বুকে ব্যথা, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট কোন রোগ নয়। তবে কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে। বিভিন্ন পর্যায়ে ঠান্ডা লাগা বা রোগ জীবানুর সংক্রমণের ফলেও হতে পারে। সাধারণত এর সাথে টনসিল প্রদাহ বা অল্পবিস্তর ব্রঙ্কাইটিস থাকতে পারে। অতিরিক্ত কাশি ধুমপানের কারণ, ধুলি-বালি নাকের মধ্যে প্রবেশ করা কিংবা এলার্জি জনিত কারণেও হতে পারে। তবে কাশির পাশাপাশি বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
ফুসফুসের একটি রক্তবাহী আর্টারীর রক্ত চলাচলে কোন একটি ভাসমান রক্তের টুকরা দ্বারা বা জীবানুঘটিয় সংক্রমণে এই রোগ হতে পারে। যেমনঃ পালমোনারী থ্রোম্বোসিস।
সাধারণত সন্তান প্রসব, মাইট্রাল স্টেনোসিস, সার্জিক্যাল, অপারেশন প্রভৃতির পরে এর আক্রমণ হতে পারে।
লক্ষণঃ
১। হঠাৎ রোগীর কাশি শুরু হয়।
২। কাশির সাথে শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে।
৩। পিঠে ঠেস দিয়ে বসলে রোগী আরাম বোধ করে।
৪। কাশি উঠে আবার কখনো উঠে না। কাশি পাকে। কখনো পাকা কফ উঠে। আবার দীর্ঘদিন ঐ একইভাবে যেতে পারে।
৫। বুকের যে কোন স্থানে ব্যথা হয় বা ব্যথার তীব্রতা বাড়তে পারে।
৬। পাকা কাশ উঠানোর জন্য জোরে কাশতে হয়, ফলে বুকে ব্যথা হতে পারে।
৭। কাশির সাথে জ্বর থাকলে কোন রোগ জীবানুর ইনফেকশন বুঝায়।
৮। বেশী শ্বাসকষ্টের সময় বুকের বাম পাশে এবং দুই স্তনের মাঝখানে ব্যথা হয়।
৯। অনেক সময় কাশির সাথে রক্ত পড়তে পারে।
১০। আক্রমণের ২-৪ দিন পর বুকে পুরপুর Crepetation শব্দ শুনা যায়।
পথ্য ও আনুষঙ্গিকঃ
১। কঠিনভাবে আক্রান্ত রোগীর শ্বাসনালীতে অনেক সময় অক্সিজেন দেয়ার দরকার হতে পারে। এই রকম রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়াই ভাল।
২। ঠান্ডা না লাগানো ভাল।
৩। ঠান্ডা খাবার খাবে না।