
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 18 বার ]
Category : Homeopathy
বাংলাদেশের সারোয়ার ওরফে বাটপার সারোয়ার কে বাদ দিয়ে ভারতীয় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক প্রদীপ কুমার গুপ্ত কে নিয়ে এনালাইস করতে পারেন।
এক সারোয়ার কে দিয়ে হোমিওপ্যাথি জাজ করলে ভুল করবেন।
এই মাসে আমার চেম্বারে ব্রেস্টের ওপেন ক্যান্সার এর একজন রোগী সুস্থতার পথে।
প্রতিটি টিউমার একেকটি টিউবার, আর এর পরবর্তী স্টেজ ক্যান্সার।
প্রতিটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক অসংখ্য টিউমার আরোগ্য করছে মানে ক্যান্সার নির্মুল করছে।
এ ব্যাপারে নেট না ঘেটে বই ঘাটুন।
ভারতীয় ব্যানার্জী প্রটোকল পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথি বলা হয় না। কারণ সে এলোপ্যাথি স্টাইলে হোমিওপ্যাথি প্রয়োগ করে ড্রাগ পিকচার ছাড়া।
আপনাকে আগে বুঝতে হবে ড্রাগ-পিকচার কি?
আর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ড্রাগ-পিকচার মেইন্টেইন করছে কিনা?
জানতে হলে পড়তে হবে। নেটে দেয়া সকল তথ্য সঠিক নয়। সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এর চিকিৎসা সঠিক নয়। স্বয়ং ভারতেই হোমিওপ্যাথি কয়েক ভাগে বিভক্ত।
অর্গানন,
মায়াজম,
সোরা,
সিফিলিস,
সাইকোটিক,
টিউবারকিউলোসিস,
ক্যান্সার মায়াজম,
মিশ্র মায়াজম,
বংশগতি ধারক ও বাহক,
জেনেটিক ডিজিজ,
লেসার রাইটিং,
হ্যানিম্যান এর ক্রোণিক ডিজিজ,
পুরাতন দোষের পরিচয়,
মেটেরিয়া,
রেপার্টরী,
সিম্পটম,
গ্রেডিং সিম্পটম,
সুপার গ্রেড সিম্পটম,
ড্রাগ পিকচার,
আরোগ্যের পথে বাধা,
সাধ্য ব্যাধি,
অসাধ্য ব্যাধি,
রোগ শক্তি,
ঔষধ শক্তি,
জীবনীশক্তি,
রোগ বিজ্ঞান,
প্রগনোসিস বা ভাবীফল,
এনাটমি,
ফিজিওলজি,
মোড অব একশন,
শক্তি ও মাত্রা,
স্থুল শক্তি,
সুক্ষ্মশক্তি,
শক্তির একশন লেবেল,
শক্তির ক্রিয়া কাল,
ঔষধের ক্রিয়া নাশ,
নির্মল আরোগ্য,
উপশম আরোগ্য,
সামিয়িক আরোগ্য,
স্থায়ী আরোগ্য,
এসব না জেনে হোমিওপ্যাথি নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা করতে গেলে ভুল করবেন।
এলোপ্যাথি থিওরী তে এসবের কোনটাই নাই। তাদের থিওরী হল, কেমিক্যাল দিয়ে রোগ দমন করা মানেই রোগী সুস্থ। এদিকে এক রোগের ঔষধ দিয়ে শরীরে অন্য রোগ তৈরী হচ্ছে সেটা দেখবে না। মলম দিয়ে চর্মরোগ ভালো করতে চায়।
হোমিওপ্যাথি থিওরী মতে চর্মরোগ কেমিক্যাল মলম দিয়ে আরোগ্য হলে সেটা মূলত চর্ম থেকে সরে গিয়ে শরীরের বৃহত্তর কোন অংগে আক্রমণ করে। যার বাস্তব উদাহরণ রোগী আমরা আমাদের চেম্বারে প্রতিদিন পাই, অথচ এলোপ্যাথি থিওরী এটা মানতে নারাজ।
প্রতিটি টিউমার বা ক্যান্সার এনক্যাপসুল অবস্থায় থাকে এটাকে ছিদ্র বা কাটা হলে এটা সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, হোমিওপ্যাথি তেই এটাকে প্রথম বলা হয়েছিল। বর্তমানে এলোপ্যাথি বিশেষজ্ঞগণ এটা রিসার্চ করে জার্নালে প্রকাশ করেছে যে, এটা সত্য। তবুও আমাদের মত গরীব দেশে FNAC বায়োপসি করতে দেয়া হয়।
হোমিওপ্যাথি মতে, টিউবারকুলার, ক্যান্সার এগুলো সব মায়াজম ঘটিত জেনেটিক রোগ, যা বংশগতভাবে প্রবাহিত হয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। এবং মায়ের গর্ভে থাকতেই অর্জিত হয়।
পরবর্তীতে প্রকাশ পায়।
কারো ক্যান্সার মায়ের পেটেই ধরা পড়ে, কেউ জন্মের কয়েক বছরে কেউ বা জীবনের শেষ দিকে। আবার কারো ক্ষেত্রে প্রকাশ পায় না।
এলোপ্যাথি চিকিৎসা বিদ্যা মায়াজম চিনে না।
এই থিওরী তাদের নেই।
এলোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথি দুটো চিকিৎসা থিওরী সম্পূর্ণ আলাদা বেজমেন্টের উপর প্রতিষ্ঠিত। দুটোকে গুলিয়ে ফেলবেন না।
ক্যান্সারের উপর হোমিওপ্যাথি তে প্রচুর বই আছে সাকসেস এভিডেন্স সহ সেগুলো পড়ে দেখতে পারেন।
আমি আবারো বলছি, বাটপার সারোয়ার মানে হোমিওপ্যাথি নয়।
ভারতের প্রদীপ কুমার গুপ্ত কে ফলো করে এরপর হোমিওপ্যাথি নিয়ে লিখবেন আশাকরি।
ক্যান্সারের স্টেজ এর সাথে রোগীর রোগশক্তি ও জীবনী শক্তির একটা সূত্র আছে। সবার জীবনী শক্তি এক নয়, তাই কোন প্যাথিতেই সকল রোগী আরোগ্য হয় না। তারমানে এটা নয় যে, চিকিৎসা নাই।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেয়ার পর - স্টেজ অনুসারে রোগী হয় সুস্থ হবে, অথবা কোয়ালিটি জীবন পাবে, অথবা সাময়িক উপশম পাবে, অথবা মৃত্যু হবে।
এই বিষয় টা আমাদের হোমিওপ্যাথি তে স্পষ্ট করা আছে, এরপরেও সারোয়ার এর মত লোকেরা ধোকা দেয় আর্থিক লাভবান হতে।
অন্তত এলোপ্যাথি কেমিক্যাল থেরাপি তে যে কষ্ট সেটা হোমিওপ্যাথি তে নাই।
আর এই স্টেজ শব্দটা, হোমিওপ্যাথি তে এই শব্দটাও নাই। হোমিওপ্যাথি বিলিভ করে সাধ্য ব্যাধি এবং অসাধ্য ব্যাধি।
তাই প্রদীপ কুমার কোন স্টেজের রোগীতে সাকসেস সেটা কথা নয়। কথা এটা যে সে ক্যান্সারে সাকসেস। বাংলাদেশে তার মত অন্তত একজন চিকিৎসক নাই।
বাংলাদেশে দক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক নাই সেটা আমাদের ব্যর্থতা কারণ প্রদীপ কুমারের মত এমন শিক্ষক আমাদের দেশে নাই। কিন্তু এটাকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার ব্যর্থতা বলতে পারেন না।
আমি আশা করব, প্রদীপ কুমার গুপ্ত স্যারের মত চিকিৎসকদের হোমিওপ্যাথি তে ক্যান্সার আরোগ্যের এভিডেন্স স্থান পাবে। মানুষ হোমিওপ্যাথি সফলতা সম্পর্কে জানবে।
বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি কলেজের কোন শিক্ষক এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড হার্ভার্ড এর কেউ হোমিওপ্যাথি তে রোগ আরোগ্যের মেকানিজম এর ব্যাখ্যা দিতে পারবে না। কারণ,
#এলোপ্যাথি চিকিৎসা ড্রাগ মেকানিজমের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।
#হোমিওপ্যাথি ড্রাগ পিকচার এর উপর প্রতিষ্ঠিত।
আপনারা প্রায়ই ড্রাগ মেকানিজম নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু ড্রাগ পিকচার এর খবর কেউ নেন না। অনেক এলোপ্যাথি চিকিৎসক এসে প্রশ্ন করেন, আপনার হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর ড্রাগ মেকানিজম কি? কারণ সে শুধু ড্রাগ ম্যাকানিজম সম্পর্কে লেখাপড়া করেছে। তাদের প্যাথিতে ড্রাগ-পিকচার শব্দটাই নাই।
আসেন সংক্ষেপে বলি -
ড্রাগ-মেকানিজম কি?
এলোপ্যাথি চিকিৎসায় ড্রাগ মেকানিজম বা কার্যপ্রণালী (Mechanism of Action - MoA) বলতে বোঝায় একটি ওষুধ মানবদেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর নির্দিষ্ট কোষ, এনজাইম বা রিসেপ্টরের (Receptor) সাথে কীভাবে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে এবং তার ঔষধি প্রভাব তৈরি করে।সহজ কথায়, ওষুধটি শরীরের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা শারীরিক ত্রুটির বিরুদ্ধে ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করছে, তা এই মেকানিজমের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়।
ড্রাগ-পিকচার কি?
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ড্রাগ পিকচার (Drug Picture) বা ওষুধ চিত্র বলতে কোনো ল্যাবরেটরি টেস্ট বা রাসায়নিক বিক্রিয়াকে বোঝায় না। এটি হলো একটি নির্দিষ্ট হোমিওপ্যাথিক ওষুধের নিজস্ব একটি সম্পূর্ণ এবং জীবন্ত চারিত্রিক প্রোফাইল বা অবয়ব। সহজ কথায়, একটি ওষুধ সুস্থ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করলে তার মনে ও দেহে সামগ্রিকভাবে যে ধরনের পরিবর্তন বা লক্ষণের সমষ্টি ফুটিয়ে তোলে, তাকেই ওই ওষুধের 'ড্রাগ পিকচার' বলা হয়। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ওষুধের এই চিত্রটিকে রোগীর সামগ্রিক লক্ষণের চিত্রের সাথে মিলিয়ে ওষুধ নির্বাচন করা হয়।
DHMS BHMS এগুলা শুধু সার্টিফিকেট মাত্র। আসল তো হল মগজ।
আমি বিজ্ঞান কে ভয় পাই না। তবে বিজ্ঞানের কোনটা নিবেন আর কোনটা নিবেন না এটাও জানতে হবে। কারণ বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল।
অপরদিকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর প্রুভিং সিম্পটম ২০০ বছরেও পরিবর্তন হচ্ছে না বরং দিন দিন সিম্পটম যুক্ত হয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে।
আমাদের কিছু গবেট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক আছেন, যারা হোমিওপ্যাথি কে এলোপ্যাথি স্টাইলে উপস্থাপন করতে চান। কেন? তারা কি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে হীন মনে করে? নীচু জাত মনে করে?
করতেই পারে, হতে পারে সে আসলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার রহস্য এখনো খুজে পায় নাই।
যে হোমিওপ্যাথির চিকিৎসা সিক্রেট খুঁজে পাবে সে বলবে যে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হতে পেরে ধন্য। এলোপ্যাথি চিকিৎসক হতে না পারার গ্লানি তার মধ্যে থাকবে না।
একজন এলোপ্যাথি চিকিৎসক ড্রাগ ম্যাকানিজম পড়লেও চোখে দেখে না। অন্ধের মত ঔষধ কোম্পানির স্লীপ পড়ে রোগীকে লিখে দেয়।
একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক, ড্রাগ-পিকচার পড়ে শিখে, নিজ হাতে রোগীকে খাইয়ে একই সিম্পটম আবার নিজেই ক্লিনিক্যাল প্রুভিং করে।
সূতরাং এলোপ্যাথি চিকিৎসক ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এর লেখাপড়া ও বাস্তব প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন।
একটার সাথে আরেকটা মিলানো যাবে না।
উভয় চিকিৎসক এর জন্য,
রোগ বিদ্যা, এনাটমি, ফিজিওলজি, ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট আবশ্যক।
++++++++++
এবার আসি, বিস্তারিত, ড্রাগ - মেকানিজম কি?
এলোপ্যাথি চিকিৎসায় ড্রাগ মেকানিজম বা কার্যপ্রণালী (Mechanism of Action - MoA) বলতে বোঝায় একটি ওষুধ মানবদেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর নির্দিষ্ট কোষ, এনজাইম বা রিসেপ্টরের (Receptor) সাথে কীভাবে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে এবং তার ঔষধি প্রভাব তৈরি করে।সহজ কথায়, ওষুধটি শরীরের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা শারীরিক ত্রুটির বিরুদ্ধে ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করছে, তা এই মেকানিজমের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়।
ড্রাগ মেকানিজমের প্রধান দিকসমূহ:মলিক্যুলার টার্গেট (Molecular Target): ওষুধটি শরীরের কোথায় গিয়ে কাজ করবে—যেমন কোনো নির্দিষ্ট প্রোটিন, হরমোন রিসেপ্টর বা এনজাইম।
রিসেপ্টর ইন্টারঅ্যাকশন (Receptor Interaction): অনেক ওষুধ কোষের গায়ে থাকা রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে হয় তার স্বাভাবিক কাজকে বাড়িয়ে দেয় (Agonist) অথবা ক্ষতিকর বিক্রিয়া বন্ধ করে দেয় (Antagonist)।
নন-রিসেপ্টর মেকানিজম (Non-receptor Mechanism): কিছু ওষুধ কোনো রিসেপ্টর ছাড়াই সরাসরি শারীরিক বা রাসায়নিকভাবে কাজ করে। যেমন—অ্যাসিডिटी কমানোর অ্যান্টাসিড (Antacid) সরাসরি পেটের এসিড neutralize করে।
এটি যেভাবে কাজ করে (দুটি ধাপে বিভক্ত):
ফার্মাকোকিনেটিক্স (Pharmacokinetics): শরীর ড্রাগটির সাথে কী করছে—অর্থাৎ ওষুধ খাওয়ার পর তা কীভাবে রক্তে শোষিত হয় (Absorption), সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে (Distribution), যকৃতে ভেঙে যায় (Metabolism) এবং শরীর থেকে বের হয়ে যায় (Excretion)।
ফার্মাকোডাইনামিক্স (Pharmacodynamics): ড্রাগটি শরীরের সাথে কী করছে—অর্থাৎ এর ফলে কোষে কী ধরনের জৈব রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে এবং রোগের লক্ষণগুলো কীভাবে কমে যায়।
++++++++++
এবার আসেন, বিস্তারিত,
ড্রাগ পিকচার কি?
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ড্রাগ পিকচার (Drug Picture) বা ওষুধ চিত্র বলতে কোনো ল্যাবরেটরি টেস্ট বা রাসায়নিক বিক্রিয়াকে বোঝায় না। এটি হলো একটি নির্দিষ্ট হোমিওপ্যাথিক ওষুধের নিজস্ব একটি সম্পূর্ণ এবং জীবন্ত চারিত্রিক প্রোফাইল বা অবয়ব। সহজ কথায়, একটি ওষুধ সুস্থ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করলে তার মনে ও দেহে সামগ্রিকভাবে যে ধরনের পরিবর্তন বা লক্ষণের সমষ্টি ফুটিয়ে তোলে, তাকেই ওই ওষুধের 'ড্রাগ পিকচার' বলা হয়। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ওষুধের এই চিত্রটিকে রোগীর সামগ্রিক লক্ষণের চিত্রের সাথে মিলিয়ে ওষুধ নির্বাচন করা হয়।
ড্রাগ পিকচারের মূল উপাদানসমূহ:একটি ওষুধের ড্রাগ পিকচার তৈরি করতে মূলত নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়:
মানসিক লক্ষণ (Mental Symptoms): রোগীর মেজাজ, স্বভাব, ভয়, রাগ, বিষণ্ণতা, বা মানসিক চাপ নেওয়ার ক্ষমতা কেমন। (যেমন: কোনো ওষুধে রোগী তীব্র খিটখিটে হতে পারে, আবার কোনো ওষুধে শান্ত ও ক্রন্দনশীল)।
শারীরিক সাধারণ লক্ষণ (Physical Generals): রোগীর শারীরিক গঠন, সে শীতকাতর নাকি গরমকাতর, তার খাবারের পছন্দ-অপছন্দ, ঘুম এবং ঘামের ধরণ কেমন।
নির্দিষ্ট অঙ্গের লক্ষণ (Particular Symptoms): শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে ব্যথার ধরণ কেমন, রোগটি শরীরের ডানপাশে নাকি বামপাশে বেশি আক্রমণ করে ইত্যাদি।
হ্রাস-বৃদ্ধি (Modalities): রোগটি ঠিক কখন বা কীসের কারণে বাড়ে বা কমে। যেমন—ঠাণ্ডা বাতাসে বৃদ্ধি, গরমে আরাম, নাকি নড়াচড়া করলে কষ্ট বাড়ে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?হোমিওপ্যাথির মূল নীতি হলো ‘সদৃশ সদৃশকে আরোগ্য করে’ (Like Cures Like)। একজন চিকিৎসকের কাজ হলো রোগীর বর্তমান শারীরিক ও মানসিক অবস্থার একটি সম্পূর্ণ চিত্র তৈরি করা (Patient's Symptom Picture) এবং হোমিওপ্যাথির মূল বই (Materia Medica)-তে থাকা বিভিন্ন ওষুধের ড্রাগ পিকচারের সাথে তা মিলিয়ে দেখা। যখন রোগীর লক্ষণচিত্র এবং কোনো ওষুধের ড্রাগ পিকচার হুবহু মিলে যায় (Simillimum), তখনই সেই ওষুধটি রোগীকে দেওয়া হয়।
(হোমিওপ্যাথি ডক্টর এম. এল. টাইলারের লেখা "Homoeopathic Drug Pictures" অত্যন্ত বিখ্যাত একটি বই, যেখানে বিভিন্ন ওষুধের চিত্র খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে)
এলোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথি নিয়ে আমার অন্যান্য আর্টিকেল পড়লে আপনি আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।
https://www.drjakir.com/article/article_category.php?category=Homeopathy
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp