
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 250 বার ]
Category : Heart, Coronary, Angiogram,
প্রসংগ - এনজিওগ্রাম, রিং ও বাইপাস সার্জারি এবং চিকিৎসা
এনজিওগ্রাম --
হার্টে ব্লক আছে কিনা? থাকলে কত % ইত্যাদি তথ্য জানতে হলে, এনজিওগ্রাম একটি আদর্শ হার্ট টেস্ট।
পরবর্তীতে, রিং পরাতে ২-২.৫ লাখ টাকা, বাইপাস ৪ থেকে শুরু, পেজমকার ২ - ৩ লাখ থেক শুরু যার কাছ থেকে যেভাবে নেয়া যায়। হাসপাতাল ভেদে এবং রোগীর সামর্থ্য অনুসারে এই খরচ অসীম হতে পারে। এটা একটা সিস্টেমেটিক ওপেন সিক্রেট বিজনেস। এরপর, প্রতিমাসে ১০-১২ হাজার টাকার নিয়মিত ঔষধ খরচ।
বসে আছি, একজন আত্মীয়ের এনজিওগ্রাম ল্যাব রুমের সামনে, আলাপ হচ্ছে অন্যান্য রোগীর লোকজনের সাথে। রোগীর স্বজনদের সাথে বসে তাদের কাছ থেকে তথ্যগুলো নিলাম।
১) ৫০০-১০০০ টাকা ভিজিটিং ফী দিয়ে কার্ডিয়াক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শে সবাই এসেছেন, এনজিওগ্রাম করতে। হাসপাতাল ভেদে ১৫-৩০ হাজার পর্যন্ত খরচ হয়, জানানো হয়েছে।
২) আগের থেকে এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ক্যাশ কাউন্টারে ১৯ হাজার টাকা জমা দিয়ে সবাই ল্যাবে ঢুকছে।
২) রক্তনালী আংশিক ব্লক হলে রিং পরানো হচ্ছে৷ গড়ে ২-৩ লাখ টাকা খরচ। রিং এর দাম ৯০ হাজার থেকে ২ লাখ, অপারেশন প্যাকেজ ১ - ২ - ৩ লাখ।
৩) যাদের রক্তনালী সম্পূর্ণ ব্লক হয়ে যায়, তাদের জন্য বাইপাস সার্জারি, খরচ ৪ লাখ থেকে শুরু।
৪) হাসপাতাল ভেদে এই খরচ অনেক তারতম্য হয়। আবার রোগীর আর্থিক সংগতির উপরেও এটা নির্ভর করে। আপনি নিজেকে যত হাইপ্রোফাইল হিসেবে প্রেজেন্ট করবেন আপনার খরচ তত বেশি।
৫) বাইপাস বা রিং সার্জারী যাই হোক না কেন, প্রতিমাসে ঔষধ খরচ ১০-১২ হাজার টাকা। এটা মাফ নাই।
৬) হার্টের রিং বা বাইপাস সার্জারির পর কয়েক মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ রোগীর এগুলো আবার ব্লক হয়ে যায়। বার বার অপারেশন করতে হচ্ছে। রিং এ কাজ না হলে বেলুন লাগানো হচ্ছে। তাতেও কাজ না হলে বাইপাস সার্জারি। এক সময় বাইপাস ব্লক হয়ে রোগী মারা যায়। যারা বেচে থাকে তারা খাবারের থেকে ঔষধ বেশি খেতে হচ্ছে।
৭) এইমাত্র ১৬ বছর বয়সী একটা ছেলেকে নিয়ে আসা হয়েছে, অত্যন্ত স্থুল দেহ, দেখতে ২৮ বছর বয়সীদের মত দেহ। আগে থেকে বাইপাস করা, গত ৪ দিন থেকে বুকের ব্যথা, আজ নিয়ে এসেছে।অজ্ঞান অবস্থায়। চিকিৎসক বলছেন, হয়ত বাচানো।যাবে না। হার্ট এট্যাক হয়েছে। ছেলের বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি জানালেন, ভারতের দেবী শেঠীর কাছ থেকে গত ৩ মাস আগে চিকিৎসা নিয়ে এসেছেন। জানতাম পারলাম, ছেলে বাহিরের খাবার খেয়েই এই স্থুল শরীর বানিয়েছে।
৮) এলোপ্যাথি চিকিৎসার এত ব্যয়বহুল বিফলতার পরেও, রোগীরা খুব খুশি মনে ক্যাশ কাউন্টারে টাকা জমা দিচ্ছে এবং ডাক্তার সাহেবের প্রশংসা করে এবং আল্লাহর উপর দোষারোপ করতে করতে সময় পার করছে। কেউ একবারের জন্যেও বলছ না, এই ডাক্তারের থেকে চিকিৎসা নিয়ে আমার কাজ হয় নাই।
৯) অথচ হোমিওপ্যাথি ২০০ টাকার ঔষধ খেতে এসে চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং কপাল ভালো হলে সুনাম, মন্দ হলে দুর্নাম এর মাইকিং চলবে।
+++++++++++++++++++
এত আড়ম্বরপূর্ণ চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে, ২০০ টাকার হোমিওপ্যাথি দিয়ে আপনি কখনই টিকে থাকতে পারবেন না।
একান্তই খুব অভাবী অথবা এলোপ্যাথি চিকিৎসার বিফলতা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখে, পাশাপাশি আপনার উপর আস্থা রাখে অথবা খুব কৃপণ রোগী কম খরচে একটু ট্রাই করে দেখতে এসেছে যদি কাজ হয়, এমন রোগী হয়ত আপনার হোমিওপ্যাথি চেম্বারে আসবে।
সুতরাং উপযুক্ত বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে, নিজেকে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি কে হার্টের চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
এজন্য, সারাদিন ক্ষেতে নিরানি দিয়ে সন্ধ্যায় ২ ঘন্টার প্র্যাকটিস কখনোই আপনাকে সেই প্রতিষ্ঠা সফলতা দিবে না।
এলোপ্যাথি চিকিৎসক এর মত ফুল টাইম প্রফেশনাল হতে হবে।
আপনার কি নাই? আপনার সব আছে শুধু পড়ার ইচ্ছা নাই আর বিনিয়োগ করার সময় নাই।
কল্পনা করুন, আপনার একজন রোগীর অপারেশন দরকার, জানতে পারলেন, ডাক্তার সাহেব ক্ষেতে নিরানি দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন। আপনি কি কখনো তাকে দিয়ে অপারেশন করাবেন।? আপনি যত দ্রুত সম্ভব পালাবেন।
আচ্ছা, আবার কল্পনা করেন, আপনি একটি অপারেশন থিয়েটার এর সামনে বসে আছেন, ডাক্তার সাহেব, একেরপর এক অপারেশন করছেন। চারদিক মানুষ ওনার সাকসেস অপারেশন এর কথা বলছে। আপনার কেমন লাগবে? আপনার ভিতর একটা আত্মতৃপ্তি আসবে, যাক ১০ লাখ টাকা খরচ হলেও একজন দক্ষ সার্জন পাওয়া গেল।
ঠিক এভাবেই আপনাকে প্রচুর পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।
++++++++++++++++++++++++++
হোমিওপ্যাথি তে কি হার্টের সমস্যা সমাধান হয়?
হয় মানে? এত ভালো চিকিৎসা আছে, যা আপনার কল্পনাকেও হার মানাবে।
++++++++++++++++++++++++++
আমি একজন ফুল টাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ।
আমি অন্য কোন পেশার সাথে জড়িত নই।
সার্বক্ষণিক পড়াশোনা আর রোগী দেখা ছাড়া, টিভি সিনেমা নাটক পান সিগারেট চা নেশা এসব আমার নেই।
প্রতিটি ক্রিটিকাল রোগী দেখতে ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘন্টা পর্যন্ত সময় দিয়ে থাকি।
১৯৯৮ থেকেই মেডিক্যাল রিলেটেড টপিকগুলো সেলফ লার্নিং এর মাধ্যমে আয়ত্বে আনার চেষ্টা করছি।
রোগীর সকল কাগজপত্র খুব ভালোভাবে লাইন বাই লাইন দেখে নিজে যেমন বুঝে নিই তেমনি রোগীদের বুঝিয়ে দেই, তার রোগীর বাস্তব অবস্থা। বেশিরভাগই দেখা যায়, ডাক্তার সাহেবের ধমক খেয়ে এসেছেন, তিনি ডাক্তার নয় বলে কিছুই বুঝিয়ে দেন নি।
এরপর, রোগীলিপি করে, সময় নিয়ে ঔষধ নির্বাচন করে চিকিৎসা দিচ্ছি।
রোগীর প্রয়োজনে, ৫০ সহস্রতমিক বা অন্য যে কোন প্রযোজ্য স্কেলের ঔষধ প্রদান করা হয়।
হোমিওপ্যাথির নামে এলোপ্যাথি কবিরাজি স্টেরয়েড এমন কোন ভুয়া হোমিওপ্যাথি রোগীদের দেয়া হয় না।
অনেকেই আমার ভিজিটিং চার্জ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
একজন বাবুর্চির খাবার যেমন সবার কাছে মজা লাগবে না। তেমনি একজন চিকিৎসক সবার মন যুগিয়ে চলা সম্ভব নয়। সবাই আমার রোগী হবে না। যিনি আমার রোগী তিনি ভিজিটিং ফী দিয়েই চিকিৎসা নিবেন।
হোমিও ডা: মো: জাকির হোসেন মাসুদ
ফুল টাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়,
দক্ষিণ রাজাশন,
সভার, ঢাকা
01711201018
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp