরুন সর্দি বারবার আক্রমণের ফলে এরূপ হয়। নাকের ভিতর কোন উত্তেজক পদার্থ থাকাও এর অন্যতম কারণ।
ঘন ঘন সর্দি লাগলে ধীরে ধীরে তরল অবস্থা থেকে পুতারন সর্দিতে পরিণত হয়। শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব, ধূলো বা উগ্র পদার্থের প্রবেশ, বার বার সর্দির আক্রমণ প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে সর্দি পুরাতন হয়।
লক্ষণঃসর্দি কখনো পাতলা, কখনো গাঢ় হয়। সর্দিতে একটি বা দুটি নাকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। নাকের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর ( Mucus Membrane ) প্রদাহ এই রোগের কারণ।
গলার মধ্যে সর্দি থাকে। রোগী সর্দি তুলে ফেলার জন্য গলা খাকারী দেয়। গলার মধ্যে এমন অসুবিধা হয় যা বুঝানো কঠিন। মাথা ধরা দেখা দিতে পারে। নাক হতে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব বের হয়। নাকে মামড়ি পড়ে। ঘ্রান শক্তি বহুলাংশে হ্রাস পায়। অনেক সময় কানে কম শুনে, ও স্নায়ুশূন্য দেখা দেয়।
রোগ নির্ণয়ঃ
১। প্রায়ই সর্দি লাগে, অর্থাৎ ৪-৫ দিন ভাল থাকার পর আবার সর্দি লাগে। মনে হয় সর্দি কাশি কিছুতেই আরোগ্য হতে চায় না।
২। কাশি বা থুথু পরীক্ষা করলে কোন রোগ জীবানুর আক্রমন হয়েছে তা জানা যায়।
পথ্য ও আনুষঙ্গিকঃ
১। মুক্ত বাতাসে ভ্রমন রোগীর পক্ষে উপকারি।
২। সকালে গোসলের অভ্যাস করা ভাল।
৩। টক খাবার বাদ দিতে হবে।
৪। পুষ্টিকর লঘুপথ্য বা ফল উপকারী।
৫। শাক-সব্জি, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশী উপকারী।
সতর্কতাঃ
এই
রোগ ঘন ঘন হলে অভিজ্ঞ নাক-কান-গলা ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা করানো উচিত। এই রোগে বেশী
দিন ভুগলে ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কিয়েকটেসিস, হাঁপানি প্রভৃতি কঠিন রোগ দেখা
দিতে পারে। পরবর্তী পর্যায়ে যক্ষাও হতে পারে।
চিকিৎসাঃ
এই ধরনের ভাইরাস জাতীয় রোগের জন্য এলোপ্যাথি
মতে সুনির্দিষ্ট ঔষধ নাই। তবে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে কষ্ট লাঘব হয়।
এছাড়া হোমিওপ্যাথি মতে চিকিৎসা করালে আরোগ্য হয়ে থাকে।