Success Summary : হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে পেটের পানি বেরিয়ে যায়, প্রস্রাব পরিবর্তন হয়।
[ লাইভ আপডেট চলছে ] হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দেয়ার ৪৮ ঘন্টা ব্যবধানে লিভারের রোগীর প্রস্রাব।
[ তারিখ অনুসারে এই পোস্ট এর নিয়মিত আপডেট দেয়া হবে, আমি কতটা সঠিক কতটা ভূল আপনারা দেখতে পাবেন। ইনশাআল্লাহ। ]
রোগীর নাম - মোশতাক আহমেদ।
বয়স ৬৫
এই রোগী প্রথম যখন বারডেমে ভর্তি হয়, বিলিরুবিন ২১, আমি তখনই বলেছিলাম যে, রোগীর লিভারে সিস্ট বা ক্যান্সার আছে। বারডেমের ডাক্তার বলল, কিছু নাই। রিলিজ এর সময় দেখা গেল CEA 345 মানে ক্যান্সার।
তার মানে আমার কথা সঠিক ছিল।
এরপর বলেছি, দ্রুত চিকিৎসা না করলে, একে একে সব অর্গান ড্যামেজ হতে থাকবে। ১ মাস পরেই রোগীর
শ্বাসকষ্ট - ফুসফুসে পানি জমেছে।
হার্ট সমস্যা - হার্টে পানি জমেছে।
প্রস্রাব কম - কিডনি ফেইলিউর হচ্ছে।
প্রস্রাব কালো ঘোলা - প্রস্রাবে রক্ত, এলবুমেন, বিলিরুবিন।
রোগীকে ১২০০০ টাকা দামের এলবুমেন ইনজেকশন প্রতিদিন ২ বেলা দিয়েও কাজ হচ্ছে না।
পেটে পানি জমে এসাইটিস বা জল উদরী।
সিরিঞ্জ দিয়ে পানি বের করা হল। লাভ হয় নাই, আবার পানি জমে যায়। শুরু হল ডায়ালাইসিস, ডায়ালাইসিস দিয়েও পানি কমছে না।
কিডনি ডাক্তার বলছে, লিভার ঠিক করে দিলে আমি কিডনি ঠিক করে দিব। আর লিভারের ডাক্তার বলছে লিভারে সমস্যা নাই। দেশে টপ ব্যয়বহুল হাসপাতালের এই অবস্থা। ১৪ দিনে ৮ লাখ খরচ করেও কোন সমাধান হল না।
০৫-০৪-২০২৬ইং রবিবার রাত ৯ টা ঔষধ প্রদান
++++++++++++++++++++++++
রোগীর স্বজন ০৫-০৪-২০২৬ইং রবিবার রাত ৯ টায় ১ ডোজ ঔষধ নিয়ে গেলেন। এই ঔষধ এর মোড অব একশন হবে -- দেহের সমস্ত অপ্রয়োজনীয় পানি বের করে দেয়া। আর পানি জমতে দিবে না। কিডনি ও লিভার এর ড্যামেজ প্রতিহত করবে, সেটা প্রমাণ হবে, প্রস্রাবের রংগের পরিবর্তন এর মাধ্যমে। আর দেহের পানি কমে শ্বাসকষ্ট দূর হবে। আমি ঔষধ দেয়ার সময় এই পরিবর্তন এর কথা রোগীর ছেলেকে বলেছি। হোমিওপ্যাথি কাজ করলে এই সব পরিবর্তন আসবে। আমার সকল রোগী কে আমি এভাবে ঔষধের কাজের কথা জানিয়ে দেই।
০৯-০৪-২০২৬ইং বৃহস্পতিবার আপডেট
++++++++++++++++++++++
লিভার, প্যানক্রিয়েটস, কিডনি, হার্ট সবই সমস্যা। পেটে পানি জমে যায়। সিরিঞ্জ দিয়ে পানি বের করার পর আবার পানি জমে যায়। ৯ টা ডায়ালাইসিস করেও পেটের পানি কমে নাই।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে পেটের পানি বেরিয়ে যায়, প্রস্রাব পরিবর্তন হয়। ৪৮ ঘন্টা পরের প্রস্রাবের ছবি দেয়া হল। সবাই রোগীর জন্য দোয়া করবেন।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ কিভাবে কাজ করল?
১। হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রথমে কিডনির ড্রেইনেজ ব্যবস্থা উন্নত করে পানি নিষ্কাশ ত্বরান্বিত করেছে।
২। পেটের এসাইটিস, ফুসফুস, হার্ট এর সকল পানি বের করে দিয়েছে।
৩। পরবর্তীতে পানি জমা প্রতিরোধ করেছে।
৪। প্রস্রাবের সাথে রক্ত, এলবুমেন, বিলিরুবিন এর নিসরণ হ্রাস করছে।
৫। রোগির বিলিরুবিন ১৩ থেকে কোনভাবেই কমছিল না। সেটা এখন ৯ আছে।
এই ধরনের রোগীর কি কি সমস্যা হয়?
কীভাবে হ্যান্ডেল করতে হয়?
এলোপ্যাথি ফেইল কেন?
হোমিওপ্যাথি কিভাবে সম্ভব?
এগুলো নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট দেয়া হবে।
ফলো রাখুন।
১০-০৪-২০২৬ইং শুক্রবার - রোগীর আপডেট।
++++++++++++++++++++++++
এই রোগী গত ২ মাস হাসপাতালে ভর্তি থেকেও দিন দিন অবনতি। আগের হিসাব বাদ শুধু গত ১৪ দিনে ৮ লাখের উপর খরচ হয়েছে। ভারতে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। এরমধ্যে হোমিওপ্যাথি তে ৩ দিনের ১ ডোজ ঔষধ নিয়েছে।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবনের পর আপডেট হল,
১। আলকাতরার মত প্রস্রাব এখন হালকা খয়েরী হয়েছে।
২। পেট, ফুসফুস ও হার্টের জমা পানি বেরিয়ে গেছে।
৩। শ্বাসকষ্ট হচ্ছে না।
৪। অক্সিজেন দেয়া লাগছে না।
৫। রোগী অল্প অল্প হাটতে পারে।
৬। পায়ের ফোলা কমেছে।
৭। খাবার রুচি বেড়েছে।
এই পোস্টের কমেন্ট এর মতই রোগীর লোকদের বিশ্বাস কম, যদিও চোখের সামনে প্রমাণ। এই রোগীর লিভারে লিম্ফনোড ক্যান্সার আছে, এলোপ্যাথি তে এর চিকিৎসা নাই। হোমিওপ্যাথি তে সম্পূর্ণ সুস্থ না হলে রোগী টিকে থাকবে। তার সন্তানেরা বাবা বলে ডাকতে পারবে।
এই পর্যন্ত ভারতে যত লিভার রোগী গিয়েছে, কেউ বেঁচে ফিরে আসে নি। এমনকি ভারত ফেরত রোগী চিকিৎসা দিয়েছি।
৩ দিনের ১ ডোজ ঔষধ শেষ হয়েছে রবিবার রাত ১০ টা থেকে বুধবার রাত ১০ টা পর্যন্ত, এখন আর ঔষধ নিচ্ছে না। এই ধরনের রোগী মারা যায় ভুল চিকিৎসায়।
১১-০৪-২০২৬ইং শনিবার রোগীর আপডেট
++++++++++++++++++++++
বারবার বলার পরেও আজ ৩ দিন ঔষধ গ্যাপ। রোগী চোখ খুলছে না এখন। শুধু ঘুমায়।
আসলে ঘুমায় না। রোগীর হিমোগ্লোবিন ফল করেছে। আর ইউরিয়া বেড়ে গেছে। রোগীর ইউরিয়া ছিল ৭৭ যা স্বাভাবিক এর ৩ গুণ, রেঞ্জের ২ গুণ। এটার জন্য এলোপ্যাথি তে কোন ঔষধ নাই। এটা বডিকে পুড়িয়ে ডেমেজ করে দেয়, যেভাবে ধান ক্ষেতে বেশি ইউরিয়া দিলে ধান গাছ জ্বলে যায়। রাস্তার পাশে যেখানে মানুষ প্রস্রাব করে সেখানে দেখবেন কোন গাছ জন্মায় না।
রোগীর শরীরে আর পানি জমে নাই, তাই আজ বিকেলে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে দিয়েছে। কিন্তু
কিডনি, ইউরিয়া, বিলিরুবিন কিছুই নিয়ন্ত্রণে আসে নাই।
১২-০৪-২০২৬ইং রবিবার আপডেট।
+++++++++++
গত বুধবার রাতে ঔষধ শেষ হয়েছে। আজ ৪ দিন হোমিওপ্যাথি ঔষধ বন্ধ ছিল। গতকাল হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করে দিয়েছে। হাসপাতালে দুপুর ২ টায় প্রস্রাব করেছিল, এরপর থেকে আজ সারাদিন প্রস্রাব করে নাই। আজ বিকালে ঔষধ নিয়ে বিকাল ৫.৩০ এ এক ডোজ রাত ১০.৩০ এ একডোজ হোমিওপ্যাথি সেবনের পর, দীর্ঘ ৩৪ ঘন্টা পর আজ এখন রাত ১২ টায় ২০০ মিলি প্রস্রাব করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আগামীকাল ডায়ালাইসিস এর কথা আছে, দেখা যাক।
++++++++++++++
ছবির তথ্য
রোগীর ছেলে হাসপাতাল থেকে আলাদা দিনে হটসএপে ছবি দেয়। পোস্ট করার জন্য, সেটা জুম করে বড় করে স্ক্রীনশট নেয়ায়, ছবির তারিখের পরিবর্তে মোবাইলের ঘড়ির সময় দেখা যায়।
দুটো ছবি একই সময় হটসএপ থেকে স্ক্রিনশট নেয়া।
++++++++++
ডায়াগনোসিস --
এই রোগীর চিকিৎসার জন্য আমার যে সকল রিপোর্ট দরকার তা হল
CBC
S. Billirubin
S. IGE
SGPT Alt
SGOT Alt
CRP
CA19-9
CEA
S. Urea
S. Uric Acid
S. Creatinine
U. RME
U. ACR
U. PCR
হাসপাতালে এই সব টেস্ট করা হয় না। বাছাই করে করে তাদের কৌশল মত টেস্ট করে। কারণ, এই টেস্ট অনুসারে এলোপ্যাথি তে কোন ঔষধ নাই। সেখানে চিকিৎসা হল, এন্টিবায়োটিক, ইনজেকশন, স্যালাইন, ডায়ালাইসিস।
কিন্তু হোমিওপ্যাথি তে এই সব প্যারামিটার নিয়ন্ত্রণ এর ঔষধ আছে। আমি টেস্ট রিপোর্ট দেখে ঔষধ দিয়ে থাকি। আবার টেস্ট রিপোর্ট দিয়ে ডেভেলপমেন্ট বুঝিয়ে দিই।
আমার চিকিৎসা সাকসেস এভিডেন্স দেখতে ক্লিক করুন
https://www.drjakir.com/success_evidence/index.php
Patient ID: 2054OH986M65DGCA
Name: Md. Mostak Ahmed
Age: 65
Mobile: 01***840489
Address: Dhaka
Disease: Liver, Kidney, Pancreatitis, Heart
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp