চঞ্চলতা/ দূরন্তপনা/অস্থিরতা
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 74 বার ]
Category : teenage, neurology, psychology,
এই বাচ্চারা খুবই চঞ্চল, ছটফটে, অস্থির, দুরন্ত, ডানপিঠে এবং কিছুটা একরোখা হয়ে থাকে। বাসার সবাই এদের জ্বালায় অস্থির থাকে। বাড়ির সবাইকে এমনকি কোথাও কয়েকদিনের জন্য বেড়াতে গেলে সেখানকার সবাইকে
অস্থির করে তুলছে। বিশেষ করে, চুলটানা, লাথি মারা, ব্যঙ্গ করা, মারামারি ইত্যাদি এদের নিত্য কাজ। এক যায়গায় স্থির থাকতে পারে না। যে কোন ভদ্রলোককে খুব দ্রুত হাসাতে বা রাগাতে পারে। কখন যে কার সাথে কীভাবে ঝগড়া মারামারি শুরু করে, তা বুঝে উঠার আগেই ঘটে যায়।
এদের এই অস্থিরতার কারণে স্থির হয়ে লেখাপড়ায় মন বসাতে পারে না। ফলে কারো কারো ক্ষেত্রে লেখা পড়া ভালো হলেও বেশীর ভাগ বাচ্চার লেখাপড়া খুবই করুন অবস্থা।
এই বাচ্চারা আসলে খুবই মেধাবী। কিন্তু দুরন্তপনার কারণে এরা মেধাকে লেখাপড়ায় কাজে লাগাতে পারে না। অল্প কিছু বাচ্চা আছে যাদের স্মরণশক্তি খুবই দুর্বল থাকে।
অনেকে বিরক্ত হয়ে বাচ্চাকে হোস্টেলে বা মাদ্রাসায় দিয়ে দেন। এতে করে এই সমস্যা আরো বেড়ে এক সময় লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। সবচেয়ে সমস্যা হল, অনেক অভিভাবক স্বীকার করতে বা মানতে চায় না যে তার ছেলেটা অন্যদের থেকে একটু বেশীই অস্থির এবং তার চিকিৎসা দরকার। এর ফলে, চিকিৎসা না করিয়ে বাচ্চার জীবনটা ধ্বংস করা হয়।
জ্বী, আপনার নিজের বা আপনার পরিচিত কারো এই ধরনের বাচ্চা থাকলে, আপনাকে আগে মানতে হবে যে তার চিকিৎসা দরকার।
চিকিৎসা কেমন ?
এলোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথিতে এর চিকিৎসা রয়েছে। এরমধ্যে এলোপ্যাথির তুলনায় হোমিওপ্যাথিতে আরোগ্যের সফলতা প্রায় ৯৯% । এলোপ্যাথিতে বাচ্চাকে ঘুমের ঔষধ দেয়া হয় বলে, বাচ্চার দৈনন্দিন জীবন ও লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটে। কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে এই ধরনের সমস্যা হয় না বরং খুব দ্রুত আরগ্য লাভ করে।
এলোপ্যাথিতে কয়েক বছর চিকিৎসা করতে হয় এর পরেও সফলতা খুবই কম। কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে অনেক কম সময় লাগে এবং সফলতার হার ১০০%, অনেক ক্ষেত্রে ৯৯%, আর যেখানে এলোপ্যাথিতে সফলতা আশা করা যায় না, সেখানে হোমিওপ্যাথিতে অন্তত জীবন রক্ষা হয় বলে আশা করা যায়।