
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 34 বার ]
Category : Health, Diet
এই পোস্ট আপনাদের প্রশ্নের সাথে সাথে এডিট করে তথ্য সমৃদ্ধ হতে থাকবে। এই মানুষ গুলোর প্রধান ও একমাত্র খাদ্য বিভিন্ন প্রানীর মাংস। এরা মাংস খায় কাঁচা, আগুনে ঝলসানো, পানিতে সিদ্ধ করে। এরা মাংস, নাড়িভুড়ি, চামড়া সবই খায়। পৃথিবীর কোন কোন অঞ্চলে কাসাভা নামক কন্দ এদের খাবার।
এরা ভাত, শাক সবজি, ঘি, চিয়াসীড, পিংক সল্ট, ফল, খেতে পায়না এবং খায় না।
ভিটামিন ডি ক্যালিশিয়াম মাল্টিভিটামিন এসব খেতে পায় না। পৃথিবীর অনেক স্থানে মানুষের খাবারের তালিকায় ভাত রুটি নেই। পাকিস্তানে ভাতের থেকে রুটি সস্তা ও জনপ্রিয়।
তারা প্রচুর দুধ পান করেন। ভারতের কিছু অঞ্চলে দুধ উৎপাদন বেশি।
পৃথিবীর একেক অঞ্চলে একেক খাবারের উৎপাদন কম বেশি আছে। সহজলভ্যতার উপর নির্ভর করে তাদের খাদ্যাভ্যাস গড়ে উঠে। আবার এই খাদ্যাভ্যাস এর উপর মানুষের শরীরের আকার গঠন ও আয়ু নির্ভর করে।
আমার এক অস্ট্রেলিয়ান বন্ধুর কাছে শুনেছি, আমাদের ইসবগুলের ভুসির মত ধানের মিহি কুড়া কিনে খায় ওরা।
উন্নত দেশ আমেরিকাতেও প্রচুর লিভার কিডনি হার্ট এর রোগী। সেখানেও চিকিৎসার অভাবে অনেক লোক মারা যায়। পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘায়ু হল জাপানের মানুষের। কারণ, তাদের বিশুদ্ধ খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা।
চীন ও কোরিয়াতে খাবারে সবথেকে বেশি ভেজাল এমনকি শিশুখাদ্যে সবথেকে বেশি।
আমাদের বর্তমান বিপদ হল, ইঞ্জিনিয়ারিং শস্যদানা। এগুলো থেকে বীজদানা হয় না। কৃষকেরা লাভের আশায় এগুলো ফলায়, পরে আবার বীজদানার জন্য বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে ধরা থাকে। সাথে আছে কীটিনাশক নামক সাইলেন্ট কিলার।
এবার আমার নিজের ক্লিনিক্যাল প্রুভিং এভিডেন্স শেয়ার করি।
গম ও গম জাতীয় যেমন ওটস এগুলো একই গোত্রীয় খাবার। গত ৪০ বছর ধরে আমাদের ধান গম ডাল।এসব শস্যকে ইঞ্জিনিয়ারিং করে এদের প্রাকৃতিক মান ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। আমার দাদারা খেয়ে ভালো থাকলেও বর্তমানে এগুলো কিডনি রোগীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আমার কাছে আগত রোগীদের নিয়মিত ব্লাড টেস্ট করে পর্যবেক্ষণ করেছি।
আমার কাছে ক্লিনিক্যাল প্রুভিং ডেটা আছে। শরীরে ইউরিয়া বৃদ্ধি করে, কিডনির ক্ষতি করে।
কিডনি রোগী গম আটা খেলে খুব দ্রুত ইউরিয়া বেড়ে গিয়ে মারা যায়। গমের থেকে ভাত নিরাপদ।
আর ভাত গম বাদ দিলে পুরো পৃথিবী নিরাপদ।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
ক্লিনিক্যাল প্রুভিং এভিডেন্স ছাড়া আমি কোন কিছু পোস্ট করি না।
আমি রোগীদের পরামর্শ দেয়ার পর আবার টেস্ট করে রিপোর্ট এনালাইস করি, সেই ডেটা আপনাদের জন্য পোস্ট করি।
আমাদের কোন এলোপ্যাথি চিকিৎসক আপনার চিকিৎসা দেয়ার পর কখনো খোঁজ নিয়েছে যে আপনি বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন। কখনই রোগীদের খোঁজ খবর না নিয়ে ওনারা অনেক তথ্য বলেন কোথা থেকে?
নির্দিষ্ট গোষ্ঠী চিকিৎসকদের দিয়ে এসব কথা প্রচার করে জাস্ট ব্যবসার জন্য।
কোন চিকিৎসক বলবে না যে,
তিল খান, ক্যালশিয়াম ট্যাবলেট লাগবে না।
রোদ পোহান, কোলস্টেরল এর বড়ি লাগবে ন।
ডাক্তার এর কাছে গেলে সব খাবার বন্ধ করে দিয়ে ঔষধ ধরায়ে দিবে ১ প্লেট। রোগীদের বলেন বেশি বেশি সবজি খান, আর ডাক্তাররা মাছ মাংস ছাড়া ভাত খেতেই পারে না।
সরিষার তেলের মিথ্যা প্রচারণা -
সরিষার তেল ছিল সস্তা। পুরো পৃথিবী আগে এই তেল খেয়েছে।
১৯৯০ সালের দিকে টিভিতে এপ্রোন পরিয়ে সয়াবিন তেলের এড দেয়া হত। এটা সরিষার থেকে দামী।
২০০০ সালের পরে সূর্যমুখী তেলের এড দিল এপ্রোন পরে ডাক্তার সেজে। এটা সয়াবিন থেকে দামী। হার্টের জন্য ভালো।
২০০৫ সালের পরে আসলো রাইস ব্রেন তেলের এড। এটা সূর্যমূখী থেকে দামী। হার্টের জন্য ভালো।
আসলে এটা হল একটা বাণিজ্যিক ফাঁদ। কারণ মানুষ ডাক্তারের কথা বিশ্বাস করবে। তাই এপ্রোন পরিয়ে ডাক্তার সাজিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হয় আমাদের ফাঁদে ফেলার জন্য।
যতই দামী তেল খাচ্ছে, সারা পৃথিবীতে হার্ট ব্লকের রোগী বাড়ছে। আসল ঘোমড় তেলে নয়, আসল ঘোমড় হল, আপনি যতটা খাবেন খরচ করতে হবে পরিশ্রম করে অন্যথায় সমস্ত শরীরে জমবে সাথে হার্টে জমবে।
যেদিন থেকে ৫ লিটারের তেলের বোতল ঘরে ঢুকেছে, সেদিন থেকেই মানুষ বেশি অসুস্থ হচ্ছে।
সাম্প্রতিক আরো একধাপ এগিয়ে কিছু এলোপ্যাথি চিকিৎসক প্রচার করছেন এমনকি এটা প্রতিষ্ঠিত করেছেন যে, সরিষার তেলে প্লাটিলেট কমে।
আমার কথা হল, প্লাটিলেট কমলে সেটা পরিবারের সবার কমবে তা না করে দুই এক জনের কমছে কেন?
আসল ব্যাপার হল যে,
রক্তের প্লাটিলেট কমা হল থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।
রক্তের হিমোগ্লোবিন কমা হল এনিমিয়া আর এর থেকে জটিল হল থেলাসেমিয়া।
এই দুটো হল, টিউবারকুলার ডিজিজ। এই টিউবারকুলার মায়াজম ব্যাপারটা হোমিওপ্যাথিক।
এলোপ্যাথি তে এর ঔষধ নাই। তাই সব দোষ সরিষার তেলের। আমার চেম্বারে এই দুটো রোগ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ১০০% সুস্থ হচ্ছে। প্রুভিং এভিডেন্স আছে।
কিছুদিন পরপর আপনাদের সামনে একজন করে অনলাইন বিশেষজ্ঞ হকার আসেন এবং তারা বিদেশি চিকিৎসক বা কোন বিদেশীর বরাত দিয়ে অনেক ফটর ফটর করেন। এরপর লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, এদের পিছনে কাজ করছে বিশেষ কোন ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য। এরপর দেখা যায়, এটা খেলে ওটা হয়, ওটা খেলে এটা হয়, এই সব আপনাদের জন্য কষ্ট করে বিদেশ থেকে অর্গানিক আমদানি করেছি, আপনাদের পকেট কাটার জন্য।
হায়, আল্লাহ, যেই বাল মানষে খাইত না, সেই বাল এখন ১০০০, ২০০০ টাকা কেজি। জাস্ট ফাকিং হাইপ।
করল্লা খাইলে ডায়াবেটিস কমে সেই হাইপে করল্লা ২০০ টাকা কেজি হয়, তাহলে ডায়াবেটিস কমে না কেন?
জাস্ট হাইপ, আসল সত্য সব লুকানো থাকে।
আমার কথা হল, এতই যদি বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে অন্যের রিসার্চ এর বরাত না দিয়ে নিজেই ক্লিনিক্যাল প্রুভিং করে তথ্য শেয়ার করা উচিত।
++++++
খাবার সম্পর্কে আমার সামারি হল,
১। আপনি যা খাবেন, সেটা শারীরিক পরিশ্রম করে খরচ করতে পারলে, আপনি লোহা খেয়েও হজম করতে পারবেন। আর শরীর এ সমস্যা থাকলে, সেরা খাবার দুধ খেয়েও হজম করতে পারবেন না। তাই অন্ধভাবে অনলাইন বিজ্ঞাপন ফলো করে বিশেষ কোন খাবারে নিজেকে অভ্যস্ত বা নির্ভরশীল করবেন না।
২। শরীর সুস্থ থাকলে সব খাবেন অল্প অল্প করে। কোন খাবার বেশি খাবেন না। সমস্যা থাকলে, যেটা সহ্য হবে না বাছাই করে খাবেন।
৩। বাহিরের খাবার, হোটেলের খাবার, দোকানের প্যাকেট খাবার খাবেন না।
৪। BSTI এর সীল দিয়ে জুসের নামে ক্যামিকেল কিনে খাইয়েন না।
৫। ঘড়ির টাইম মেনে নির্দিষ্ট সময় খানা খাবেন।
৬। ভাত, রুটি কম খান
৭। এন্টিবায়োটিক বা যে কোন ঔষধ যত সম্ভব কম খাবেন।
৮। পর্যাপ্ত পানি পান করেন।
৯। প্রতিদিন যেন পেট ক্লিয়ার হয়ে মলত্যাগ হয়।
১০। মডার্ণ ফাস্টিং একটু দূরে রেখে রোজা রাখেন, যারা কম খায় এবং রোজা রাখেন, তারা সহজে অসুস্থ হয় না, আমার জীবনে এমন মানুষ দেখেছি।
১১। বীর্য কম খরচ করে সংরক্ষণ করুন। মানে হাতাহাতি করে নষ্ট করবেন না। প্রয়োজনের সময় ঢেলে দিতে পারবেন সময় নিয়ে।
১২। লিভার, কিডনি, পাকস্থলীর যত্ন নিন, আপনি সুস্থ।
১৩। একটু রোদ পোহান। লিভার কিডনি হার্ট সব ভালো থাকবে, কোলস্টেরল এর ঔষধ খেতে হবে না।
১৪। যত পারেন হাটেন।
১৫। ঘুমাইবেন কখন? মোবাইলের চার্জ শেষ হলে?
না, ঠিক রাত ১০ টায়। সারা দেশে যত নাইট গার্ড আছে, এদের সবগুলার লিভার নাই, যৌন জীবন শেষ। প্রমাণ চান, ভেবে দেখেন, রাত জেগে আপনি নিজেই খিটখিটে ঝগড়াটে হয়ে গেছেন। এখনকার বাচ্চারা খুব খিটখিটে পড়া মনে রাখতে পারে না।
১৬। তেল কতটুকু খাবেন? এক মাসে জনপ্রতি ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ মিলি তেল খাবেন। এর বেশি নয়। তাহলে, ৪ জনের পরিবারে মাসে ১ লিটার তেল খরচ করবেন সেটা যে তেলই হোক। ৬ মাস মেনে চলেন, আপনাকে কিটো ফিটো কিছুই করতে হবে না, যদি হরমোন ঠিক থাকে। হরমোন সমস্যা হলে হোমিওপ্যাথি খান, সমাধান হয়ে যাবে।
১৭। তেল কমাই খাইতে পারবেন না? তাইলে ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন, চিকিৎসা খরচের জন্য। হার্টব্লকের জন্য এলোপ্যাথি ওয়ালারা কিন্তু রিং পরাইতে কম টাকা নিবে না, মিনিমাম ৩ লাখ থেকে খরচ শুরু করে ৫০ লাখ খরচের রোগী আমি দেখেছি। আর হোমিওপ্যাথি তে আমি কিন্তু মোটামুটি ১টা রিং পরানোর টাকা নিই।
১৮। যদি পারেন, নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কথা বলুন। কৃষি থেকে শুরু করে, আপনার রান্না ঘর, দোকানের খাবার সব বিষে ভরপুর।
আমার এলাকায় ১০০+ বয়স্ক লোক এখনো বেঁচে আছেন। আর ৫০+ গুলো সব একে একে অসুস্থ হয়ে মরে যাচ্ছে।
প্রবীন মানুষদের সাথে আমি তাদের জীবন যাপন নিয়ে আলোচনা করে এগুলোই শিখেছি।
*** পিক ফর এটেনশন। এদের বয়স না খুঁজে, পোস্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে একটা মেসেজ পাবেন। সেটা বুঝতে পারলেই হবে। ৯০ এর পরের বাচ্চারা এখানে কমেন্ট না করে শিখতে পারেন। ৯০ এর আগের ভাই বোনেরা আমার এই লিখা উপলব্ধি করতে পারবেন নিশ্চয়ই।
++++++++++++++
যোগাযোগ ---
অব্যর্থ হোমিও,
সুফিয়া বেকারি মোড়,
সাভার, ঢাকা
01711201018
এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য হটসএপে নক করুন।
ভিজিটিং ফী ২০৫০ টাকা শুধুমাত্র ১ম বার। ঔষধ খরচ আলাদা।
Dr Md Jakir Hossain Mashud,
DHMS ( Dhaka, Bangladesh)
PGD, Hom, London,
( London College of Homeopathy ( LCH), UK).
01711201018,
আমার নিজস্ব রিসার্চগুলো পড়তে আমার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল সেকশন দেখুন --
https://www.drjakir.com/article/index.php
সরাসরি রোগীর উপর আমার প্রুভিং সাকসেস দেখতে, সাকসেস এভিডেন্স সেকশন দেখুন --
https://www.drjakir.com/success_evidence/index.php
#Dr Md Jakir Hossain Mashud, DHMS,
#01711201018
#Obartho Homeo
#অব্যর্থ হোমিও
#সুফিয়া বেকারি মোড়, দক্ষিণ রাজাশন, সাভার, ঢাকা।
#drjakir
#www.drjakir.com
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp