
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 42 বার ]
Category : Health
আজকের আলোচনা অত্যন্ত জটিল,
কোলস্টেরল, ভিটামিন ডি, কিডনি, লিভার, থাইরয়েড - অত্যন্ত জটিল এক মাল্টিএংগেল মেকানিজম।
কিডনি রোগী নিয়ে লেখাপড়া করতে গিয়েই এসব জেনেছি। অনেক বড় টপিক সংক্ষেপে চেষ্টা করলাম সহজভাবে বলতে। মেডিকেল টার্ম বাদ দিয়ে সাধারনের উপযোগী করে লিখেছি।
কোলস্টেরল -
কোলেস্টেরল হলো একধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ, যা আমাদের লিভারে তৈরি হয় এবং শরীরের কোষ গঠন, হরমোন ও ভিটামিন তৈরিতে সাহায্য করে। রক্তে এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তা ধমনীতে জমে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
কোলেস্টেরল মূলত দুই ধরনের হয়:
এলডিএল (LDL): একে "খারাপ" কোলেস্টেরল বলা হয়, যা ধমনীতে প্লাক বা আস্তরণ জমায়।
এইচডিএল (HDL): একে "ভালো" কোলেস্টেরল বলা হয়, যা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে।
কোলেস্টেরলকে সাধারণত আমরা ক্ষতিকর মনে করলেও, এটি আসলে মানব দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। শরীরকে সচল ও সুস্থ রাখতে এটি প্রধানত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে:
কোষের প্রাচীর গঠন: শরীরের প্রতিটি কোষের চারপাশের আবরণ বা সেল মেমব্রেন তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয় এবং কোষের তরলতা ও দৃঢ়তার ভারসাম্য বজায় রাখে।
হরমোন তৈরি: টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেনের মতো সেক্স হরমোন এবং কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন তৈরিতে কোলেস্টেরল কাঁচামাল হিসেবে কাজ করে।
হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য: লিভারে পিত্তরস বা বাইল অ্যাসিড তৈরিতে এটি সাহায্য করে, যা আমাদের খাওয়া চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
ভিটামিন ডি উৎপাদন: সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে ত্বকের কোলেস্টেরল ব্যবহার করেই আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি তৈরি করে। এই ভিটামিন ডি আবার আমাদের দেহের ক্যালসিয়াম ব্যালেন্স, হাড় গঠন সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।
তাহলে, কি বুঝা গেল? কোলস্টেরল আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান উপাদান। এটাকে ব্যবহার করতে হবে, রোদ পোহানোর মাধ্যমে। বাহিরের দেশে মানুষ গায়ে তেল মেখে সমুদ্রের পাড়ে শুয়ে সানবাথ করে। মানে রোদ পোহায়। আর আমাদের দেশে গেলে কোন চিকিৎসক আপনাকে রোদ পোহাতে বলবে না। হাতে ঔষধ ধরিয়ে দিবে, আজীবন খাবেন। এটা ড্রাগ মাফিয়াদের ব্যবসা।
১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা ভিজিটিং ফী নিয়েও মানুষকে সঠিক পরামর্শ দেয়ার মত বিবেক আমাদের চিকিৎসকদের নাই।
এবার আসেন, আরেক ঘোমড়, ডি নিয়ে,
এখন আবার এক জাতের হকার বেরিয়েছে আপনাদের ভিটামিন ডি কিনে খাওয়াচ্ছে। কিন্তু এই ডি আর আমাদের দেহের গ্রহনযোগ্য ডি কিন্তু এক না।
এখানে আরেকটা জটিল মেকানিজম আছে, এর সাথে জড়িত আমাদের কিডনি। আমরা শুধু জানি কিডনি রক্ত ছেঁকে প্রস্রাব উৎপাদন করে। এটা ভুল। থাইরয়েড গ্রন্থি সহ আরো কিছু গ্ল্যান্ডের সাথে সরাসরি যোগসাজসে, দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের কিডনি। তাই এইসব মেকানিজম ঠিক রাখতে হলে কিডনির যত্ন নিতে হবে।
ভিটামিন ডি আমরা যেটা সরাসরি গ্রহন করি সেটা হল, ইনএক্টিভ ডি, এটাকে এক্টিভ করার কাজ হল কিডনির। কিডনি এটাকে শরীরের গ্রহনযোগ্য ডি তে রূপান্তর করে।
ভিটামিন ডি-এর সাথে কিডনির অত্যন্ত গভীর ও দ্বিমুখী সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে এই দুটি উপাদান একে অপরের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।কিডনি এবং ভিটামিন ডি-এর মধ্যকার মূল সম্পর্কগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. ভিটামিন ডি-কে সক্রিয় করা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ)সূর্যের আলো বা খাবার থেকে আমরা যে ভিটামিন ডি পাই, তা কিন্তু সরাসরি শরীরের কোনো কাজে আসে না। এটি থাকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায়।প্রথমে আমাদের লিভার এটিকে আংশিক পরিবর্তন করে।এরপর কিডনি তার বিশেষ এনজাইমের মাধ্যমে এটিকে চূড়ান্তভাবে সক্রিয় বা কার্যক্ষম হরমোনে (ক্যালসিট্রিওল) রূপান্তর করে।এই সক্রিয় রূপটিই আমাদের শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে।
২. কিডনি বিকল হলে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হয়। যদি কারো কিডনি রোগ (CKD) থাকে বা কিডনি ঠিকমতো কাজ না করে, তবে কিডনি নিষ্ক্রিয় ভিটামিন ডি-কে সক্রিয় করতে পারে না। এর ফলে শরীরে ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের তীব্র ঘাটতি দেখা দেয়, যা হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর করে তোলে। এই কারণে কিডনি রোগীদের চিকিৎসকরা বিশেষ ধরনের সক্রিয় ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট প্রেসক্রাইব করে থাকেন।
৩. অতিরিক্ত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট এবং কিডনির ক্ষতি, ভিটামিন ডি পানিতে দ্রবণীয় নয়, এটি চর্বিতে দ্রবণীয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে উচ্চ মাত্রার (যেমন ৬০,০০০ IU বা তার বেশি) ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট মাসের পর মাস খেলে তা রক্তে জমতে থাকে।এর ফলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যায় (হাইপারক্যালসেমিয়া)।অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ফিল্টার করতে গিয়ে কিডনির ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে।দীর্ঘদিন এমন চললে কিডনির টিস্যুতে ক্যালসিয়াম জমা হয়ে কিডনিতে পাথর হতে পারে এবং একপর্যায়ে কিডনি বিকল (Kidney Failure) পর্যন্ত হতে পারে।
+++++++
ডি এর তুলনা --
এবার আসেন বাজারের ডি আর সূর্যের আলোর মাধ্যমে ডি এর ব্যবচ্ছেদ করি।
সহজ কথায় বলতে গেলে দুটো মূলত একই ভিটামিন ডি (ভিটামিন D3)। তবে এদের উৎস এবং শরীরের ভেতরে শোষিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।নিচে এদের মধ্যকার মিল ও অমিলগুলো সহজভাবে আলোচনা করা হলো:
১. রাসায়নিক গঠনের দিক থেকে (মিল) ---
ত্বকে তৈরি হওয়া ডি: সূর্যের আলোর (UVB রশ্মি) উপস্থিতিতে আমাদের ত্বকের নিচে থাকা কোলেস্টেরল (7-dehydrocholesterol) রূপান্তরিত হয়ে ভিটামিন D3 (Cholecalciferol) তৈরি করে।
বাজারের সাপ্লিমেন্ট: বাজার থেকে আমরা যে ভিটামিন ডি কিনে খাই, তার বেশির ভাগই (বিশেষ করে ক্যাপসুল বা ড্রপ) হলো এই একই ভিটামিন D3। এটি সাধারণত ভেড়ার পশমের ল্যানোলিন (Lanolin) থেকে গবেষণাগারে কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা হয়, যা আমাদের ত্বকে তৈরি হওয়া ডি-এর সাথে হুবহু মিলে যায়। (দ্রষ্টব্য: বাজারে ভিটামিন D2 নামের আরেকটি উদ্ভিজ্জ রূপও পাওয়া যায়, তবে D3-ই আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকরী)।
২. কার্যকারিতার দিক থেকে (মিল)
উৎস যা-ই হোক না কেন, ত্বক থেকে আসা ভিটামিন ডি এবং মুখের সাপ্লিমেন্ট—দুটোকেই আমাদের লিভার এবং কিডনি প্রক্রিয়াজাত (Process) করে শরীরের ব্যবহারযোগ্য সক্রিয় হরমোনে (Calcitriol) রূপান্তর করে। দুটিই আমাদের হাড় শক্ত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সমানভাবে কাজ করে।
৩. শোষণ ও স্থায়িত্বের দিক থেকে (অমিল)
রক্তে মিশে যাওয়ার গতি: ত্বক থেকে তৈরি হওয়া ভিটামিন ডি অত্যন্ত ধীরগতিতে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েক ঘণ্টা ধরে রক্তে ছড়ায়। ফলে অতিরিক্ত সূর্যের আলোতেও শরীরে কখনো ভিটামিন ডি-এর বিষক্রিয়া (Toxicity) হয় না।হজম প্রক্রিয়ার প্রভাব: সাপ্লিমেন্ট আমাদের পাকস্থলী ও অন্ত্রের মাধ্যমে চর্বির সাথে শরীরে শোষিত হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খুব উচ্চ মাত্রার সাপ্লিমেন্ট খেলে শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি জমে বিষক্রিয়া বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
++++++++
এবার আসেন, আরেকটু গভীরে যাই,
শরীরে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য কোলেস্টেরল অপরিহার্য। এর প্রধান কাজগুলো হলো:
কোষ গঠন: কোষের ঝিল্লি বা পর্দা (Cell Membrane) তৈরি ও সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।
হরমোন তৈরি: ইস্ট্রোজেন, টেস্টোস্টেরন এবং কর্টিসলের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেরয়েড হরমোন তৈরিতে কাজ করে।
হজমশক্তি: চর্বি হজম করার জন্য লিভার থেকে পিত্তরস (Bile Acid) তৈরিতে সাহায্য করে।
ভিটামিন ডি সংশ্লেষণ: সূর্যালোকের সাহায্যে ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
রক্তে LDL (Low-Density Lipoprotein) বা খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, তবে কিছু শারীরিক রোগ এবং বংশগত কারণও এর জন্য দায়ী।
এলডিএল (LDL) বৃদ্ধির মূল কারণগুলোকে নিচে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হলো:
১. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
স্যাচুরেটেড ফ্যাট: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত লাল মাংস (যেমন: গরু বা খাসির মাংস), মাখন, ঘি এবং পূর্ণ-চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে এলডিএল বাড়ে।
ট্রান্স ফ্যাট: ফাস্ট ফুড, ভাজাপোড়া খাবার, ডালডা, চিপস এবং বাণিজ্যিক বেকারি পণ্য (যেমন: ডোনাট, বিস্কুট) রক্তে দ্রুত খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়।
২. জীবনযাত্রার ধরন
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: অলস জীবনযাপন করা বা পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম না করলে শরীরে মেদ জমে, যা এলডিএল বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ধূমপান ও মদ্যপান: ধূমপান রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) কমিয়ে দেয়। এইচডিএল কমে গেলে রক্তে এলডিএল এর মাত্রা আপনাআপনি বেড়ে যায়। অতিরিক্ত মদ্যপানও টোটাল কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়।
মানসিক চাপ ও ঘুম: অতিরিক্ত মানসিক চাপ (Stress) এবং রাতে কম বা নিম্নমানের ঘুম হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে।
৩. শারীরিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ
স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন বা পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমলে শরীরে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।
অন্যান্য রোগ: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডিজম (থাইরয়েডের সমস্যা), দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ এবং লিভারের সমস্যা থাকলে লিভার রক্ত থেকে এলডিএল দূর করতে পারে না।
ওষুধের প্রভাব: উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ, স্টেরয়েড এবং ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধ সাময়িকভাবে এলডিএল বাড়াতে পারে।
৪. বয়স এবং বংশগত কারণ
বংশগত বা জিনগত কারণ: পরিবারে বাবা-মা বা নিকট আত্মীয়দের উচ্চ কোলেস্টেরলের ইতিহাস থাকলে (যেমন: ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া) এলডিএল বৃদ্ধির ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
বয়স ও লিঙ্গ: বয়স বাড়ার সাথে সাথে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যায়, ফলে রক্তে এলডিএল বাড়ে। নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ বা মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার পর এলডিএল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।
রক্তে HDL (High-Density Lipoprotein) বা ভালো কোলেস্টেরল কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো ভুল খাদ্যাভ্যাস, কায়িক শ্রমের অভাব এবং কিছু বিপাকীয় (Metabolic) সমস্যা। এইচডিএল-এর কাজ হলো রক্তনালী থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল লিভারে নিয়ে পরিষ্কার করা, তাই এটি কমে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
এইচডিএল কমে যাওয়ার প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. অবহেলাপূর্ণ জীবনযাত্রা ও অভ্যাস
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: অলস জীবনযাপন এবং নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটাচলা না করলে শরীর এইচডিএল তৈরি করার উদ্দীপনা পায় না।
ধূমপান: তামাকের মধ্যে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান সরাসরি এইচডিএল-এর মাত্রা দ্রুত কমিয়ে দেয়। নারীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি দেখা যায়।
স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন: শরীরের ওজন অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে (বিশেষ করে পেটে চর্বি জমলে) এইচডিএল দ্রুত হ্রাস পায়।
২. খাদ্যাভ্যাসের ভুল ত্রুটি
রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট ও চিনি: সাদা ভাত, ময়দা, চিনি, মিষ্টি, কোমল পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খেলে এইচডিএল কমে যায়।
ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণ: ডালডা, বেকারি পণ্য (বিস্কুট, কেক) এবং ফাস্ট ফুডে ব্যবহৃত ট্রান্স ফ্যাট রক্তে এলডিএল বাড়ায় এবং এইচডিএল সরাসরি কমিয়ে দেয়।
চর্বিহীন অতি-কঠোর ডায়েট: খাবার থেকে সব ধরনের ফ্যাট বা চর্বি বাদ দিলে শরীর ভালো কোলেস্টেরল তৈরি করতে পারে না। বাদাম বা অলিভ অয়েলের মতো ভালো ফ্যাট ডায়েটে থাকা জরুরি।
৩. মেটাবলিক ও শারীরিক অসুস্থতা
উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড: রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglyceride - এক ধরনের চর্বি) বেড়ে গেলে এইচডিএল আপনাআপনি কমে যায়। এই দুটি চর্বি একে অপরের বিপরীতমুখী কাজ করে।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস: ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা অনিয়ন্ত্রিত রক্তে শর্করার সমস্যা থাকলে শরীরের ফ্যাট বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা এইচডিএল কমায়।
মেটাবলিক সিন্ড্রোম: উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং উচ্চ রক্ত শর্করার সম্মিলিত রূপ এই সিন্ড্রোমে এইচডিএল কমে যাওয়া একটি বড় লক্ষণ।
৪. ওষুধ এবং জিনগত কারণ
কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ (যেমন: বিটা-ব্লকার), অ্যানাবলিক স্টেরয়েড, প্রজেস্টিন (হরমোন উপাদান) এবং কিছু মূত্রবর্ধক ওষুধ (Diuretics) সাময়িকভাবে এইচডিএল কমায়।
বংশগত কারণ: অনেকের পরিবারেই বংশগত জিনগত ত্রুটির কারণে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণ এইচডিএল বা এর উপাদান তৈরি করতে পারে না।
রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglyceride - এক ধরনের চর্বি) বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ হলো প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করা. আমরা যখন খাবার খাই, তখন শরীর তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালোরিকে লিভারের মাধ্যমে ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তর করে মেদ কোষে জমা রাখে।
রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যাওয়ার মূল কারণগুলো নিচে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হলো:
১. খাদ্যাভ্যাসের ভুলত্রুটি
অতিরিক্ত শর্করা ও চিনি: সাদা ভাত, ময়দা, মিষ্টি, সোডা, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খেলে শরীর সেই বাড়তি শর্করাকে দ্রুত ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তর করে.
অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ: প্রতিদিন শরীর যতটুকু ক্যালোরি পোড়ায়, তার চেয়ে বেশি খাবার খেলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়.
অ্যালকোহল সেবন: মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা লিভারকে সরাসরি প্রভাবিত করে এবং রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড অনেক বাড়িয়ে দেয়।
২. জীবনযাত্রার প্রভাব
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: নিয়মিত হাঁটাচলা বা কায়িক শ্রম না করলে শরীরে জমা থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড শক্তি হিসেবে খরচ হতে পারে না, ফলে রক্তে এর মাত্রা বাড়ে.
স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন: বডি মাস ইনডেক্স (BMI) ২৫ বা তার বেশি হলে এবং বিশেষ করে পেটে চর্বি জমলে ট্রাইগ্লিসারাইড বৃদ্ধি পায়.
ধূমপান: ধূমপানের অভ্যাস রক্তে চর্বির বিপাক প্রক্রিয়ায় বাধা দেয় এবং ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়াতে সাহায্য করে।
৩. শারীরিক ও চিকিৎসাজনিত কারণ
অনিয়ন্ত্রিত টাইপ-২ ডায়াবেটিস: ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে গেলে বা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ট্রাইগ্লিসারাইড দ্রুত বাড়ে.
থাইরয়েডের সমস্যা: হাইপোথাইরয়েডিজম (থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি) থাকলে শরীরের মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়, যা এই চর্বি বাড়িয়ে দেয়.
কিডনি ও লিভারের রোগ: লিভার বা কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে শরীর রক্ত থেকে অতিরিক্ত চর্বি দূর করতে পারে না.
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ (যেমন: বিটা-ব্লকার), স্টেরয়েড, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল এবং হরমোন থেরাপির কারণে ট্রাইগ্লিসারাইড সাময়িকভাবে বাড়তে পারে।
৪. বংশগত কারণ
জিনগত ত্রুটি: পরিবারে বাবা-মা বা বংশে কারো উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যা থাকলে (যেমন: ফ্যামিলিয়াল হাইপারট্রাইগ্লিসারিডেমিয়া) কোনো কারণ ছাড়াই রক্তে এই চর্বির মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
সাধারণত রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের স্বাভাবিক মাত্রা ১৫০ mg/dL এর নিচে থাকা উচিত।
Total Cholesterol (টোটাল কোলেস্টেরল) হলো আপনার রক্তে উপস্থিত সব ধরনের কোলেস্টেরলের মোট সমষ্টি বা একক পরিমাপ। এটি মূলত তিনটি প্রধান উপাদানের যোগফল।
সহজ কথায়, টোটাল কোলেস্টেরল হিসাব করা হয় নিচের সূত্রটি দিয়ে:
Total Cholesterol = LDL + HDL + Triglycerides
টোটাল কোলেস্টেরলের উপাদানসমূহ:
LDL (খারাপ কোলেস্টেরল): এটি রক্তনালীতে চর্বি জমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।
HDL (ভালো কোলেস্টেরল): এটি রক্তনালী থেকে বাড়তি চর্বি লিভারে নিয়ে গিয়ে রক্ত পরিষ্কার রাখে।
VLDL (Very Low-Density Lipoprotein): এটি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বা সাধারণ চর্বি বহন করে। লিপিড প্রোফাইল রিপোর্টে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাকে ৫ দিয়ে ভাগ করে VLDL নির্ধারণ করা হয়।
মাত্রা কেমন হওয়া উচিত?
আদর্শ মাত্রা: ২০০ mg/dL এর নিচে।
সীমান্তবর্তী উচ্চ (Borderline High): ২০০ থেকে ২৩৯ mg/dL।
উচ্চ বা ঝুঁকিপূর্ণ: ২৪০ mg/dL বা তার বেশি।
একটি জরুরি সতর্কবার্তা:
শুধু টোটাল কোলেস্টেরল দেখে হার্টের স্বাস্থ্য পুরোপুরি বোঝা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, আপনার টোটাল কোলেস্টেরল হয়তো ২২০ mg/dL (যা কিছুটা উচ্চ), কিন্তু এর মধ্যে যদি ভালো কোলেস্টেরল (HDL) অনেক বেশি থাকে, তবে তা ক্ষতিকর নাও হতে পারে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি সঠিকভাবে বুঝতে টোটাল কোলেস্টেরলের পাশাপাশি সর্বদা এলডিএল (LDL) এবং এইচডিএল (HDL) এর আলাদা রিডিং দেখা জরুরি।
সাধারণত রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের স্বাভাবিক মাত্রা ১৫০ mg/dL এর নিচে থাকা উচিত।
রক্তে কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য চর্বির স্বাভাবিক মাত্রা পরিমাপ করার জন্য লিপিড প্রোফাইল (Lipid Profile) পরীক্ষা করা হয়। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে বিভিন্ন ধরনের কোলেস্টেরল যে মাত্রায় থাকা উচিত, তা নিচে দেওয়া হলো:
কোলেস্টেরলের আদর্শ মাত্রার তালিকা (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)
টোটাল কোলেস্টেরল (Total Cholesterol)
(রক্তের মোট কোলেস্টেরল)
আদর্শ মাত্রা - ২০০ mg/dL এর নিচে
ঝুঁকি মাত্রা - ২৪০ mg/dL বা তার বেশি
এলডিএল (LDL - Bad Cholesterol)
(খারাপ কোলেস্টেরল)
আদর্শ মাত্রা - ১০০ mg/dL এর নিচে
(হার্টের রোগী হলে ৭০ এর নিচে)
ঝুঁকি মাত্রা - ১৬০ - ১৮৯ mg/dL (উচ্চ)
১৯০ mg/dL+ (অত্যধিক উচ্চ)
এইচডিএল (HDL - Good Cholesterol)
(ভালো কোলেস্টেরল)
আদর্শ মাত্রা -
পুরুষ: ৪০ mg/dL এর উপরে
নারী: ৫০ mg/dL এর উপরে
(৬০ বা তার বেশি হলে হার্টের জন্য সবচেয়ে ভালো)
ঝুঁকি মাত্রা -
পুরুষ: ৪০ mg/dL এর নিচে
নারী: ৫০ mg/dL এর নিচে
(কম হওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়)
ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglyceride)
(এক ধরনের চর্বি/ফ্যাট)
আদর্শ মাত্রা -
১৫০ mg/dL এর নিচে
ঝুঁকি মাত্রা -
২০০ - ৪৯৯ mg/dL (উচ্চ)
৫০০ mg/dL+ (অত্যধিক উচ্চ)
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
পরীক্ষার নিয়ম: লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার সঠিক রিপোর্টের জন্য রক্ত দেওয়ার আগে অন্তত ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সম্পূর্ণ খালি পেটে (Fastings) থাকতে হয়। এই সময়ে শুধু পানি খাওয়া যাবে। [9]
শিশুদের মাত্রা: শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে টোটাল কোলেস্টেরলের আদর্শ মাত্রা ১৭০ mg/dL এর নিচে এবং এলডিএল (LDL) ১০০ mg/dL এর নিচে থাকা উচিত।
++++++++
আমার পরামর্শ -
গ্রামের কৃষক একেকজন হল, দেশি মুরগির মত শক্তিশালী আর শহরের লোক একেকজন হল ব্রয়লার মুরগীর মত অসুস্থ। গ্রামে যান ভুড়িওয়ালা কৃষক পাবেন না। আর শহরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দৌড়ের উপর মানে পেরেশানির উপর থাকতেছেন। টাকা আয় করছেন কিন্তু অসুস্থ হচ্ছেন। সুর্যের সাথে সম্পর্ক নাই। ভুড়ি যত বাড়ছে, তত বেশি অসুস্থ হচ্ছেন। শারীরিক শক্তি যৌন শক্তি সব হারাচ্ছেন।
শরীরের নিয়ম হল, যাই খাবেন, আপনাকে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম এর মাধ্যমে খরচ করতে হবে। খরচ করতে না পারলে, এটা আপনাকে অসুস্থ করবে। তাই কম খাবেন অথবা রোজা রাখবেন।
তাই সুস্থ থাকতে হলে,
১। অল্প খান, ব্যয়াম করেন, রোজা রাখেন, রোদ পোহান। পাশাপাশি লিভার কিডনি ঠিক রাখতে হবে।
২। প্রস্রাবের ইনফেকশন হলে দ্রুত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন। এলোপ্যাথি তে এর ঔষধ নাই।
৩। লিভারের সমস্যা হলে দ্রুত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন, এলোপ্যাথি তে এর ঔষধ নাই।
৪। কেমিক্যাল ঔষধ থেকে দূরে থাকেন।
৫। আপনার প্রেসার বাড়তি মানে, লিভার কিডনি কোলেস্টেরল, ভিটামিন ডি - সব ক্ষতির লেবেলে। তাই প্রেসার ঔষধ দিয়ে দমন করে নিজের ক্ষতি করছেন। লাইফস্টাইল ঠিক করে, ঔষধ বন্ধ করুন।
৬। রাত ১০ টায় ঘুমান।
৭। হার্টের ব্লক, হোমিওপ্যাথি ঔষধ এ সমাধান হয়, প্রুভিং এভিডেন্স আছে।
৮। কিডনি সমস্যা শুরুতে হোমিওপ্যাথি খেলে দ্রুত সুস্থ হয়। দেরিতে আসলেও আয়ু বেড়ে যায়।
৯। বাজারের তেল কম খাবেন বা খাবেন না। তবে বাদাম খেতে হবে ভালো কোলস্টেরল এর জন্য। আর যদি ব্যয়াম করেন, তাহলে গরুর চর্বি, প্রানীজ চর্বি খুব ভালো জিনিস। গরুর চর্বি নিয়ে তেল মাফিয়া সারা পৃথিবী জুড়ে মিথ্যা ছড়িয়েছে।
১০। শর্করা কম খাবেন।
১১। পৃথিবীতে অনেক স্থানে মানুষ শুধুমাত্র পশুর মাংস এবং চর্বি খেয়ে বেঁচে থাকে। তাদের আয়ু শতবছরের বেশি। তাদের ভাত, রুটি সবজি এসব খাবার নাই। পৃথিবীর কোন বনে প্রাকৃতিক ভাবে আপেল কমলা আংগুর এসব হয় না। তাদের কোন শাক সবজি সালাদ খাওয়া হয় না। আশাকরি এই ১১ নং পয়েন্টের মাধ্যমে অনেক কিছু বুঝে যাবেন।
১২। হালাল আয়ে হালাল খাবেন। অন্যথায় যেভাবে খাবেন, সেভাবে বেরিয়ে যাবে। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করবেন। কারো হক মেরে খাবেন না। তা না হলে, ডাক্তার কবিরাজ বেটে খাওয়ালে কাজ হবে না।
++++++++++
যোগাযোগ ---
অব্যর্থ হোমিও,
সুফিয়া বেকারি মোড়,
সাভার, ঢাকা
01711201018
এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য হটসএপে নক করুন।
ভিজিটিং ফী ২০৫০ টাকা শুধুমাত্র ১ম বার। ঔষধ খরচ আলাদা।
Dr Md Jakir Hossain Mashud,
DHMS ( Dhaka, Bangladesh)
PGD, Hom, London,
( London College of Homeopathy ( LCH), UK).
01711201018,
আমার নিজস্ব রিসার্চগুলো পড়তে আমার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল সেকশন দেখুন --
https://www.drjakir.com/article/index.php
সরাসরি রোগীর উপর আমার প্রুভিং সাকসেস দেখতে, সাকসেস এভিডেন্স সেকশন দেখুন --
https://www.drjakir.com/success_evidence/index.php
হার্টের সাকসেস এভিডেন্স এর নমুনা দেখতে পারেন ---
https://www.drjakir.com/success_evidence/success_evidence_category.php?category=Heart
কিডনি সাকসেস এভিডেন্স এর নমুনা দেখতে পারেন -
https://www.drjakir.com/success_evidence/success_evidence_category.php?category=kidney
লিভার সাকসেস এভিডেন্স এর নমুনা দেখতে পারেন --
https://www.drjakir.com/success_evidence/success_evidence_category.php?category=liver
#Dr Md Jakir Hossain Mashud, DHMS,
#01711201018
#Obartho Homeo
#অব্যর্থ হোমিও
#সুফিয়া বেকারি মোড়, দক্ষিণ রাজাশন, সাভার, ঢাকা।
#drjakir
#www.drjakir.com
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp