কিডনী - নেফ্রাইটিস

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 41 বার ]

Category : urinary


একটি কিডনী ২৪ ঘন্টায় ২০০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে ১৫০ মেইল নেফ্রন এর সাহায্যে।
নেফ্রাইটিস হল কিডনীর প্রদাহ জনিত একটি ব্যাধি। শরীরের সকল রক্ত কিডনীর মধ্য দিয়ে সার্বক্ষনিক ফিল্টার করা হয়। কোন কারণে স্টেপটোকক্কাস হিমোলিটিকাস - গ্রুপ এর জীবাণু বা তার বিষক্রিয়া রক্তে প্রবেশ করলে তা কিডনীর মধ্যে ফিল্টারের সময় কিডনীর ছাঁকনী যন্ত্রে ইনফেকশন হয়। এতে ছাঁকনীর কাজ ব্যাহত হয় এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়। উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিক এর কারণেও নেফ্রাইটিস হয়।
সাধারণতঃ সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিজ, কান পাকা, আঙ্গুলহাড়া, শরীরের কোন স্থানে
ফোঁড়া, দাঁতের পুঁজ ইত্যাদি হতে নেফ্রাইটিস রোগ হয়। ( তবে এই সকল কারণে
রিউমেটিক ফিভার ও হয়ে থাকে। )

সাব-একিউট নেফ্রাইটিসঃ
প্রায়ই একিউট নেফ্রাইটিস দেখা যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাব-একিউট নেফ্রাইটিস রোগ হয় এবং এ রোগে ভুগতে ভুগতে কিডনীর গ্লোমিরিউলাস গুলি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়।  যে কোন বয়সের লোকেরা এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও যুবকেরা বেশী আক্রান্ত হয়ে থাকে। বালক-বালিকা এই রোগে আক্রান্ত হলে শতকরা ৮০ জন আরোগ্য লাভ করে।

লক্ষণঃ
১। রোগীর প্রস্রাব কমে যায়। প্রস্রাবের সাথে রক্ত মিশ্রিত থাকে।
২। ব্লাড প্রেসার ও নাড়ীর গতি অতি বৃদ্ধি পায়। ঔষধে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে আনা যায় না এবং মাথা ব্যথা থাকে।
৩। মুখ কিংবা পায়ের গোড়া ফুলে যায়। রোগের আক্রমণ বেশী হলে সমস্ত শরীর বেশী পরিমাণে ফুলে যায়।
৪। কারো কারো ক্ষেত্রে উচ্চজ্বর হয় এবং তার সাথে অন্যান্য রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৫। প্রস্রাব পরীক্ষায় এলবুমিন, লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা ও কাষ্ট পাওয়া যায়।

একিউট নেফ্রাইটিস ( Acute Nephritis ) 
সাব একিউট নেফ্রাইটিস এর তুলনায় একিউট নেফ্রাইটিস বেশী মারাত্মক এবং কম ঘটে। সাব একিউটের ক্ষেত্রে গ্লোমিরিউলাস গুলো যতটুকু নষ্ট হয় একিউটের ক্ষেত্রে  রোগীর অজানা অবস্থায় বহুদিন ধরে চলতে চলতে কিডনীর গ্লোমিরিউলাস গুলি অতি মাত্রায় নষ্ট হয়। রোগের প্রকোপ কম-বেশী হতে হতে এক সময় একিউট নেফ্রাইটিসে পরিণত হয়।

লক্ষণঃ
১। প্রস্রাবের পরিমাণ খুব কমে যায় এবং শরীরে জ্বর থাকে।
২। সাব একিউট কেসে প্রস্রাবে রক্ত থাকে কিন্তু একিউট কেসে প্রস্রাবে রক্ত থাকে না, কিংবা পাসসেলও থাকে না। তবে দুই একটি লোহিত রক্ত কণিকা পাওয়া যায়।
৩। প্রস্রাবে যথেষ্ট এলবুমিন থাকে।
৪। সমস্ত শরীর রসে ফুলে যায়। এই ফুলা প্রথমে মুখমন্ডলে দেখা যায়। কিন্তু হার্ট ফেইলিউর রোগে প্রথমে পা ফুলা দেখা যায়।
৫। প্রস্রাবে দানাওয়ালা ও দানাবিহীন কাষ্ট পাওয়া যায়।
৬। উচ্চ রক্তচাপ থাকে।

পুরাতন নেফ্রাইটিস ( Chronic Nephritis )
দীর্ঘদিন ধরে নেফ্রাইটিসে ভুগলে তা পুরাতন নেফ্রাইটিস রোগে পরিণত হয়। সাব-একিউট বা একিউট নেফ্রাইটিস এর লক্ষণের কিছু রদবদল হয়ে পুরাতন নেফ্রাইটিসের লক্ষণ প্রকাশ পায় এবং রোগ মৃদুভাবে চলতে থাকে। পুরাতন পর্যায়ে আক্রান্ত ব্যক্তির কিডনীর ছাঁকনী সামান্য কিছু ভাল থাকলেও তা শরীরের দূষিত পদার্থ বের করতে না পারায় রক্তে ইউরিমিয়ার সৃষ্টি হয়। এই অবস্থায় রোগী বেশী দিন বাঁচে না। ডায়ালাইসিস এর মাধ্যমে যতদিন রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা যায়।

লক্ষণঃ
১। শরীরের ফুলা কমে যায়।
২। রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
৩। প্রস্রাব বেশী হয়, রাতে আরো বেশী হয়।
৪। রোগী রক্তহীন ও দুর্বল হয়।
৫। প্রস্রাবের স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি কমে যায়। তবে এলবুমিন কম থাকে।
৬। হার্ট ফেইলিউর এর লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।

পথ্য ও আনুষঙ্গিকঃ
১। ভাতের সাথে ছোট মাছের ঝোল দেয়া যায়।
২। মাংস, চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়া যাবে না।
৩। লবণ খাওয়া নিষেধ।

সতর্কতাঃ
শরীরে পানি জমে ফুলে যাওয়ার কারনে, একইভাবে হার্টেও পানি চাপ দেয়। ফলে হার্ট এর সমস্যা বা হার্ট ফেইলিউর বা হার্ট এট্যাক এর সম্ভাবনা থাকে। রোগীর প্রতি সজাগ নজর রাখতে হবে।

গবেষনালব্দ তথ্য ও পরামর্শঃ
কিডনী রোগীদের তথ্য গবেষনা করে কিছু তথ্য জানা গেছে -  
১। কিডনী রোগী সাধারণত গরম সহ্য করতে পারে না, গরমে রক্তের ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পায়। তাই কিডনী রোগীকে এসি রুমে রাখলে তাদের ক্রিয়েটিনিন দ্রুত বৃদ্ধি পায় না।
২। প্রচন্ড গরমে সাধারণ মানুষ প্রচুর পানি পান করলেও কিডনী রোগীকে চিকিৎসকের নিষেধ থাকায় পানি পান করতে দেয়া হয় না। এসি রুমে থাকলে পানি খাওয়ার চাহিদা কম থাকে।
৩। ফুসফুসে পানি জমে কিডনী রোগীর কাশির সমস্যা এবং দ্রুত ঠান্ডা লেগে যায়। তাই এসির তাপমাত্রা সহ্যমত ত্রাখতে হবে।

চিকিৎসা পরামর্শঃ
১। রোগীর শরীর হতে এলবুমিন বেরিয়া যাওয়া বন্ধ করার মত কোন ঔষধ এখনো এলোপ্যাথি মতে আবিষ্কার হয় নাই।
২। হোমিওপ্যাথিতে প্রস্রাবের এলবুমিন কমানো যায়, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলেও প্রস্রাব বৃদ্ধি করে শরীর থেকে পানি বের করা যায়।  তাই রোগের শুরুতেই অবহেলা না করে হোমিও চিকিৎসা নিলে রোগ আরোগ্যের সম্ভাবনা থাকে, এমনকি নিয়মিত সেবনে রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়।  অবশ্যই ভাল হোমিওপ্যাথি মেডিসিন চিকিৎসক দরকার ।
৩। এমনকি রোগের কঠিন অবস্থাতেও রোগী এলোপ্যাথি চিকিৎসাকালীন পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবন করে ধীরে ধীরে আরোগ্যের সম্ভাবনা আছে।
৪। রোগ ধরা পড়ার শুরুতেই হোমিও চিকিৎসা খুবই কার্যকর। অবশ্যই খুব দক্ষ ও অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দরকার।

allmedicin.com এ হোমিওপ্যাথি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার সেবায় নিয়োজিত আছেন।



আপনি কি কিছু সাকসেস এভিডেন্স সেম্পল দেখত চান?

Category: urinary
Sample Evidence : 1
1. 1153_Tajul Islam => Prostitis, Urinary Obstruction হোমিওপ্যাথি তে সমাধান [ 44 ]



কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp