[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 82 বার ]
Category : Kidney,
CKD রোগীর শেষের দিকে ক্রিয়েটিনিন নিয়ন্ত্রণে না আসার কারণ এর ব্যাখ্যা -
অতিরিক্ত ক্রিয়েটিনিন শরীরে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করে থাকলে সেটা দেহের কোষের ভাংগন ত্বরান্বিত করে, আরো বেশি ক্রিয়েটিনিন উৎপাদন করতে থাকে।
যেমন,
নদীর পাড় একটু ভাংগলে সেখানে বাধ দিলে আর ভাংগে না। কিন্তু বাধ দেয়া না হলে, সেই ভাংগা পাড় আরো ভাংগতে থাকে। এক সময় আশেপাশের কয়েক গ্রাম ভেংগে নিয়ে যায়। সে সময় আপনি বাধ দিতে গেলেও সেই বাধ কাজে লাগে না। তখন বাধ সহ তলিয়ে যায়।
ফলে,
১) প্রস্রাবের সাথে প্রচুর এমনকি স্বাভাবিক এর তুলনায় বেশি পরিমাণে ক্রিয়েটিনিন নির্গত হবার পরেও রক্তে ক্রিয়েটিনিন কমে না।
২) শেষের দিকে একই দিনে একাধিকবার ডায়ালাইসিস করেও ক্রিয়েটিনিন লেভেল ১৫-১৬ এর নীচে নামে না। এবং রোগী মারা যায়। কারণ এখানে, রক্তে খুব দ্রুত গতিতে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে। এখানে কিডনির কার্যকারিতার কোন ভুমিকা থাকে না।
৩) এর মধ্যে কিছু রোগী আছে, যাদের কিডনি দিয়ে ক্রিয়েটিনিন বের হয় না। আয়নিক চার্জ এর অফসেট কার্যক্রম এর কারণে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কিডনির আয়নিক চার্জ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। কারণ, কোন হোমিওপ্যাথি বইয়ে এ বিষয়ে কোন তথ্য নাই। আর এলোপ্যাথি চিকিৎসকদের মধ্যেও খুব অল্প চিকিৎসক এটা জানেন। কারণ, এটা খুব সাম্প্রতিক সময়ের রিসার্চ। আর, জানলেও কিছু করার নাই। কারণ, এটা ঠিক করার ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই।
পরিশেষে, হোমিওপ্যাথি একমাত্র সমাধান।
উপরোক্ত তথ্যাবলী, ঢাকা মেডিকেলে কলেজ এর কিডনি ইউনিট, শ্যামলী সিকেডি হাসপাতাল, মিরপুর কিডনি ফাউন্ডেশন - সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা, জীবিত ও কিডনি রোগে মৃত অসংখ্য রোগীদের যাবতীয় চিকিৎসা নথি ও তাদের সার্বিক চিকিৎসা নিয়ে আমার নিজস্ব রিসার্চ।
=============================
----------------------------------------------------------
এই পোস্টের সমস্ত তথ্য উৎস --
----------------------------------------------------------
১) আমার বিগত দিনের নিরলস নির্ঘুম রিসার্চ,
২) অসংখ্য রোগী দেখার অভিজ্ঞতা,
৩) দীর্ঘদিন অসংখ্য রোগীর রিপোর্ট এনালাইস পর্যবেক্ষণ, রোগীদের আগে/পরের রিপোর্ট এনালাইস।
৪) আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল,
( না বুঝে কেউ কোন প্রকার বিরূপ মন্তব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি কোন কিছু না বুঝলে, সরাসরি আমার চেম্বারে দেখা করুন। )
বিদ্রঃ হোমিওপ্যাথি তে কিডনি সুস্থ হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।
#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে কিডনি চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) এলবুমিন এর ক্ষয় কমানো
৪) ক্রিয়েটিনিন লেভেল কমানো
৫) খাবার চার্ট মেনে চলা।
৬) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।
----------------------------------------------------------
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
ইউটিউবে ---
https://youtube.com/@allmedicin6069
--------------------------------------------------------
বিদ্রঃ এই পোস্টটি রিসার্চ অনুসারে নিয়মিত আপডেট হচ্ছে। তাই নিয়মিত চোখ রাখুন।
সর্বশেষ আপডেট 22-06-2023
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp