
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 148 বার ]
Category : Autism, Child,
অটিজম শিশুর সুস্থতা - বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে,
অটিজম বাচ্চাদের মধ্যে
১। প্রকৃত অটিজম শিশু - শারীরিক পূর্ণতা কিন্তু মানসিক অপূর্ণতা।
২। সুডো অটিজম - শারীরিক পূর্ণতা কিন্তু মানসিক পূর্ণতা হ্রাস পেয়েছে।
৩। অটিজম ও অপূর্ণাঙ্গ - এদের মাথার আকৃতি স্বাভাবিক থাকলেও চেহারা বিকৃত থাকে।
৪। অপূর্ণাঙ্গ বা বিকলাংগ শিশু - শারীরিক অপূর্ণতা এবং মানসিক অপূর্ণতা।
এই ৪ রকম বাচ্চা বেশি দেখা যায়।
এরমধ্যে, ১ম গ্রুপের, প্রকৃত অটিজম বাচ্চাদের বৈশিষ্ট্য --
শারীরিক কোন সমস্যা থাকে না, কিন্তু মানসিক গ্রোথ কম থাকে, কম বুঝমান হয়, হাইপার এক্টিভিটি অথবা লেস এক্টিভিটি, হয় চুপচাপ থাকে অথবা অতিরিক্ত চঞ্চল হয়।
আমি চিকিৎসা দিয়েছি এবং বর্তমানে সুস্থ আছে এবং ঠিক হয়ে গেছে, এমন বাচ্চাদের মধ্যে আরো কিছু ছিল, যেমন -
কথা বলতে জড়তা, শব্দ বা অক্ষর উচ্চারণে জড়তা বা কষ্ট হয়। শান্ত হয়ে পড়তে বসত না। জানালা দিয়ে প্রস্রাব করা, জানালা দিয়ে জিনিস ফেলে দেয়া। প্রস্রাব পায়খানার বেগ হলে বুঝতে পারে না, বলতেও পারে না, প্যান্টের মধ্যে প্রস্রাব পায়খানা করে। নিষ্ঠুর আচরণ করে, অন্য বাচ্চাদের আঘাত করে। সারাক্ষণ হাসে বা কান্না করে। কম ঘুমায়।
এই ধরনের বাচ্চারা হল অটিজম শিশু।
অনেক বাচ্চা আই কন্টাক্ট করে না। এরা নিজেদের জগতে ডুবে থাকে। এরা সবথেকে জটিল হয়।
এই প্রকৃত অটিজম - বাচ্চাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিয়ে বাচ্চাগুলো সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।
++++++++
২য় গ্রুপের সুডো অটিজম হল, এই বাচ্চারা জন্মগত অটিজম নয়। জন্মের পর উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে, অথবা মোবাইল ডিভাইস এর আসক্তি থেকে এরা অটিজম বা পাগলামি আচরণ করে থাকে।
এই বাচ্চাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিয়ে বাচ্চাগুলো সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।
++++++
৩য় গ্রুপের অটিজম ও অপূর্ণাঙ্গ - শিশুদের মাথার আকৃতি স্বাভাবিক থাকলেও মুখের আকৃতি বিকৃত থাকে। অন্যান্য শিশুদের মত মা বাবার চেহারার সাথে মিল থাকে না। বেশির ভাগ শিশুর ক্ষেত্রে এদের মুখের আকৃতি চেপ্টা এবং চোখ যেন খুলতে পারছে না। এমন দেখায়। এদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিয়ে, শারীরিক ও মানসিক ওনেক সমস্যা সুস্থ হলেও শতভাগ সুস্থ হবার আশা করা যায় না। তবে, জীবনে সার্ভাইব করার মত মানবিক বিষয়গুলো প্রায়ই সুস্থ হয়ে আসে।
+++++++
৪র্থ গ্রুপের বাচ্চাদের সবথেকে উল্লেখযোগ্য হলো, এদের মাথার আকৃতি ছোট হয়। অনেকের মুখের আকৃতি ছোট হয়। এদের অনেকে শারীরিক ভাবে চলাফেরা করতে পারে আবার অনেকে চলাফেরা করতে সক্ষম নয়। এদের শারীরিক এক্টিভিটি খুবই কম অথবা একেবারেই থাকে না। এই বাচ্চাগুলো মায়ের গর্ভ থেকে অপূর্ণাঙ্গ হয়ে জন্মায় এবং জন্মের পর ডেভেলপ হয় না। এই বাচ্চাগুলো চিকিৎসা দিয়ে কোন পরিবর্তন পাই নাই।
++++++
বাবা-মা হিসেবে আপনি যখন একজন শিশু বিশেষজ্ঞ বা স্পেশাল চাইল্ড বিশেষজ্ঞদের কাছে যাচ্ছেন, ওনারা আপনাদের যেভাবে পরামর্শ দেয়, আপনারা আশা নিয়ে করে থাকেন, অনেকেই বাচ্চাদের স্পীচ থেরাপি, ব্যয়াম থেরাপি ইত্যাদি দিয়ে থাকেন, যা অনেক উচ্চমূল্যের খরচ হলেও বাস্তবিক তেমন কাজে আসে না যদি বাচ্চাটির মাথা ছোট হয়ে থাকে। অর্থাৎ, অপূর্ণাঙ্গ বা বিকলাংগ বাচ্চাদের ক্ষেত্রে থেরাপির ফলাফল খুবই কম বা নাই বললেই চলে।
আর, প্রকৃত অটিজম শিশুরা বছরের পর বছর বিভিন্ন থেরাপি নিলেও সম্পূর্ণ সুস্থতা আসে না। কারণ, এখানে অটিজম এর কারণ হল, মানসিক অপূর্ণতা, এটা শারীরিক সমস্যা না। আপনি নিজেই ভেবে দেখুন, মানসিক সমস্যা শারীরিক ব্যায়াম দিয়ে ভালো হওয়া সম্ভব না। যদি সম্ভব হত, পৃথিবীর কোন মানুষ পাগল থাকত না। কারণ, পাগলেরা সব থেকে বেশি শারীরিক নড়াচড়া করে।
বিদ্র:
১। হোমিওপ্যাথি তে প্রকৃত অটিজম সুস্থ হয় কিন্তু বিকলাংগ ঠিক হবে না।
২। ডিমেনশিয়া সুস্থ হয়।
৩। মানসিক রোগী বা পাগলামি সুস্থ হয়।
৪। যে কোন মনরোগ সুস্থ হয়।
৫। আত্মহত্যার প্রবণতা সুস্থ হয়।
৬। লেখাপড়ার অমনযোগ সুস্থ হয়।
অটিজম ও বিকলাংগ শিশু জন্মের বেশ কিছু কারণ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল,
১। গর্ভবতী মায়ের মানসিক ও শারীরিক কষ্ট।
২। গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টি।
৩। গর্ভবতী মায়ের বিশেষ কোন ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
৪। বিশেষ কোন রোগ।
৫। হোমিওপ্যাথি মতে মায়াজমগত সমস্যা এবং বংশগত জেনেটিক সমস্যা।
আমি, দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের থেকে অনেক তথ্য নিচ্ছি, এগুলো পর্যালোচনা করে এর মধ্যে সব থেকে বেশি কারণ হিসেবে পেয়েছি - বাচ্চা পেটে থাকা কালীন গর্ভবতী মায়ের মানসিক নির্যাতন। এটা ধনী বা গরীব পরিবার যাই হোক।
++++++
উপরোক্ত সবটুকু আমার দীর্ঘদিন এর চিকিৎসা অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের জানার জন্য লিখা।
হোমিওপ্যাথিতে অটিজম চিকিৎসা দেয় এমন সফল চিকিৎসক খুব রেয়ার। সব হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এই চিকিৎসা দেন না বা দেয়ার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকে না।
অটিজম শিশু নিয়ে সরাসরি চেম্বারে আসতে হয় না। ভিডিও কলে অনালাইনে দেখিয়ে কুরিয়ারে ঔষধ নিয়ে পারেন।
সবাইকে ধন্যবাদ।
আমার চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে আমার প্রোফাইল দেখুন।
আমরা অনেকেই জানি, হোমিওপ্যাথি ভুয়া বা কাজ করে না। পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই চিকিৎসা সব হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক দিতে পারবে না।
mind method মেডিসিন এক্সপার্ট হতে হবে।
আর সত্য হল, হোমিওপ্যাথি ভুয়া নয়, চিকিৎসক ভুয়া হতে পারে। আপনার ঘরের পাশে দোকান দিয়ে বললেই যেমন ঔষধ বিক্রেতাকে প্রফেসর বলা যাবে না, তেমনি চেম্বার দিলেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হওয়া যায় ন।
অন্তত আমার পেশেন্ট আপডেট জানতে আমার চেম্বারে স্বাগতম।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সফলতা দেখতে আপনি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইট এর আর্টিকেল ও আমার ফেসবুক প্রোফাইল এর রিয়েল লাইফ কেস দেখতে পারেন। আমার রিসার্চ এরিয়া সম্পর্কে জানুন দেখুন।
আমার চিকিৎসা এরিয়া জানতে আমার প্রোফাইল ভিজিট করার অনুরোধ রইল।
আশাকরি আপনি আমার প্রোফাইল ভিজিট করবেন। আমার পোস্টের সকল ডেটা আমার।নিজস্ব সফটওয়্যার এ সংরক্ষিত। রাষ্ট্রীয় যে কোন এডমিন প্রশাসন আমাকে তলব করলে আমি প্রতিটি রোগীর ডেটা তারিখ সহ দেখানোর জন্য সংরক্ষন করে রাখি।
++++++
Mind & Mental health medicine এ আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থেকে পোস্ট করা হয়েছে।
সমগ্র পৃথিবীতে এলোপ্যাথি ঔষধ গুলো আপনার বাচ্চাকে শুধু ঘুম পাড়িয়ে রাখবে। এগুলো মনস্তরে কাজ করতে পারে না।
আর হোমিওপ্যাথি একমাত্র ঔষধ যেটা মানুষের মনস্তরে কাজ করে ও পরিবর্তন করতে সক্ষম। এই ঔষধ সমূহ সরাসরি মানুষের দেহে প্রুভিং করে সন্তোষজনক ফলাফল এরপর বাজারজাত করা হয়।
++++++
হোমিওপ্যাথ ডা. মো. জাকির হোসেন মাসুদ
ফুল টাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp