[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 1029 বার ]
Category : Kidney, Diet,
কিডনি রোগী কিভাবে নিয়ম করে খাবার খাবেন ?
১। প্রতিদিন সকালে নাস্তা করুন এবং নাস্তা করা বাদ দেয়া যাবে না।
২। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেলার খাবার খেতে হবে। একেকদিন একেক সময় এলোমেলো করে খাবার খাওয়া যাবে না।
৩। বাসায় এবং কর্মস্থলে - নির্দিষ্ট স্থানে বসে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
৪। খাবার খাওয়ার সময় যা করবেন না - টিভি দেখা, মোবাইল চালানো, গল্প করা,
৫। নিরিবিলি পরিবেশে শান্ত হয়ে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবার খাবেন।
৬। দ্রুত পানি পান করবেন না। প্রতি ঢোক পানি মুখে দিয়ে কুলকুচা করে ধিরে ধীরে গিলে খাবেন।
৭। ফাস্ট ফুড চাইনীজ খাবার বাহিরের হোটেল রেস্টুরেন্ট এর খাবার খাবেন না।
৮। সকালের খাবার সকাল ৬-৭ টার মধ্যে খাবেন। যারা ভোরে ঘুম থেকে উঠেন তারা ঘুম থেকে উঠার ৩০ মিনিটের মধ্যে খাবার খাবেন।
আর যারা দেরী করে ঘুম থেকে উঠেন তারা অবশ্যই ৮ টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করবেন।
৯। সকাল ১০ টায় হালকা নাস্তা করুন।
১০। দুপুর ১-২ টার মধ্যে দুপুরের খাবার খান।
১১। সন্ধ্যা ৫ টায় হালকা নাস্তা করুন।
১২। রাত ৭-৮ টায় রাতের খাবার খাবেন।
১৩। জেগে থাকলে রাত ৯.৩০ টায় নাস্তা করুন।
১৪। রাত ১০ টার পর আর জেগে থাকবেন না। সব থেকে ভালো হয়, এশার নামাযের পর ঘুমিয়ে যাওয়া।
১৫। দাঁড়িয়ে খাবার খাবেন না, বা দাঁড়িয়ে পানি পান করবেন না।
নিয়মের বাহিরে চললে, ব্যাতীক্রমী রোগ হওয়া স্বাভাবিক। আবার নিয়ম মেনে চললে, আরোগ্য লাভ করা সম্ভব।
উপরোক্ত বিষয়গুলো - ইন্টারনেট জগতে যেমন ইউটিউব ফেসবুক, গুগলে সার্চ করলে খুঁজে পেতে পারেন, যা রোগিদের উপর কতটা পরীক্ষিত জানা যায় না। কারণ, ইন্টারনেটের বেশীরভাগ কন্টেন্ট লিখা হয় টাকার বিনিময়ে পেশাদার কন্টেন্ট রাইটার দিয়ে, যারা বিভিন্ন স্থান থেকে জোড়া তালি দিয়ে লিখাগুলো লিখে দেয়। তাদের কেউই চিকিৎসক নন। অবশ্য অনেক অভিজ্ঞ চিকিৎসকের লিখা আছে, যা অনেক ভেজালের ভীড়ে হারিয়ে যায়, খুঁজে পাওয়া যায় না।
আমাদের পোস্টে বা ভিডিওতে দেয়া রোগ ও রোগীদের উল্লেখিত তথ্য বা নিয়মগুলো আমাদের রোগিদের উপর দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষিত হয়ে আসছে এবং রিসার্চ অনুসারে নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে।
====================================
# কিডনি রোগীর প্রতিদিনের খাবার তালিকা - কখন খাবেন এবং কি পরিমাণ খাবেন ?
কিডনি রোগিদের জন্য এখনো পর্যন্ত পর্যাপ্ত রিসার্চ ও গবেষনা না থাকায়, এবং বর্তমানে চিকিতসকগণ রোগিদের সময় না দিয়ে মাত্র ১ মিনিটে রোগি দেখায়, একজন কিডনী রোগি তার চিকিৎসকের কাছ থেকে জানতেই পারেন না, তিনি কখন কিভাবে কোন কোন খাবার খেতে পারবেন। আপনি যদি একজন কিডনি রোগী হয়ে থাকেন, তাহলে আমাদের খাদ্য তালিকাটি অনুসরণ করতে পারেন। আলোচ্য খাদ্য তালিকাটি আমার কিডনি রোগিদের উপর দীর্ঘদিন ধরে রিসার্চ করে তৈরী করা হয়েছে। আশাকরি, এই খাদ্য তালিকা অনুসরণ করলে কিডনি রোগিরা ভালো সুফল পেতে পারেন।
আগে জেনে নিই, কিডনি রোগীরা কোন কোন সময় খাবার খাবেন ?
সকাল ৬-৭ টার মধ্যে সকালের খাবার খাবেন। যারা ভোরে ঘুম থেকে উঠেন তারা ঘুম থেকে উঠার ৩০ মিনিটের মধ্যে খাবার খাবেন।
সকাল ১০ টায় হালকা নাস্তা খাবেন।
দুপুর ১-২টার মধ্যে দুপুরের খাবার খাবেন।
বিকাল ৫ টা হালকা নাস্তা খাবেন।
রাত ৭-৮ টায় রাতের খাবার খাবেন।
রাত ৯.৩০ টা হালকা নাস্তা খাবেন।
এবার, জেনে নিই, কিডনি রোগীদের খাবার তালিকা এবং কি পরিমাণ খাবেন ?
কিডনি রোগীর প্রতিদিনের খাবার তালিকা --
সকাল ৬-৭ টার মধ্যে সকালের খাবার
রুটি - ২-৪ টা
সবজি - ১ কাপ
ডিমের সাদা অংশ - ১-২টি
সকাল ১০ টায় হালকা নাস্তা
অথবা ,
রুটি + সবজি / ডিম
দুপুর ১-২টার মধ্যে দুপুরের খাবার
ভাত ২-৩ কাপ
মাছ ১ টুকরা ( ভাজা নয় ), অথবা, মুরগি ১ টুকরা ৫০ গ্রাম
সবজি ১ কাপ
বিকাল ৫ টা হালকা নাস্তা
চিড়া / খই / সুজি - ১ কাপ ( দুধ চিনি ছাড়া)
ডিম ১-২টি
রাত ৭-৮ টায় রাতের খাবার
রুটি - ৩-৪ টা
সবজি ১ কাপ
ডিমের ১-২টি
রাত ৯.৩০ টা হালকা নাস্তা
সাগু ১/২ কাপ Caremeal Renal 3 scoops সহ
১ কাপ পরিমাণ বলতে কতটুকু বুঝায় ?
১ কাপ = ১৫০ মিলি
কিডনি রোগী পানি কতটুকু খাবেন ?
একজন কিডনি রোগী ২৪ ঘন্টায় পানি পান করবেন মাত্র ১-১.৫ লিটার
কিডনি রোগী কি খাবেন ? কি খাবেন না ? এবং কিডনি রোগির খাবার কিভাবে রান্না হবে ? এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কিডনি বিষয়ক আমার আর্টিকেল ও ভিডিও দেখুন। পুর্ণাঙ্গ গাইড লাইন পাবেন।
=====================================
কিডনি রোগী কি কি খাবেন না, বা কি কি খেতে পারবে না, যা কিছু নিষিদ্ধ এবং কেন খাবেন না ? ---------------
পৃথিবিতে প্রতিটি খাবারই নানারকম পুষ্টিগুণে ভরপুর। সাধারণ নিয়ম অনুসারে, একজন রোগীকে বেশী বেশী পুষ্টিকর সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে। কিন্তু বর্তমান গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি খাবারেই পুষ্টিগুণের পাশাপাশি কোন কোন খাদ্য উপাদান অতিরিক্ত মাত্রায় থাকে, এসকল খাদ্য উপাদান রোগীকে আরো অসুস্থ করে তোলে, এছাড়া ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে নানারকম রোগজটিলতা দেখা দিতে পারে। দেখা দিতে পারে কিডনি রোগের মত ভয়াবহ ও দূরারোগ্য রোগ। যেমন, ডাব অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর স্বর্গীয় পানীয়। অথচ এর মধ্যে বেশ কিছু খাদ্য উপাদান অতিরিক্ত মাত্রায় থাকায়, এটি কিডনি রোগীর জন্য একদম নিষিদ্ধ।
মূলত অধিক পটাশিয়াম ও অধিক ফসফরাস যুক্ত খাবার নিষিদ্ধ করা হয়, কারণ, অধিক পটাশিয়াম শরীরে পানি জমে ধরে রাখবে। এতে করে হৃদপিন্ড, ফুসফুস সহ সমস্ত দেহে পানি জমে রোগির নানাবিধ জটিলতা তৈরী করবে। কিডনি বিকল করে দিবে।
অতিরিক্ত ফসফরাস হাড় থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয় এবং হাড় ভঙ্গুর হয়ে যায়। রোগী ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
১। মাটির নীচের সবজি, ও বীচি যুক্ত খাবার না খাওয়া।
২। আলু খাবেন না। মিষ্টি আলু খাবেন না।
৩। ডাল, বাদাম, যে কোন বীচি যেমন সীম মটরশুটি ইত্যাদি নিষিদ্ধ।
৪। ঢেড়শ, ফুলকপি, বাধাকপি, টমেটো, শশা, কচু, কচুর লতি, সজিনা, মটরশুঁটি, বীট, গাজর ইত্যাদি নিষিদ্ধ।
৫। যে কোন ধরনের আচার চাটনি সস যেমন - টমেটো সস, ধনে পাতা ভর্তা, পুদিনা পাতা ভর্তা চাটনি সস, সয়া সস, যে কোন সস, ইত্যাদি নিষিদ্ধ।
৬। পুই শাক, পালং শাক, পাট শাক নিষিদ্ধ।
৭। মাছ - কৈ, মাগুর, শিং, গুড়া মাছ, সামুদ্রিক মাছ, শুটকি মাছ নিষিদ্ধ।
৮। রান্নায় তেল / লাল মরিচ কম খেত হবে।
৯। কাচা সবজি ও সালাদ নিষিদ্ধ।
১০। সারাদিনের রান্নায় ২-৩ গ্রাম লবণ ব্যবহার করা যাবে।
১১। চিকিৎসকের / ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ ছাড়া আর কোন ফল খাবেন না।
১২। বাহিরের কেনা খাবার, ফাস্ট ফুড, বাসী খাবার ইত্যাদি খাবেন না।
১৩। মাছ ভাজা, ডিম ভাজা খাবেন না। ডিম সিদ্ধ খেতে হবে। মাছ সবজির সাথে দিয়ে রান্না হবে।
১৪। প্যাকেটজাত, কৌটাজাত খাবার খাবেন না। চিপস, চানাচুর ইত্যাদি।
১৫। দুধ ও দুধ থেকে উৎপাদিত খাবার। দুধে অধিক পটাসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় এটাও নিষিদ্ধ। অথচ দুধ খুবই উন্নত খাবার।
-----------------------------------------------------------
একজন কিডনি রোগী কখনই খাবেন না ---
১। যে কোন ব্যথার ঔষধ
২। লবন বা নোনতা খাবার
৩। কামরাঙ্গা
৪। ডাব
৫। তরমুজ
৬। আখের রস
৭। এলোভেরা
৮। কলা
৯। লবন
১০। কমলা, মাল্টা, লেবু, টক ফল,
১১। আঙ্গুর, কিসমিস,
১২। খেজুর
কেন খাবেন না ? এই খাবার গুলোতে অতি মাত্রায় পটাশিয়াম সহ এমন কিছু উপাদান আছে যা কিডনি রোগির শরীরে পানি জমা করবে। এবং কিডনি বিকল করে দিবে।
বিদ্রঃ সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, রুটি খেলে সমস্যা হচ্ছে, তাই রুটি খাবেন না, অল্প ভাত খেতে পারেন। আর যাদের সমস্যা হচ্ছে না, তারা রুটি খাবেন।
-----------------------------------------------------------
কিডনি রোগী কি কি খেতে পারবেন ?
১। কম পটাশিয়াম যুক্ত খাবার খাওয়া যাবে।
২। সবজি যা খেতে পারবেন - পেপে, লাউ, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, জালি কুমড়া, পটল, ডাটা, বিচি ছাড়া কচি সীম, ( সবজির বীচি ফেলে দিতে হবে )
৩। নিষেধের বাহিরে শাক সবজি মাছ খাওয়া যাবে অল্প অল্প করে। নিষিদ্ধ শাক - পুই শাক, পালং শাক, পাট শাক। নিষিদ্ধ মাছ - কৈ, মাগুর, শিং, গুড়া মাছ, সামুদ্রিক মাছ, শুটকি মাছ।
৪। ডিম বেশী খাবেন।
৫। আপেল, নাসপাতি, আনারস খাবেন।
৬। বেদানা ডালিম আনার এর বিচি ছাড়া রস,
৭। ১ম দিকের CKD রোগি, যাদের শরীরে পানি জমে না, তারা দুধ খাবেন অল্প মাত্রায়, ১ কাপ দুধে ১ কাপ পানি দিয়ে - ১ কাপ করে ২ বেলায় খাবেন। তবে, ক্রিয়েটিনিন বাড়লে বাদ দিতে হবে। না বাড়লে খাবেন। রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। কিন্তু CKD এর শেষের দিকের স্টেজ ৩, ৪, ৫ এর রোগিরা দুধ খবেন না।
কোন ফল খাবেন কোন সতর্কতার সাথে --
আপেল, নাসপাতি, আনারস, বেদানা ডালিম আনার এর বিচি ছাড়া রস, -- এই ফলগুলো খেয়ে ২ দিন পরপর রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিয়া চেক করে দেখতে হবে - বাড়ে কিনা ? যদি বাড়ে তাহলে খেতে পারবেন না। আর না বাড়লে খেতে পারবেন। এই ফল খাবার প্রয়োজনীয়তা হল, এই ফলে আয়রন আছে, যা আপনার রক্ত বৃদ্ধি বা ধরে রাখতে সাহায্য করবে। কিডনি রোগীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হল, রক্তের লেভেল ধরে রাখা।
ফল খাওয়া নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ, এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন গবেষণা পাওয়া যাচ্ছে না। ইন্টারনেটে যতটুকু তথ্য পাওয়া যায় সেখানে অনেক ভ্রান্তি রয়েছে। তাই অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার।
==================================
কোন খাবারে কি পরিমাণ পটাশিয়াম আছে জেনে রাখুন --- তথ্যসূত্র - উইকিপিডিয়া
লাউ - Gourd - পটাশিয়াম - ৮৭ মিগ্রা
শশা - Cucumber - পটাশিয়াম ১৪৭মিগ্রা
বেগুন - Eggplant - পটাশিয়াম ২২৯ মিগ্রা
মুলা - Radish - পটাশিয়াম ২৩৩ মিগ্রা
টমেটো - Tomatto - পটাশিয়াম ২৩৭ মিগ্রা
করলা - Bitter Gourd - পটাশয়াম ২৯৬ মিগ্রা
গাজর - Carrot - পটাশিয়াম - ৩২০মিগ্রা
মিষ্টি কুমড়া - Pumpkin - পটাশিয়াম ৩৪০ মিগ্রা
মাশরুম - Mushrooms - পটাশিয়াম - ৪৪৮ মিগ্রা
পেপে - Papaya - পটাশিয়াম - ৬৯ মিগ্রা
ফুলকপি - Cauliflower - অজানা
বাঁধাকপি - cabbage - পটাশিয়াম ১৭০ মিগ্রা
ব্রকলি - Broccoli - অজানা
-----------------------------------------------------------
কিডনি রোগির রান্না কিভাবে হবে ?
ধাপ - ১ - সবজি কাটার সময় সমস্ত বিচি ফেলে দিবেন।
ধাপ - ২ - সবজি সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিবে।
ধাপ - ৩ - কড়াইতে ১ চামচ ওলিভ ওয়েল, ১ টি আস্ত পিয়াজ, ১ টি আস্ত কাচা মরিচ, ১ টি আস্ত রসুন দিয়ে এরপর, সবজি দিয়ে দিতে হবে, ডিম বা মাছের টুকরা দিয়ে দিন। সামান্য হলুদ মরিচ ব্যবহার করতে পারেন, অন্য কোন মসলা ব্যবহার করবেন না।
ধাপ - ৪ - ফুটিয়ে নামিয়ে নিন। ভাত রুটির সাথে বা খালি খেতে পারেন।
-------------------------------------------------------------
গবেষণা সীমাবদ্ধতা -
কিডনি রোগীর খাবার নিয়ে অনেক মতভেদ আছে, কি খাবেন আর কি খাবেন না ? তবে সকলেই একমত যে, যে সকল খাবারে উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম ও উচ্চ মাত্রার ক্রিয়েটিনিন থাকে, সেগুলো বর্জন করতে হবে। তাহলে সেই খাবারের তালিকা কি ? এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত সুস্পষ্ট তালিকা পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে খাবার বাদ দিতে দিতে প্রায় সব খাবার বাদ হয়ে যাচ্ছে, যে সকল খাবারে রক্ত তৈরী হয় সেগুলো বাদ হয়ে যাচ্ছে, যেমন দুধ, আপেল, আনার, মাল্টা, বিট, ড্রাগন, কলা ইত্যাদি, ফলে কিডনি রোগী আরো রক্তহীনতায় ও অপুষ্টিতে ভুগছেন। তাই আমাদের দরকার একত্রে অনেকগুলো রোগিকে নিয়ে তাদের বিভিন্ন খাবার দেয়া এবং প্রতিদিন ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করে দেখা যে, - কোন কোন খাবারে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে আর কোন খাবারে ক্রিয়েটিনিন কমে। বাস্তবে কোন প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে এধরনের রিসার্চ নাই। এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন গবেষণা পাওয়া যাচ্ছে না। ইন্টারনেটে যতটুকু তথ্য পাওয়া যায় সেখানে অনেক ভ্রান্তি রয়েছে, যার বেশীরভাগই কোন রিসার্চের ফলাফল নয়। তাই কিডনি রোগীদের খাবারের ব্যাপারে আমাদের অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। অপরদিকে হাসপাতালে ভর্তি থাকলে কোন রোগীকে প্রতিদিন ক্রিয়েটিনিন চেক করা সম্ভব হয়। কিন্তু ব্যক্তি পর্যায়ে কোন রোগীই প্রতিদিন বা ১ দিন পরপর ক্রিয়েটিনিন চেক করতে আগ্রহি নয়। তাই আমি নিজেও ব্যক্তি পর্যায়ের গবেষণায় খুব বেশীদূর আগাতে পারছি না। কেবলমাত্র রোগীদের সহযোগীতা পেলেই আমার এই গবেষণা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
একটি গল্প দিয়ে শেষ করি,
আজ থেকে ৩০ - ৪০ বছর আগে, কারো ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে, খাবার দেয়া হত না, তখন মনে করা হত, খাবার দিলেই পায়খানা বেশী হবে তাই খাবার দেয়া যাবে না। পরবর্তীতে, ১৯৮০ সালের পরের দিকে গবেষনায় আবিষ্কার হল, বেশী বেশী তরল খাবার দিতে হবে এবং সেটা হল, ওরাল স্যালাইন এবং আইভি স্যালাইন। আবিষ্কার হল, SMC এর ওরাল স্যলাইন। ২০০০ সালের পরের দিকে ICDDRB মহাখালিতে কলেরা বা ডায়রিয়ার রোগিদের চালের গুড়ার স্যালাইন এবং কলা পাউরুটি খাবার পরামর্শ সফলতার সাথে শতভাগ ফলপ্রসু কার্যকর।
আশাকরি একদিন এভাবে, কিডনি রোগীর খাবার কি খাবেন আর কি খাবেন না, কারো হাত ধরেই উপযুক্ত খাদ্য তালিকা আবিষ্কার হবে। সে জন্য দরকার, সরকারি ভাবে অনুদান সহায়তা অথবা কোন ধনী চিকিৎসকের সদিচ্ছা, যা দিয়ে অন্তত ১০০ রোগিকে নিয়ে রিসার্চ করা যাবে।
আমার ক্ষুদ্র সক্ষ্মতার সর্বোচ্চ দিয়ে আমি কাজ করে যাচ্ছি, আমার জন্য দোয়া করবেন, আর আপনাদের কোন অভিজ্ঞতা বা রিসার্চ থাকলে আমার সাথে শেয়ার করতে পারেন।
----------------------------------------------------------
এই পোস্টের সমস্ত তথ্য উৎস --
----------------------------------------------------------
১) আমার বিগত দিনের নিরলস নির্ঘুম রিসার্চ,
২) অসংখ্য রোগী দেখার অভিজ্ঞতা,
৩) দীর্ঘদিন অসংখ্য রোগীর রিপোর্ট এনালাইস পর্যবেক্ষণ, রোগীদের আগে/পরের রিপোর্ট এনালাইস।
৪) আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল,
( না বুঝে কেউ কোন প্রকার বিরূপ মন্তব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি কোন কিছু না বুঝলে, সরাসরি আমার চেম্বারে দেখা করুন। )
বিদ্রঃ হোমিওপ্যাথি তে কিডনি সুস্থ হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।
#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে কিডনি চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) এলবুমিন এর ক্ষয় কমানো
৪) ক্রিয়েটিনিন লেভেল কমানো
৫) খাবার চার্ট মেনে চলা।
৬) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।
----------------------------------------------------------
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
ইউটিউবে ---
https://youtube.com/@allmedicin6069
--------------------------------------------------------
বিদ্রঃ এই পোস্টটি রিসার্চ অনুসারে নিয়মিত আপডেট হচ্ছে। তাই নিয়মিত চোখ রাখুন।
সর্বশেষ আপডেট 04-12-2024
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp