
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 3173 বার ]
Category : Cold Allergy, Success,
কোল্ড এলার্জি কি ?
খুব সহজে ঠান্ডা লেগে যায় এবং শীত-গরম সারাবছর হাঁচি, সর্দি, কফ, কাশি লেগে থাকে। কোন রোগীর সহজেই ঠান্ডা লেগে সমস্যা হলে তখন তাকে কোল্ড এলার্জি বলা হয়। এই রোগীদের অনেক সময় বিভিন্ন খাবারে এলার্জি থাকে। অনেকের ধূলাবালিতে এলার্জি থাকতে পারে। আমাদের দেহে কোন রোগের আক্রমণ হলে, দেহের আক্রান্ত অঙ্গ নানাবিধ লক্ষণ প্রকাশ করে আমাদেরকে তা জানান দেয়। আবার আমাদের রক্তের ইমিউনিটি সিস্টেম এই এলার্জির বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে ডেভেলপ করতে থাকে। নিজেকে সংখ্যায় বাড়াতে থাকে।
শরীরের এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অংশ হিসেবে - কারো গলায় টনসিল ফুলে উঠে কারো নাকের পলিপাস দেখা দেয়। এই রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করলে, S. IGE বৃদ্ধি পাওয়া যায়। S. IGE নিজে কোন রোগ নয়। মূলত এলার্জির বিরুদ্ধে ফাইট করতে গিয়ে নিজেকে ডেভেলপ করতে গিয়েই রক্তের মধ্যে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
কোল্ড এলার্জির লক্ষন বা উপসর্গ কি কি ?
হাঁচি - সকালে, ধূলাবালিতে, হাঁচি, ঘুম থেকে উঠলেই হাঁচি, ঠান্ডা বা গরমে হাঁচি,
কাশি - বারোমাস কাশি সমস্যা।
নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস।
জ্বর সর্দি - সারাবছর।
রাতজ্বর, বাতজ্বর, চোরা জ্বর ইত্যাদি
বৃষ্টির পানিতে সমস্যা - বৃষ্টির পানি গায়ে লাগলে এমনকি শুধু পায়ে পানি লাগলেও ঠান্ডা জ্বর লেগে যায়,
শ্বাসকষ্ট, এজমা, হাপানি - নেবুলাইজার, ইনহেলার নিতে হয়।
গলা ব্যথা, গলায় কফ,
মাম্পস, টনসিল বৃদ্ধি পায় - প্রায় সব সময় বা সামান্য ঠান্ডা লাগলেই - মাম্পস টনসিল ফুলে উঠে,
কানপাকা - কান থেকে পুজ পড়ে, কান ব্যথা, কানে কম শুনা,
সাইনোসাইটিস, নাক বন্ধ,
নাকে পলিপাস, নাকে সর্দি, নাকের হাড় বাঁকা, নাকের হাড় বৃদ্ধি।
মাইগ্রেন, মাথাব্যথা
চুলকানি, চর্মরোগ
এই কয়েকটি সমস্যার এক বা একাধিক সমস্যা, প্রায়ই সারা বছর লেগে থাকে বা কয়দিন পরপর দেখা দেয় , তবে উক্ত ব্যক্তি কোল্ড এলার্জি সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের এলোপ্যাথি বা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এর কাছে গেলে তারা কেবল মাত্র সু নির্দিষ্ট একটি সমস্যার চিকিৎসা দেয়। যেমন টনসিল কেটে ফেলা, পলিপাস এসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া, নাকের হাড় অপারেশন ইত্যাদি। বাস্তবে এ সবই ভুল চিকিৎসা । সঠিক চিকিৎসা হল, কোল্ড এলার্জির চিকিৎসা। যা এলোপ্যাথিতে নাই। আর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মধ্যে হাজারে ১ জন এই চিকিৎসা বুঝে। কারণ, এর জন্য বুঝতে হবে মায়াজম, জানতে হবে উপযুক্ত ঔষধ ও চিকিৎসা প্রটোকল।
কারণঃ
১। বংশগত কারণে কোল্ড এলার্জি হয় বলে দেখা গেছে। রোগির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে জানা যায়, বাবা-মা, নানা-নানী, দাদা-দাদি, চাচা-ফুফু, মামা-খালা ইত্যাদি রক্ত সম্পর্কের কেউ না কেউ জটিল কোল্ড এলার্জি তে ভুগছে। কারো দেহে প্রকট আবার কারো দেহে আংশিক বা প্রচ্ছন্ন ভাবে অবস্থান করে। দেখ গেল যে, দাদার আছে, বাবার নাই, আবার নাতির হয়েছে। একই পরিবারে সব ভাই বোনের থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে।
২। গরম - ঠান্ডা পরিবেশ বা শীতকালে বেশী দেখা দেয়।
৩। রক্তে এলার্জির কারনে হতে পারে।
৪। রক্তে S. IGE, Eosinophil বৃদ্ধি পায়।
৫। কিছু খাবার যেমন - গরু, হাঁসের মাংস, হাঁসের ডিম, চিংড়ী মাছ, কাকড়া, বোয়াল মাছ, বেগুন, দুধ ইত্যাদি খেলে রক্তে এলার্জি বৃদ্ধি পায়। আবার শ্বাসনালীর মাংসপেশীতে খিচুনি হয়ে বাতাস চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে অনেকের এজমা দেখা যায়। খাবারের ক্রিয়া দূর হলে আবার ভাল হয়ে যায়।
৬। অনেক সময় ধূলাবালি বা গৃহপালিত পশু-পাখির লোম নিঃশ্বাসের সাথে নাকে প্রবেশ করলে প্রদাহ হয়ে শ্বাসনালী সরু হয়ে এজমা হয়।
৭। অত্যাধিক ঠান্ডায় - নাকে ইনফেকশন হয়ে, নাকের নরম ঝিল্লি বৃদ্ধি পায় তখন তাকে নাকে পলিপাস বলে।
৮। শরীরের ঠান্ডা সহ্য করার মত ক্ষমতা না থাকলে, ইমিউনিটি সিস্টেম ডেভেলপ করতে গিয়ে বিভিন্ন হরমোনাল গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি পায়। যেমন - মাম্পস, টনসিল। তখন আমরা মনে করি এরা নিজেরাই এক একটি রোগ। আসলে এরা কেউই রোগ নয়, এরা হল, কোল্ড এলার্জির একেকটি উপসর্গ।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সফলতা ?
আমার প্রতিটি রোগিতে ১ম সপ্তাহ বা ১ম মাস থেকেই ফলাফল পাওয়া যায়। তবে ৬-১০ মাসে সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে যায়, সারা জীবনের জন্য।
হোমিওপ্যাথিতে কোন চিকিৎসক যদি আপনাকে শুধুমাত্র টনসিল, শুধু পলিপাস, শুধু মাইগ্রেন, শুধু সাইনাস ইত্যাদি চিকিৎসা দেয়, নিশ্চিত জেনে রাখুন তিনি অদক্ষ এবং তার এ বিষয়ে লেখাপড়া নাই।
আপনাকে কোল্ড এলার্জির জন্য ধাতগত উপযুক্ত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হলে, আপনি আরোগ্য লাভ করবেন। আর তাই, আমি আলাদাভাবে টনসিল, পলিপাস সাইনাস এভাবে চিকিৎসা না দিয়ে, ধাতগত সমস্যা ধরে চিকিৎসা দিয়ে থাকি, ফলে কোল্ড এলার্জির এক বা একাধিক যে সমস্যাই থাকুক না কেন, একদম গোড়া থেকে নির্মূল হয়ে যায় সারা জীবনের জন্য।
আমার যে সব রোগী বৃষ্টিকে ভয় পেতেন, তারা এখন বৃষ্টিতে গোসল করেন।
হোমিওপ্যাথি কাজ করে বুঝবেন কিভাবে ? চিকিৎসা প্রসিডিউর কি ?
আপনি যদি পিউর হোমিওপ্যাথ হতে চিকিৎসা নেন, তাহলে, টনসিল , পলিপাস এসব ভালো হবার আগে আপনার ঠান্ডা জনিত সমস্যা চলে যাবে। অর্থাৎ, আপনার কোল্ড এলার্জি ভালো হয়ে টনসিল পলিপাস ভালো হয়ে যাবে।
চিকিৎসা পরামর্শঃ
দীর্ঘস্থায়ী পুরাতন হাঁপানী রোগীদের নিরাশ হওয়া উচিত নয়। এলোপ্যাথি চিকিৎসায় যদিও সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করার ক্ষমতা নাই। তবে আশার কথা হচ্ছে এই যে, যে সকল কারণে হাঁপানী হয় তা এড়িয়ে চললে এবং ধৈর্য্য ধরে বেশ কিছু দিন হোমিও চিকিৎসা নিলে রোগী ১০০ % আরোগ্য লাভ করে থাকে। কিন্তু বাস্তব সত্য হচ্ছে, রোগিরা বছরের পর বছর জীবনভর এলোপ্যাথি চিকিৎসা করলেও ধৈর্য্য নিয়ে কয়েক মাস হোমিও চিকিৎসা নেয় না। জরূরী ক্ষেত্রে এলোপ্যাথি চিকিৎসার বিকল্প নেই, যেখানে রোগীর প্রান সংশয় সম্ভাবনা থাকে। তবে হ্যাঁ, উপযুক্ত হোমিও চিকিৎসক পেলে জরূরী মুহুর্তে এলোপ্যাথির তুলনায় হোমিওপ্যাথি ম্যাজিক দেখাবে। অব্যর্থ হোমিও এ ক্ষেত্রে আপনার ইমার্জেন্সি সহায়ক হতে পারে। আমার হোমিওপ্যাথি ঔষধে ১০ মিনিষ্টে শ্বাসকষ্ট দূর হয়ে যায়। আর ২ ঘন্টার মধ্যে বুকের সমস্ত কফ বেরিয়ে যায়।
রোগির শ্বাসকষ্ট হওয়া মাত্রই দরকার মত অক্সিজেন বা নেবুলাইজার দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে অনেক এলোপ্যাথি হোমিওপ্যাথি ঔষধ আছে জরুরি মুহুর্তে ও এর পরবর্তী সময়ে সেবনে আরোগ্য লাভ করা যায়। এর জন্য ভাল মেডিসিন চিকিৎসক দরকার।
ক্রনিক রোগে সমস্যা কখনো বেশী কখনো কমে যায়, কখনও চলতেই থাকে - ডাক্তার দেখানো হয়েছে অনেক অ্যান্টিবায়োটিক, মোনাস, ইনহেলার, নেবুলাইজার ইত্যাদি চলে সমস্যা বাড়ে কমে আবার শুরু হয়।
একমাত্র হোমিওপ্যাথি তে চ্যালেঞ্জ নিয়ে স্থায়ী সমাধান নিতে যোগাযোগ করুন।
---------------------------------------------------------
#কিছু কমন প্রশ্ন-উত্তরঃ
---------------------------------------------------------
১) টনসিলাইটিস বা কোল্ড এলার্জির চিকিৎসার জন্য আমি কখন হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেতে পারব ?
উত্তরঃ রোগের যে কোন অবস্থায় - আপনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে পারেন।
২) আমার টনসিল অল্প বৃদ্ধি পেয়েছে বা অনেক বেশী বড় হয়ে গলা বন্ধ হয়ে গেছে, হোমিও চিকিৎসায় কাজ হবে ?
উত্তরঃ যত দ্রুত হোমিও চিকিৎসা, নিবেন তত দ্রুত আরোগ্য।
৩) আমাকে অপারেশন করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, হোমিও তে কি কাজ হবে ?
উত্তরঃ অবশ্যই, কাজ হবে। অপারেশন করার আগে অন্তত একটু হোমিও চিকিৎসা নিয়েই দেখুন। আপনাকে আর অপারেশন করতে হবে না। ইনশাআল্লাহ।
৪) আমি অপারেশন করেছি, তবুও ভালো হয় নাই, আমি কি হোমিও চিকিৎসা নিতে পারব ?
উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। কোল্ড এলার্জি ঠিক হয়ে যাবে।
৫ ) আমার মাঝে মাঝে জ্বর জ্বর লাগে -- কেন ?
উত্তরঃ কোল্ড এলার্জির রোগীদের চাপা জ্বর থাকে। এটাও ভালো হয়ে যাবে।
৬ ) আমার নাকের হাড় বেড়ে গেছে, অপারেশন করতে বলেছে, এটা কি হোমিওতে ভাল হবে ?
উত্তরঃ হোমিওতে ১০০% ভালো হয়ে যাবে।
৭) কোল্ড এলার্জি বুঝার জন্য টেস্ট কি ?
উত্তরঃ S. IGE, যদিও প্রায়ই রিপোর্ট ভুল আসে।
৮) এলোপ্যাথি ঔষধ এর সাথে কি হোমিও ঔষধ খাওয়া যাবে ?
উত্তরঃ খাওয়া যাবে, কোন সমস্যা নাই।
৯) আমি জীবনে হোমিও খাই নাই, আমাকে কি হোমিও ঔষধে কাজ করবে ?
উত্তরঃ কাজ করবে, কোন সমস্যা নাই।
১০) আমাকে অমুক তমুক বলেছে, এলোপ্যাথি আর হোমিওপ্যাথি একসাথে খেলে দুইটায় মারামারি করে একটাও নাকি কাজ করবে না - এটা কি সত্য ?
উত্তরঃ কথাটি সত্য নয়, এটা মুলত আগেকার আমলের চিকিৎসকদের কুসংস্কার। আমি প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিও ঔষধ সেবন করিয়ে ভালো ফলাফল পাচ্ছি, এমনকি এন্টিবায়োটিকের পাশাপাশি হোমিও ঔষধ সেবন করিয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে, প্রমাণিত। এক সময় রোগী ভালো হতে থাকলে, অন্যপ্যাথির ঔষধের ডোজ কমতে থাকে, হোমিও ঔষধের ডোজ বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে, অন্য ঔষধ বাদ হয়ে যায়, শুধু হোমিওপ্যাথি চলতে থাকে।
১১) হোমিওপ্যাথিতে টনসিল কি ভালো হয় ?
উত্তরঃ ১০০% সম্পুর্ণ আরোগ্য লাভ হয়।
১২) টনসিল ভালো হতে কতদিন সময় লাগবে ?
উত্তরঃ এটা নির্ভর করবে, আপনার ইমিউনিসিস্টেম এর কর্ম দক্ষতা মানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশী ক্ষতিগ্রস্থ থাকবে, তত বেশী সময় লাগবে। তাই, সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। আনুমানিক, ১-৬ মাস বা তার বেশী সময় ধরে চিকিৎসা নিতে হয়।
১৩) ওরে বাপরে, এতো সময় নিয়ে এত ধিরে হোমিও কাজ করে ?
উত্তরঃ যে খানে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এই সমস্যায় ভুগতে হয়, সেখানে ১-৬ মাস যদি আপনার কাছে অনেক বেশী সময় মনে হয়, তাহলে আমার কিছুই বলার নাই। আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন, আপনি সারাজীবন কষ্ট ভোগ করবেন নাকি, কয়েকটা মাস চিকিৎসা নিবেন। যেখানে আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর কোন চিকিৎসা নাই, সেখানে লেটেস্ট প্রযুক্তির হোমিওপ্যাথি তে আপনি মাত্র কয়েক মাসে সুস্থ হতে পারছেন। এটাই অনেক প্রাপ্তি।
১৪) হোমিও ঔষধ কীভাবে কাজ করে ?
উত্তরঃ হোমিওপ্যাথি মেডিসিন, আপনার দেহের ইমিউনিসিস্টেম কে ডেভেলপ করবে অর্থাৎ, আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এরপর, আপনার ঠান্ডা সমস্যার সমাধান করবে। এর মাঝেই টনসিল আরোগ্য হবে।
১৫) আমাকে নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ বলেছেন, টনসিল বড় হয়ে গেছে, পুঁজ হয়ে গেছে, পেকে গেছে, - অপারেসন করতে বলেছে, এটা কি সত্যি যে, এভাবে পুঁজ হয়, পেকে যায় ?
উত্তরঃ এটা সত্যি। দীর্ঘদিন ধরে টনসিলের ইনফেকশনের কারণে পুঁজ হয় পেকে যায়, গর্ত হয়ে যায়, ইত্যাদি। এটা দীর্ঘদিনের ইনফেকসনের ফলাফল। অন্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় এই বিষয়গুলো নিয়ে রিসার্চ করে এখনো পর্যন্ত কার্যকরি কোন ঔষধ আবিশকার হয় নাই, তাই তারা এটাকে অপারেসনের পরামর্শ দিয়ে থাকে। যা সম্পুর্ণ ভুল চিকিৎসা পদ্ধতি।
১৬) আমি এক হোমিও চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম, তিনি আমাকে জার্মানি টনসিলের ঔষধ দিয়েছেন, তবুও ভালো হয় নাই - কেন ?
উত্তরঃ টনসিলের ঔষধ নামে যে ঔষধ, সেটা একটা অস্থায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা মাত্র। এতে কারো উন্নতি হতেও পারে নাও হতে পারে। উক্ত চিকিৎসক আপনাকে নগদ চিকিৎসা দিয়েছেন মাত্র। তাই ভাল হয় নাই। আপনার জন্য প্রয়োজন, ধাতগত মায়াজম ভিত্তিক কোল্ড এলার্জির পুর্ণাংগ চিকিৎসা। যারা অস্থায়ী চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসা বুঝেন না বিধায় সাময়িক উপশমকারি কিছু ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করছেন। এটা হোমিওপ্যাথির ব্যর্থতা নয়। এটা উক্ত চিকিৎসকের ব্যর্থতা। আর একজন চিকিৎসকের ব্যর্থতা দিয়ে কখনোই সুপ্রতিষ্ঠিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে মূল্যায়ন করা যাবে না।
১৭) আমি কখন একজন হোমিও চিকিৎসক পরিবর্তন করব ?
উত্তরঃ একজন দক্ষ হোমিও চিকিৎসকের নিকট থেকে চিকিৎসা নিলে, শুরু থেকেই আপনি আপনার অগ্রগতি বুঝতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে পুরাতন রোগে কয়েক মাস সময় দেয়া যেতে পারে। এতে আরোগ্য না হলে, আপনি চিকিৎসক পরিবর্তন করুন।
১৮) আমি কখন বুঝব, আমি সঠিক হোমিও চিকিৎসা পাচ্ছি না, বা চিকিৎসক ত্যাগ করা জরুরী ?
উত্তরঃ কোন চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে যখন দেখবেন, হোমিওপ্যাথি, এলোপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, কবিরাজি, হার্বাল ইত্যাদি বাহারি সিরাপ শোভা বর্ধন করছে, তখনই উক্ত চিকিৎসক বর্জনীয়।
১৯) হোমিও চিকিৎসক শুধু পানি দিচ্ছেন, এটা তে কি রোগী ভালো হবে ?
উত্তরঃ রেক্টিফাইড স্পিরিট বা এলকোহল এর ক্ষতি এড়াতে একজন বিবেকবান চিকিৎসক ভালো ফলাফলের জন্য ডিস্টিলড ওয়াটারে ঔষধ মিশিয়ে দিয়ে থাকেন। এটাকে সাধুবাদ জানাবেন। চিকিৎসক কি দিচ্ছেন, সেটা জরুরী নয়, আপনার আরোগ্য লাভ জরুরী। তবে সচেতনতার স্বার্থে বড় বড় সিরাপের বোতল থেকে দূরে থাকুন।
২০) কোল্ড এলার্জি চিকিৎসার জন্য কি কি টেস্ট করতে হয়?
উত্তর:
CBC,
S. IGE,
CRP,
এই ৩ টি রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট প্রয়োজন হয়।
( এই পোস্টে মেডিক্যাল টার্ম বাদ দিয়ে সাধারনের উপযোগী করে লিখা হয়েছে। না বুঝে কেউ কোন প্রকার বিরূপ মন্তব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি কোন কিছু না বুঝলে, সরাসরি আমার চেম্বারে দেখা করুন। )
বিদ্রঃ হোমিওপ্যাথি তে কোল্ড এলার্জি আরোগ্য হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।
#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
https://allmedicin.com/article_am.php
https://youtube.com/@allmedicin6069
https://youtube.com/@drjakirhossainmashud
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp