[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 88 বার ]
Category : Kidney,
#কিছু কমন প্রশ্ন-উত্তরঃ
--------------------------------------
১) কিডনি চিকিৎসার জন্য আমি কখন হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেতে পারব ?
উত্তরঃ কিডনি রোগের যে কোন অবস্থায়, শুরুতে, ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন বা নিচ্ছেন না যাই হোক - আপনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে পারেন।
২) আমার ক্রিয়েটিনিন অল্প বৃদ্ধি পেয়েছে, হোমিও চিকিৎসায় কাজ হবে ?
উত্তরঃ যত দ্রুত হোমিও চিকিৎসা, নিবেন তত দ্রুত আরোগ্য।
৩) আমার ক্রিয়েটিনিন কম কিন্তু শরীর দুর্বল ও বমি বমি লাগে, হোমিও চিকিৎসা আছে?
উত্তরঃ ক্রিয়েটিনিন কম হলেও আপনার প্রস্রাবের সাথে প্রচুর এলবুমিন বেরিয়ে যাচ্ছে, আপনি মূলত এলবুমিনুরিয়া বা প্রস্রাব ক্ষয় রোগে ভুগছেন, একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে এর ১০০% চিকিৎসা আছে।
৪) আমি কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত, তবে ডায়ালাইসিস করছি না, আমি কি হোমিও চিকিৎসা নিতে পারব ?
উত্তরঃ অবশ্যই, অন্তত ডায়ালাইসিস করার আগে, যত দ্রুত চিকিৎসা নিবেন তত দ্রুত আরোগ্য।
৫) আমাকে কিডনি ডায়ালাইসিস করতে বলা হয়েছে, হোমিও তে কি কাজ হবে ?
উত্তরঃ অবশ্যই, কাজ হবে। ডায়ালাইসিস করার আগে অন্তত একটু হোমিও চিকিৎসা নিয়েই দেখুন। আপনাকে আর ডায়ালাইসিস করতে হবে না। ইনশাআল্লাহ।
৬) আমি ডায়ালাইসিস আগেও করেছি, এখনো করছি, আমি কি হোমিও চিকিৎসা নিতে পারব ?
উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। এক সময় হয়ত আপনাকে আর ডায়ালাইসিস করতে হবে না, ইনশাআল্লাহ।
৭) নিজে থেকে কিডনি বা প্রস্রাবের সমস্যা বুঝার উপায় আছে কি ?
উত্তরঃ সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বচ্ছ বোতলে প্রস্রাব নিয়ে ৩০ মিনিট পর দেখুন,
ক) যত বেশী ঘোলা তত বেশী এলবুমিন
খ) যত বেশী জেলীর মত তত বেশী এলবুমিন
গ) যত বেশী তলানী, তত বেশী পুঁজ
৮ ) আমার প্রস্রাব তেমন ঘোলা নাই, তবুও শুকিয়ে যাচ্ছি কেন ?
উত্তরঃ আপনার প্রস্রাবে মাইক্রো এলবুমিন যাচ্ছে, জেলির মত এলবুমিন কম যাচ্ছে, তাই প্রস্রাব পরিষ্কার মনে হলেও, এলবুমিনুরিয়া সমস্যা আছে, 24 Hour UTP টেস্ট করে নিন।
৯) এলবুমিনুরিয়া বুঝার জন্য টেস্ট কি ?
উত্তরঃ 24 Hour UTP
১০) CKD এর টেস্ট কি কি ?
উত্তরঃ
CBC,
CRP,
S. Creatinine,
S. Urea,
S. uric Acid
S. Albumen,
S. IGE
Urine RME,
24 hrs UTP,
24 hrs Micro Albumen,
ACR,
PCR,
eGFR,
১১) এলোপ্যাথি ঔষধ এর সাথে কি হোমিও ঔষধ খাওয়া যাবে ?
উত্তরঃ খাওয়া যাবে, কোন সমস্যা নাই।
১২) আমি জীবনে হোমিও খাই নাই, আমাকে কি হোমিও ঔষধে কাজ করবে ?
উত্তরঃ কাজ করবে, কোন সমস্যা নাই।
১৩) আমাকে অমুক তমুক বলেছে, এলোপ্যাথি আর হোমিওপ্যাথি একসাথে খেলে দুইটায় মারামারি করে একটাও নাকি কাজ করবে না - এটা কি সত্য ?
উত্তরঃ কথাটি সত্য নয়, এটা মুলত আগেকার আমলের চিকিৎসকদের কুসংস্কার। আমি প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিও ঔষধ সেবন করিয়ে ভালো ফলাফল পাচ্ছি, এমনকি এন্টিবায়োটিকের পাশাপাশি হোমিও ঔষধ সেবন করিয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে, প্রমাণিত। এক সময় রোগী ভালো হতে থাকলে, অন্যপ্যাথির ঔষধের ডোজ কমতে থাকে, হোমিও ঔষধের ডোজ বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে, অন্য ঔষধ বাদ হয়ে যায়, শুধু হোমিওপ্যাথি চলতে থাকে।
১৪) ওরে বাপরে, অনেক সময় নিয়ে ধীরে কাজ করে হোমিও ?
উত্তরঃ যে খানে মৃত্যু পর্যন্ত এই সমস্যায় ভুগতে হয়, সেখানে ৬-১২ মাস যদি আপনার কাছে অনেক বেশী সময় মনে হয়, তাহলে আমার কিছুই বলার নাই। আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন, আপনি সারাজীবন কষ্ট ভোগ করবেন নাকি, কয়েকটা মাস চিকিৎসা নিবেন। যেখানে আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর কোন চিকিৎসা নাই, সেখানে লেটেস্ট প্রযুক্তির হোমিওপ্যাথি তে আপনি মাত্র কয়েক মাসে সুস্থ হতে পারছেন। এটাই অনেক প্রাপ্তি।
১৫) হোমিও ঔষধ কীভাবে কাজ করে ?
উত্তরঃ হোমিওপ্যাথি মেডিসিন, আপনার দেহের ইমিউনিসিস্টেম কে ডেভেলপ করবে অর্থাৎ, আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এরপর, আপনার ঠান্ডা সমস্যার সমাধান করবে। এর মাঝেই টনসিল আরোগ্য হবে।
১৬) আমাকে কিডনি বিশেষজ্ঞ বলেছেন, আগে বলেছিলেন, প্রস্রাব ইনফেকশন হয়েছিল, এখন বলছেন কিডনি ড্যামেজ, আগেই কেন বললেন না যে কিডনি ড্যামেজ হতে চলছে ?
উত্তরঃ কিডনির ড্যামেজের প্রাথমিক স্তরে এটাকে প্রস্রাব ইনফেকশন বলে চালিয়ে দেয়া হয়। এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। এন্টিবায়োটিক সেবনে, প্রস্রাবের জ্বালা সহ কিছু উপসর্গ দূর হয়ে যায়, তখন রোগি মনে করে সে ভালো হয়ে গেছে। বাস্তবে এটা ভালো হয় না। রোগির দেহের জীবনিশক্তি অনুসারে কয়েক বছর পর এমনকি ১০-১৫ বছর পর এটা আবার দেখা দেয়, ততক্ষনে কিডনি ড্যামেজ হয়েই নতুন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। তখন আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এটাকে কিডনি ড্যামেজ বা নেফ্রাইটিস বলে। তখন ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন করতে বলা হয়। এটা দীর্ঘদিনের ইনফেকসনের ফলাফল। অন্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় এই বিষয়গুলো নিয়ে রিসার্চ করে এখনো পর্যন্ত কার্যকরি কোন ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই, তাই তারা এটাকে ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন এর পরামর্শ দিয়ে থাকে। যা প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি।
১৭) আমি এক হোমিও চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম, তিনি আমাকে জার্মানি কিডনি ঔষধ দিয়েছেন, তবুও ভালো হয় নাই - কেন ?
উত্তরঃ কিডনি ঔষধ নামে যে ঔষধ, সেটা একটা অস্থায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা মাত্র। এতে কারো উন্নতি হতেও পারে নাও হতে পারে। উক্ত চিকিৎসক আপনাকে নগদ চিকিৎসা দিয়েছেন মাত্র। তাই ভাল হয় নাই। আপনার জন্য প্রয়োজন, ধাতগত মায়াজম ভিত্তিক কিডনির পুর্ণাংগ চিকিৎসা। যারা এই ধরনের চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসা বুঝেন না বিধায় সাময়িক উপশমকারি কিছু ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করছেন। এটা হোমিওপ্যাথির ব্যর্থতা নয়। এটা উক্ত চিকিৎসকের ব্যর্থতা। আর একজন চিকিৎসকের ব্যর্থতা দিয়ে কখনোই সুপ্রতিষ্ঠিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে মূল্যায়ন করা যাবে না।
১৮) আমি কখন একজন হোমিও চিকিৎসক পরিবর্তন করব ?
উত্তরঃ একজন দক্ষ হোমিও চিকিৎসকের নিকট থেকে চিকিৎসা নিলে, শুরু থেকেই আপনি আপনার অগ্রগতি বুঝতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে পুরাতন রোগে কয়েক মাস সময় দেয়া যেতে পারে। এতে আরোগ্য না হলে, আপনি চিকিৎসক পরিবর্তন করুন।
১৯) আমি কখন বুঝব, আমি সঠিক হোমিও চিকিৎসা পাচ্ছি না, বা চিকিৎসক ত্যাগ করা জরুরী ?
উত্তরঃ কোন চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে যখন দেখবেন, হোমিওপ্যাথি, এলোপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, কবিরাজি, হার্বাল ইত্যাদি বাহারি সিরাপ শোভা বর্ধন করছে, তখনই উক্ত চিকিৎসক বর্জনীয়।
২০) হোমিও চিকিৎসক শুধু পানি দিচ্ছেন, এটা তে কি রোগী ভালো হবে ?
উত্তরঃ রেক্টিফাইড স্পিরিট বা এলকোহল এর ক্ষতি এড়াতে একজন বিবেকবান চিকিৎসক ভালো ফলাফলের জন্য ডিস্টিলড ওয়াটারে ঔষধ মিশিয়ে দিয়ে থাকেন। এটাকে সাধুবাদ জানাবেন। চিকিৎসক কি দিচ্ছেন, সেটা জরুরী নয়, আপনার আরোগ্য লাভ জরুরী। তবে সচেতনতার স্বার্থে বড় বড় সিরাপের বোতল থেকে দূরে থাকুন।
২১) ডায়ালাইসিস কি ?
উত্তরঃ মেশিনের মাধ্যমে দূষিত রক্ত পরিশোধন করার নাম ডায়ালাইসিস। কিডনি বিকল হয়ে দেহের রক্তে ক্রিয়েটিনিন সহ অন্যান্য বর্জ বৃদ্ধি পেয়ে, রোগীর দেহ গুরুতর জরুরী অবস্থায় পতিত হলে, জরুরীভাবে দেহের রক্ত হতে ক্রিয়েটিনিন সহ অন্যান্য বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য মেশিনের মাধ্যমে রক্ত পরিশোধন করার পদ্ধতির নাম ডায়ালাইসিস।
২২) কিডনি ডায়ালাইসিস করলে নাকি বার বার করা লাগে ?
উত্তরঃ কিডনি কার্যকারিতা ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত বিকল থাকলে ডায়ালাইসিস করতে হবে।
২৩) ডায়ালাইসিস করে কি কাজ হয়?
উত্তরঃ ক্রিয়েটিনিন এর তীব্রতা অনুসারে ডায়ালাইসিস করানো হয়। কোন রোগী মাসে ১ বার, কেউ ১৫ দিনে ১ বার, কেউ সপ্তাহে ১ বার। কেউ সপ্তাহে ২,৩,৪,৫, টা করে ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডায়ালাইসিস করে কেউ কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর বেঁচে থাকে।
তবে বেশীরভাগ রোগী ডায়ালাইসিস করে ক্রিয়েটিনিন না কমে বরং বেড়ে যায়, তারা খুব দ্রুত কয়েক মাসের মধ্যেই মারা যায়।
সূতরাং ডায়ালাইসিস কাজ হয় না এবং এটা সমাধান নয়।
২৪) ডায়ালাইসিস করতে না চাইলে কি করতে হবে ?
উত্তরঃ ডায়ালাইসিস করতে না চাইলে কিডনি পরিবর্তন করতে হবে। অথবা, একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক থেকে চিকিৎসা নিতে পারেন। কিডনি সুস্থ হলে, ডায়ালাইসিস করা লাগবে না।
২৫) ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি হোমিও চিকিৎসা নিলে ভালো হবার সম্ভাবনা আছে কি ?
উত্তরঃ সম্ভাবনা আছে, তবে সময় সাপেক্ষ এবং চিকিৎসকের চিকিৎসা সাপেক্ষ। অর্থাৎ, উপযুক্ত চিকিৎসক হতে উপযুক্ত চিকিৎসা পেলে যথাসম্ভব ভালো হবার সম্ভাবনা থাকে।
২৬) ডায়ালাইসিস করিনি, হোমিও চিকিৎসা নিয়েছি, ক্রিয়েটিনিন কমে গিয়ে আবার বেড়েছে, কারণ কি ?
উত্তরঃ চিকিৎসার পাশাপাশি, খাবার চার্ট, জীবন যাত্রা, আরো অনেক কিছু মেনে চলতে হয়। অনেক সময় রোগিরা ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলেন, এগুলো মানেন না বা ঔষধ বন্ধ করে দেন, তখন আবার বৃদ্ধি পায়।
২৭) হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেয়ার পর কি ডায়ালাইসিস করতে হবে?
উত্তরঃ ডায়ালাইসিস কোন চিকিৎসা নয়। কিডনি বিকল হলে রক্ত ফিল্টার করতে পারে না, তাই মেশিন দিয়ে রক্ত ফিল্টার করতে হয়, এটাই ডায়ালাইসিস। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেয়ার পর, কিডনি স্বাভাবিক কাজ শুরু করলে ডায়ালাইসিস এর সংখ্যা কমে আসবে, পরে একসময় ডায়ালাইসিস করতে হবে না।
২৮) ক্রিয়েটিনিন অনেক বৃদ্ধি পেয়ে অনেকের ক্ষেত্রে কমে আসে, অনেকের ক্ষেত্রে কমে না কারণ কি ?
উত্তরঃ একিউট ও ক্রণিক দুটো কারণে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পায়। একিউট কারনে বৃদ্ধি পেলে সেটা চিকিৎসা ছাড়া বা সাময়িক চিকিৎসায় দ্রুত কমে আসে। ক্রোণিক কারণে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পেলে, সেটা প্রচলিত অন্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে কমে না, আর হোমিওতে কমতে কিছুটা সময় নিতে পারে।
অনেক রোগী, কিছুদিন হোমিও চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ অনুভব করার পর, হোমিও চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়ে ইচ্ছামত জীবন যাপন করার পর হঠাৎ করে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পেয়ে দেহের জীবনশক্তি ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ড্যামেজ হতে থাকে। দেহ কোষের বিধ্বংসী অবস্থা চলতে থাকে, বিধায় তখন কমতে চায় না, বা অত্যন্ত ধীর গতিতে কমে। এসময় সাময়িক ডায়ালাইসিস করে নেয়াটা চিকিৎসা সহায়ক হিসেবে গ্রহন করা যেতে পারে।
২৯) হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় কিডনি রোগী ভালো হয় ? প্রমাণ আছে ?
উত্তরঃ ক্রিয়েটিনিন ৪ এর কম আছে এমন রোগী কয়েক মাস থেকে বছরের মধ্যে ক্রিয়েটিনিন ১ এর মধ্যে চলে আসে। ক্রিয়েটিনিন ৫+ হলে এই সকল রোগী ডায়লাইসিস করে মারা যাচ্ছে, সেখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় তাদের ডায়ালাইসিস না করে কিডনি সুস্থ করে বাচিয়ে রাখা যাচ্ছে। আমার চেম্বারের প্রায় সকল রোগিকে ডায়ালাইসিস করতে বলা হয়েছিল। এখন কাউকে ডায়ালাইসিস করতে হয় না।
তবে, ক্রিয়েটিনিন ৬+ হলে, রোগী বাচিয়ে রাখতে ডায়ালাইসিস করতে হবে।
৩০) ক্রিয়েটিনিন ভালো হবে?
হোমিওপ্যাথি তে কিডনি সুস্থতার চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। এলোপ্যাথি বা হোমিওপ্যাথি কোথাও সরাসরি ক্রিয়েটিনিন এর জন্য ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই। তাই ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে ডায়ালাইসিস এর পাশাপাশি হোমিও চিকিৎসা নিন। সরাসরি ক্রিয়েটিনিন কমিয়ে দিবে, এমন প্রতারক চিকিৎসক থেকে সাবধান।
আবারও বলছি, রক্তে শুধু ক্রিয়েটিনিন থাকে না। অনেক অনেক উপাদান থাকে। রক্তের হাজারো প্যারামিটার এর একটি হল ক্রিয়েটিনিন। কিডনি নষ্ট হলে, ক্রিয়েটিনিন সহ আরো অনেক কিছু ঘটে। শুধু ক্রিয়েটিনিন চিকিৎসা কিডনি চিকিৎসা নয়। কিডনি সুস্থ হলে, আস্তে আস্তে ক্রিয়েটিনিন কমে আসবে। আপনিও সুস্থ হবেন।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp