[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 88 বার ]
Category :
প্রসংগ - আয়ুষ্কাল এর সিক্রেট, হাড়ক্ষয়, বাতব্যাথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও ভুল চিকিৎসা।
শাইখ সিরাজের - মাটি ও মানুষের - মাধ্যমে খাদ্যবিষ ছড়িয়ে দেয়া।
যে কোন কারণে হাড়ক্ষয় সমস্যা হলে তাকে ওস্টিওপেরেসিস আর হাড়ে বা জয়েন্টে ব্যথা অনুভব হলে তাকে অস্টিওআর্থ্রাইটিস বলা হয়। যদিও এটা বাত ব্যথা নয়। আর্থ্রাইটিস অর্থ বাত ব্যথা।
১০০ বছর আগেও সভ্যতার দাবীদার মানুষগুলো ১৫০ বছর পর্যন্ত গড় আয়ু পেত। বর্তমানে গড় আয়ু ৫০-৬০ বছর। যদিও পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী অধিবাসীরা এখনো ১০০+ বয়স পেয়ে থাকে। কাশ্মীরের অধিবাসীরা এখনো ১২০+ আয়ু পাচ্ছে। চায়না জাপানে ১০০+ আয়ু পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের মত দেশগুলোতে ৫০-৬০ বছর আয়ু। বয়স ৪০ বছর পার হবার সাথে সাথে শুরু হয় মানুষের উচ্চতা কমে যাওয়া।
কেন কমে?
আমাদের প্রতিদিনের ভেজাল খাবারে আমাদের কিডনি নষ্ট হয়ে শরীরের দরকারী এলবুমেন ক্যালশিয়াম শরীর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে, দিন দিন হাড়ক্ষয় হয়ে হাড়ের আকার ছোট হয়ে মানুষগুলো খাটো হয়ে যাচ্ছে।
প্রমাণ চান?
বয়স্ক মানুষগুলোর দিকে তাকান? দেখুন তারা আগের থেকে খাটো হয়ে গেছে। আপনার ঘরে ৫০+ কেউ থাকলে দেখুন তিনি হাটুর ব্যাথা, কোমরের ব্যাথায় ভুগছেন। CT Scan, MRI করলে হাড়ক্ষয় দেখা যাচ্ছে।
চিকিৎসা?
আধুনিক চিকিৎসার দাবীদার চিকিৎসক দের কাছে গেলে, উপরের এই সিক্রেট তথ্যটি রোগীকে দেয়ার সময় তাদের নাই। কারণ এই সিক্রেট তথ্যের সমাধান করার মত কোন ঔষধ এখনো তাদের প্রযুক্তিতে আবিষ্কার হয় নাই। তাই তারা রোগীর মংগলের চেয়ে ঔষধ কোম্পানির মংগল আর নিজের পকেটের দিকে মনযোগ দিয়ে থাকেন।
রোগীকে CT Scan, MRI দিয়ে থাকে যা করতে ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ডাক্তার সাহেব ৫০-৬০% কমিশন হিসেবে ১০-১২ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।
এরপর, উচ্চমাত্রার ক্যালশিয়াম, ভিটামিন-ডি, আর ব্যাথা নাশক ঔষধ দিয়ে থাকেন। এটা হল একটা ফিক্সড ডিপোজিট। আপনি যতদিন ঔষধ কিনবেন, তিনি ততদিন সেখান থেকে কমিশন পাবেন। যতদিন ঔষধ খাবেন, ততদিন ব্যাথা থাকবে না। ঔষধ বন্ধ করলেই আবার ব্যাথা বেড়ে যাবে। এভাবে কিছুদিন চলার পর ঔষধের প্রভাবে কিডনি আরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হাড়ক্ষয় আরো বেশী হয়ে রোগী খাটো হয়ে যায়। কিন্তু ব্যাথানাশক ঔষধ এর কারণে বুঝতে পারে না। আশাকরি এটা বুঝে গেছেন যে, ব্যাথানাশক ঔষধ কতটা ভয়ংকর?
তারমানে এতক্ষনে আমরা বুঝে গেছি যে,
১) আমরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছি না।
২) এটা আসলে কিডনি সমস্যা।
কেন হচ্ছে?
সভ্যতার দাবীদার মানুষগুলোর ভেজাল খাবারে।
১) সবজিতে কীটনাশক,
২) গরু ছাগল মুরগী মাছ কে ঔষধ খাওয়ানো এরপর তাদের দুধ মাংস খাওয়া।
৩) প্যাকেটজাত খাবার,
৪) জুসের নামে ক্যামিকেল।
৫) মজাদার হোটেলের খাবার যেখানে খাবার সুস্বাদু করার জন্য ক্যামিকেলযুক্ত খাটি সস দেয়া হয়, ইত্যাদি।
৬) এতদিন জানতাম ভাতের থেকে আটা ভালো। সাম্প্রতিক সময়ে আমার কিডনি রোগীদের উপর জরিপ করে দেখলাম। আটা খেয়ে উলটা ক্ষতি হচ্ছে, ইউরিয়া ইউরিক এসিড বেড়ে যাচ্ছে। কারণ? গম ও আটা পোকা থেকে বাচিয়ে সংরক্ষণের জন্য কীটনাশক ও প্রিজারভেটিভ দেয়া হয়।
৭) খামারের দুধে।ঔষধের গন্ধ পাওয়া যায়। গরুগুলো কে মাঠে চরতে না দিয়ে সারাদিন আবদ্ধ রেখে, বেশি বেশি দুধ উৎপাদন এর জন্য প্রচুর মোটাতাজাকরণ ঔষধ আর হরমোন ঔষধ দেয়া হয়।
এইসবের শুরু কীভাবে হল?
আগে কিডনি রোগী শুধুমাত্র কৃষকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। আমাদের যশোরে কৃষিতে অধিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার করায় সেখানে প্রচুর কৃষক কিডনিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবার প্রচলন ছিল।
চট্টগ্রামে শুটকীতে কীটনাশক ব্যবহার এর কারণে কিডনি ও ক্যান্সার রোগী বেশি।
কিন্তু সারাদেশে গণহারে কিডনি রোগী ছিল না।
যদিও কিডনি রোগী হবার আরো কারণ আছে। তবে এগুলোই মুখ্য কারণ।
ঔষধ বা ইউরিয়া দিয়ে কৃষির এই মোটাতাজা করণের জন্য আমি দায়ী করি, বিটিভি তে প্রচারিত "মাটি ও মানুষ" অনুষ্ঠানের শাইখ সিরাজ কে। বর্তমানে সে সম্ভবত চ্যানেল আই তে আছে একই ধরনের অনুষ্ঠানে।
সে দেখিয়েছে গরুকে খড়ের সাথে চিটাগুড় আর ইউরিয়া মিশিয়ে খাওয়ালে গরু মোটা হয়। আসলে কিডনি নষ্ট হয়ে গরুর শরীরে পানি জমে ফুলে যায়।
আমার কথার প্রমাণ?
১) কোরবানির হাটে মোটাতাজা গরু প্রায়ই মারা যায় কিন্তু স্লিম ফিগারের গরু মরে না। আর যে কৃষক নিজেই চোখে আপেল দেখে না, সে নাকি গরুকে আপেল খাওয়ায় প্রতিদিন ৫ কেজি। এদেরকে চাবুক মারা দরকার।
২) তেলাপিয়া মাছ এখন ২ কেজি ওজন
৩) ১ মাসেই মুরগির ওজন ২ কেজি।
বাংলাদেশের সকল কিডনি রোগীর উচিত তার বিরুদ্ধে একটা করে মামলা দেয়া। কারণ, সেই প্রথম এইসব অপ জিনিস ছড়িয়ে দেয়। এবং তার হাত ধরে আজ খাবারে বিষ।
তাহলে, সঠিক কি?
আমার চেম্বারে বাংলাদেশ এবং ভারতের চেন্নাই ফেরত প্রচুর রোগী আছেন। সকলের একই অবস্থা। অনেকে উচ্চমাত্রার ক্যালশিয়াম আর ব্যাথানাশক ইনজেকশন দিয়ে কিছুদিন ভালো থাকেন। সে সকল রোগীরা আমার এই কথা শুনেও মানতে চান না। তাদের আমি বুঝাতে ব্যর্থ। আর যে সব রোগী উচ্চমাত্রার ইনজেকশন এর একশন শেষে অন্য উপায় হিসেবে আমার চেম্বারে আসেন। তাদের প্রত্যেকে আমার আবিষ্কার এই সিক্রেট তথ্যটি মেনে নেন এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ আছেন।
আমি কীভাবে চিকিৎসা দিয়ে থাকি? আমার চিকিৎসা প্রটোকল কি?
আসলে আমি কোন রোগীকে ব্যাথানাশক ঔষধ দিই না। আমি মুলত উপরের সূত্র অনুসারে কিডনির ক্যালশিয়াম বের করে দেয়ার সমস্যার চিকিৎসা দিয়ে থাকি, পাশাপাশি যে হাড় ক্ষয় হয়ে গেছে, সেটা রিপেয়ার এর জন্য ঔষধ দিয়ে থাকি।
আমি শতভাগ সফল হোমিওপ্যাথি তে।
প্রসংগত বলে রাখি, এটা আমার দীর্ঘদিন এর কিডনি রোগী দেখার নিজস্ব গবেষণা ও সফলতা। তাই আমার পোস্টটিকে নিজের মনে করে নিজের নামে পোস্ট করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করবেন না।
===========================
----------------------------------------------------------
এই পোস্টের সমস্ত তথ্য উৎস --
----------------------------------------------------------
১) আমার বিগত দিনের নিরলস নির্ঘুম রিসার্চ,
২) অসংখ্য রোগী দেখার অভিজ্ঞতা,
৩) দীর্ঘদিন অসংখ্য রোগীর রিপোর্ট এনালাইস পর্যবেক্ষণ, রোগীদের আগে/পরের রিপোর্ট এনালাইস।
৪) আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল,
( না বুঝে কেউ কোন প্রকার বিরূপ মন্তব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি কোন কিছু না বুঝলে, সরাসরি আমার চেম্বারে দেখা করুন। )
বিদ্রঃ হোমিওপ্যাথি তে কিডনি সুস্থ হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।
#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে কিডনি চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) এলবুমিন এর ক্ষয় কমানো
৪) ক্রিয়েটিনিন লেভেল কমানো
৫) খাবার চার্ট মেনে চলা।
৬) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।
----------------------------------------------------------
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
ইউটিউবে ---
https://youtube.com/@allmedicin6069
--------------------------------------------------------
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp