[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 97 বার ]
Category :
আমাদের দেশে চিকিৎসক সমাজ রোগীদের দায়িত্ব না নিয়ে ছেড়ে দেন কেন ?
চিকিৎসায় দায়িত্ব কি?
সব চিকিৎসক চিকিৎসা দেয়, সেটা হল পেশা। আর দায়-দায়িত্ব? সেটা অনেক বুঝার বিষয়।
আপনার এমন একটা জটিল সমস্যা হল, যা অনেক চিকিৎসক দেখিয়ে অনেক ঔষধ খেয়ে কোন কাজ হচ্ছে না। কারণ, গতানুগতিক ধারার চিকিৎসায় এটা ঠিক হিবে না। এর জন্য হয়ত আলাদাভাবে গবেষণা করে, মেধা ও সময় ব্যয় করে, আপনার জন্য ভালো উপায় ও ঔষধ বের করে চিকিৎসা করা দরকার। গতানুগতিক ধারার বাহিরে গিয়ে এই চ্যালেঞ্জ গ্রহন করাটাই আলাদা দায়িত্ব। যেটা নিতে গেলে, চিকিৎসক এর অতিরিক্ত মেধা ও সময় ব্যয় হবে। হয়ত দামী ঔষধ লাগবে। আপনি ভালো হতে পারেন আবার নাও হতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসক তার সর্বোচ্চ ঠিকই দিলেন।
একজন চিকিৎসক কোন রোগীর দায়িত্ব নিতে গেলে সেখানে রিস্ক ফ্যাক্টর বহুগুন বেড়ে যায়। কিসের রিস্ক?
যদি সফল না হন বা রোগী মারা যায় - তাহলে, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না।
মিডিয়া ডাকবেন।
জেল জরিমানা করবেন।
চিকিৎসক ও হাসপাতাল এর বদনাম।
আর হোমিওপ্যাথি তে রিস্ক হল,
ডাক্তার ডাকাত অনেক টাকা নিছে।
ঔষধের দাম বেশি নেয়।
ঔষধে কাজ হয় নাই।
রোগীরা চেম্বারে এসে পায়ে ধরে, রোগী ভালো হয়ে গেলে, পুরো দুনিয়া আপনার নামে লিখে দিবে৷ গিফট করবে ইত্যাদি।
আর ভালো হয়ে গেলে সে যে হোমিওপ্যাথি খায় সেটাই স্বীকার করে না।
তাই বর্তমানে চিকিৎসক এর নিকট ঝামেলা এড়ানোর সহজ সমাধান হল, রোগীকে এটা বলা যে, আমার কাছে চিকিৎসা নাই। বিদেশে চলে যান। ইত্যাদি।
আবার অনেক রোগী বিদেশ থেকে ফেরত এসে, ৩০-৪০ লাখ টাকা খরচ করে এসে, হোমিওপ্যাথি চেম্বারে এসে ১০০০ টাকার ঔষধ এর জন্য ঔষধের দাম বেশি হওয়ায় চিকিৎসক এর বিরুদ্ধে জিহাদে নেমে যাবে। তার বিরুদ্ধে দুর্নাম রটাবে।
আপনার কি মনে হয়?
একজন চিকিৎসক কে ছোট করে আপনি জিতে গেলেন?
হ্যা, আপনি সাময়িক জিতে গেলেন। কিন্তু হেরে গেলেন আজীবনের জন্য। আপনি পরবর্তীতে উক্ত চিকিৎসক এর কাছে গেলে, তিনি দুর্নাম এড়াতে ২০০ টাকার ঔষধ দিবেন। কাজ হলে হবে না হলে নাই। এমনকি অন্য রোগীর ক্ষেত্রেও দায়সারাভাবে দায়িত্ব পালন করবেন, অন্তত নিজেকে সেফ রাখার জন্য।
ঔষধের ক্রয় মূল্য তো ১০০ টাকা বিক্রিয় মুল্য ২০০ টাকা এটাই অনেক। তাইতো?
চেম্বারের এডভান্স, ভাড়া, সামাজিক চাঁদা, প্রশাসনিক নানা ফী এইগুলা কিন্তু এই চেম্বার থেকেই দিতে হয়।
আসেন, ভিজিটিং ফী দিয়ে ঔষধ এর নাম লিখে নিয়ে যান। এখানেও আপনিই হেরে গেলেন। কারণ, কোন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক তার সিক্রেট ফ্ল্যাশ করে না।
এই চিকিৎসা সিক্রেট এর মূল্য আপনি কোনদিন দিতে পারবেন না।
হোমিওপ্যাথি তে চিকিৎসক ভিজিটিং ফী নেন না।
শুধু ঔষধ এর দাম নেন?
আপনার মাথায় কি গোবর?
ঔষধ কিনে এনে আপনাকে সেই দামে বিক্রি করলে আর ভিজিটিং ফী না নিলে, ডাক্তার সাহেব এর পারিশ্রমিক আর তিনি যে ভাত খেয়ে রোগী দেখতে বসেন সেটা কোথা থেকে আসে?
ফ্রী বলে পৃথিবীতে কিছুই নাই।
আপনি ন্যায্য মূল্য না দিয়ে নিজেকে চালাক মনে করেন, আর তাই, আপনাকে বোকা বানানোর জন্য, নুডুলস কোম্পানি নুডুলস এর সাথে বাটি ফ্রী দেয়।
খেয়াল করে দেখবেন। বাটি ফ্রী থাকলে নুডলস এর পরিমাণে প্যাকেটে কম থাকে।
তাই, সঠিক চিকিৎসা পেতে,
চিকিৎসক এর নিকট বিনয়ী হোন।
জ্ঞানী লোক বিনয়ী হয়, আর অল্প জ্ঞানী লোক অহংকারী হয়। তাই, চিকিৎসক দুর্ব্যবহার করলে উক্ত চিকিৎসক বাদ দিন।
চিকিৎসক কে সম্মান করুন, পারিশ্রমিক দিন।
আর্থিক সমস্যা থাকলে অবহিত করুন।
আপনার আর্থিক সমস্যা থাকলে, চিকিৎসক কে সরাসরি জানিয়ে দিন। কোন চিকিৎসক আপনার উপর জুলুম করবেন না।
তর্ক কখনোই নয়। আপনার মুখের ব্যবহার এর মাধ্যমেই আপনি উপযুক্ত চিকিৎসা পাবেন, একজন আদর্শ জ্ঞানী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এর নিকট।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp