[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 69 বার ]
Category : Diet,
ভাতের মাড়ের অজানা উপকারিতা যা জানলে আমাকে ধন্যবাদ দিতে বাধ্য আপনি
গত কয়েক দশকে সারা বিশ্বেই ভাতের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। ওয়াশিংটন ডিসি হোক কী ক্রেমলিন, সুমাত্রা হোক কী সিডনি, বিশ্বের নানা প্রান্তে ভাতকে কেন্দ্র করে নানা পদ তৈরি হচ্ছে এবং নানা ভাষা, নানা জাতির মানুষ তা আনন্দের সঙ্গে গ্রহণও করছেন। কিন্তু সমস্যাটা একটা জায়গাতেই। ভাত তৈরির সময় সবাই একটা ভুল করে ফেলছেন।
কী সেই ভুল? ভাত রান্নার পর মাড়টা দিচ্ছেন ফেলে। ফলে চালের যা গুণাগুণ তার সিংহভাগই সেই পানির সঙ্গে চলে যাচ্ছে। ফলে ভাতের সঙ্গে যে পরিমাণ পুষ্টির আমাদের শরীরে প্রবেশ করা উচিত, তা করছে না। ফলে ভাত খেয়ে শুধু ওজনই বাড়ছে, আর কিছু সুফল মিলছে না।
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শরীর এবং ত্বককে চাঙ্গা রাখতে ভাতের মাড়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এমনকি একাধিক রোগের উপশমেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে ভাতের মাড়।
সূত্র : বোল্ড স্কাই যারা রিসার্চ করেছেন এর উপর। তবে হ্যা, যারা মোটা দেহের মানুষ তারা শুধুমাত্র দুর্বল হলে খাবেন কিন্তু পরিমাণে কম করে যেমন দুই একদিন পর পর। কেননা এটি যেহেতু শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে এবং শক্তি বৃদ্ধি সেক্ষেত্রে
মোটা মানুষ আরো মোটা হয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে চিকন দুর্বল মানুষ প্রতিদিন সকালে অথবা বিকালে গরম ভাতের ফ্যানের সাথে টেস্ট বাড়ানোর জন্য অল্প কিছু ভাত এবং এক চিমটি লবণ দিয়ে প্রতিদিন খাবেন।
একাধিক প্রাচীন গ্রন্থেও এই বিষয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানেও ভাতের ফ্যানকে কাজে লাগিয়ে
এই লেখায়ও আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রাচীন শাস্ত্রকে মিলিয়ে ভাতের ফ্যানের এমন কিছু উপকারিতা প্রসঙ্গে আলোচনা করা হবে, যা পড়তে পড়তে আপনি অবাক হবেনই।
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ভাতের মাড়ে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ, ভিটামিন ই সহ আরও বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান আমাদের শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে আরও নানা কাজে লাগে।
যেমন...
চুলের সৌন্দর্য ও শক্তি বৃদ্ধি করার যাদুকরী ঔষধ বিনামুল্যে-
সপ্তাহে তিনবার গোসলের আগে ভাতের মাড় ভাল করে চুলে লাগান। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর হালকা গরম পানি দিয়ে চুলটা ধুয়ে নিন।
এমনটা করলে চুলের গোড়ায় পুষ্টির অভাব দূর হবে। ফলে চুল পড়া সহ একাধিক স্কাল্প সম্পর্কিত রোগের প্রকোপ কমতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে চুলের উজ্জ্বলতাও বাড়বে।
ত্বককে সুন্দর মসৃণ গ্লাসের মত করার মহা ঔষধ-
ভাতের মাড়কে প্রাকৃতিক টোনারও বলা যেতে পারে। বেশ কিছু কেস স্টাডি করার সময় গবেষকরা লক্ষ করেছেন, প্রতিদিন মুখে ভাতের মাড় লাগিয়ে ম্যাসেজ করলে ত্বকের ছিদ্র ছোট হয়, সেই সঙ্গে স্কিনের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষের আবরণ সরে যায়। ফলে স্বাভাবিকবাবেই ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে। রাতে শুতে য়াওয়ার আগে একটা তুলোর সাহায্যে ভাতের মাড় সারা মুখে লাগিয়ে ভাল করে ম্যাসেজ করে সারা রাত রেখে দিন। সকালে উঠে মুখটা ধুয়ে নিন। এমনটা রোজ করলেই দেখবেন ত্বক নিয়ে আর কোনও চিন্তা থাকবে না।
ব্রণের প্রকোপ কমা্নোর আজব ঔষধ-
প্রতিদিন দুবার করে ভাতের মাড় ভাল করে মুখে লাগালে ব্রণ কমতে শুরু করে। কারণ এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা হ্রাস করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রণ কমে যায়।
ডায়ারিয়ার চিকিৎসায় অসাধারণ ঔষধ -
পানির মতো পায়খানা হয়েই চলেছে? সেই সঙ্গে পেটে এমন ব্যথা যে আত্মারাম খাঁচা হওয়ার যোগাড়! তাহলে এখন থেকেই ভাতের মাড় খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। আসলে পেট খারাপের সময় এক গ্লাস ভাতের মাড়ে অল্প লবণ দিয়ে খেলে শরীরে উপকারী খনিজের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে রোগের প্রকোপ কমতে শুরু করে।
সেক্স করার শক্তি এবং এনার্জির ঘাটতি দূর করবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া -
শরীরচর্চার আগে এক গ্লাস ভাতের মাড় খেলে শরীরে ৮টি উপকারী অ্যামাইনো এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা এক্সারসাইজের সময় পেশির গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ভাতের মাড়ে উপস্থিত কার্বোহাড্রেট এনার্জির ঘাটতি দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর ফলে আপনি শারিরীক ভাবে বেশ এনার্জিটিক অনুভব করবেন সাথে সাথে আপনার যৌন মিলন করার ইচ্ছা বেড়ে যাবে।
বদহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এমন যাদুকরি খাবার-
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ২ গ্লাস করে ভাতের মাড় খাওয়ার অভ্যাস করলে বাওয়েল মুভমেন্টে উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোষ্ঠকাঠিন্যের উপশম ঘটতে শুরু করে।
ডিহাইড্রেশন থেকে মুক্তি পেতে একটি খাবারই যথেষ্ট-
অনেকেই গরমের সময় ডিহাইড্রেশনের সমস্যায় ভোগে। গ্রীষ্মকালে ঘামের মাধ্যমে তরল পদার্থ বাইরে বেরিয়ে যায়, যার কারণে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। ভাতের ফ্যান এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
মৌসুমী রোগ থেকে দূরে রাখে এমন অসাধারণ খাবার-
ভাতের মাড় বিভিন্ন মৌসুমী রোগ থেকে মুক্তি দিতে এবং সংক্রমণ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে। আপনি যদি ক্রমাগত মৌসুমী রোগ - সর্দি, জ্বর, কাশির সমস্যায় ভোগেন তবে নিয়মিত ভাতের ফ্যান পান করুন।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp