[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 111 বার ]
Category : Kidney,
কিডনি রোগী দুই নৌকায় পা দিবেন না - কেন?
আপনি কিডনি রোগীর জন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার পাশাপাশি এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিতে থাকলে, লাভের থেকে বিপদ বেশি হবে। কারণ, এলোপ্যাথি ঔষধ খেয়ে আজ পর্যন্ত কোন কিডনি রোগী ভালো হয় নাই এবং কিডনি আরো ড্যামেজ হয়ে যায়। এই সত্য কথা এলোপ্যাথি চিকিৎসক কখনোই আপনাকে বলবে না। যত বড় কিডনি বিশেষজ্ঞ হোক, আর আপনি যতই চিকিৎসক পাল্টাবেন লাভ নাই। কারণ, কিডনি বিশেষজ্ঞ নিজে কোন ঔষধ বানাতে পারে না, বাজারে যেই ঔষধ পাওয়া যায়, তিনি আপনাকে সেটাই দিবে। এর বাহিরে কিছু করার উপায় নাই।
এখন কথা হল, হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেয়ে যতটুকু উন্নতি হবে। এলোপ্যাথি ঔষধ খেয়ে আরো বেশি ক্ষতি হবে।
আপনাকে বুঝতে হবে, এলোপ্যাথি ঔষধ খেয়ে যদি ভালো হইতেন তাহলে তো আর হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেতে হত না।
অনেক রোগী, আমাকে না জানিয়ে নিজে নিজে হোমিও ওউষধের পাশাপাশি এলোপ্যাথি ডাক্তার এর ঔষধ খেয়ে ভালোর দিকে যাওয়া কিডনি আরো বেশী ড্যামেজ করে নিয়ে আসে।
তাই অনুরোধ থাকবে, আমার কাছ থেকে চিকিৎসা কালীন, এলোপ্যাথি কোন ঔষধ খেতে পারবেন সেটা আমি নিজেই আপনাকে ম্যানেজ করে দিব। এ ব্যাপারে আমার দীর্ঘদিনের সেলফ স্টাডি আছে।
এবার একটি বাস্তব ঘটনা উল্লেখ করি,
ঢাকা পোস্তগোলা থেকে জাহানারা বেগম নামে এক কিডনী রোগী আসতেন আমার কাছে, যার ACR = 4000, PCR = 750 ছিল এবং মাত্র ৪ মাসের চিকিৎসায় ACR = 822, PCR = 287 হয়ে আসে।
এদিকে ওনারা কিডনি প্রফেসর কাম*** নামের একজন চিকিৎসক কে দেখাচ্ছিলেন। এই চিকিৎসক ঢাকায় নামকরা প্রফেসর, তবে বাস্তবতা হল, উনি সহ ঢাকার নামকরা সব কিডনি চিকিৎসক এর রোগী আমি প্রতিনিয়ত পাচ্ছি।
আমি প্রতিমাসে ACR, PCR টেস্ট করাতাম যা ওনারা উক্ত চিকিৎসক কে দেখাতেন, এবং তিনি খুব বিরক্ত হতেন, কারণ এই টেস্ট উনি দিতেন না।
কেন দিতেন না?
আসলে কোন এলোপ্যাথি চিকিৎসক এই টেস্টগুলো দেন না। কারণ এই টেস্ট করালে আপনি যখন রিপোর্ট অনুসারে ঔষধ চাইবেন, তিনি তখন দিতে পারবেন না। কারণ, প্রস্রাবের এলবুমেন প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া আটকাতে এলোপ্যাথি তে কোন ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই। এটাকে প্রস্রাব ইনফেকশন বলে এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। সারা বিশ্বে একই চিকিৎসা।
একদিন চিকিৎসক জিজ্ঞেস করলেন যে, আমি তো এই টেস্ট দেই নাই, আপনারা কেন করছেন? রোগির লোকেরা জানাল তাদের এক পরিচিত ভাই এর পরামর্শ নিয়ে করছেন। তারা যে হোমিওপ্যাথি খাচ্ছে, এবং হোমিওপ্যাথি তেই এটা কমেছে, এটা চিকিৎসক কে জানান নি। এবার ৪ মাস পর যখন ACR, PCR কমে আসল, চিকিৎসক ভেবে নিলেন যে অনার এলোপ্যাথি ঔষধে তা কমে গিয়েছে, এবং তিনি আরো কমার জম্য Ceftron 1gm Inj ১৪ দিনে ১৪ টি দিতে বলেন। এ সময়, রোগির লোকেরা আমাকে না জানিয়ে এই ইনজেকশন দেয়। এবং বেশ কিছুদিন আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখে। বেশ কিছুদিন পর এবার তারা নিজেরাই আবার টেস্ট করে আমাকে হটসএপে রিপোর্ট দিয়ে কাচুমাচু করতে থাকে যে , এগুল বাড়ল কেন ? তারা আমার কাছে আবার ঔষধ কুরিয়ার করে দিতে বলল।
আমার তো মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরল। আমি তাদের বললাম যে, আমি ঔষধ দিব না, রোগি আর আগের পরের সকল কাগজ সহ দেখা করার জন্য বললাম।
তারা আমার চেম্বারে আসার পর আমি সকল কাগজ দেখে কিছু খুজে পেলাম না। এরপর তাদেরকে বললাম, আপনারা আমার সাথে কিছুদিন যোগাযোগ রাখেন নি। গত কয়েকদিনে এমন কিছু কি আছে যা আমি জানি না, বা আপনারা এমন কোন ঔষধ বা ইনজেকশন নিয়েছেন কিনা - যা আমি জানি না ?
রোগীর স্বামী, প্রেসক্রিপশনের অপর পাতা উলটে দেখালো যে, এলবুমেন কমে যাওয়া দেখে আরো কমার জন্য ১৪ দিনে ১৪ টা ইনজেকশন দেয়ার পর ওনারা টেস্ট করে দেখে রোগী আবার খারাপের দিকে।
যাই হোক, আমি আর ঔষধ দিতে চাই নাই। পরে অনেক রিকুয়েস্টে এর পরে ঔষধ দেই। এবং পরবর্তী ১ মাসেই আবার কমতে থাকে এবং রোগি ভালোর দিকে যেতে থাকে। তথাপি তারা মাত্র ১ মাস ঔষধ খাবার পর আর যোগাযোগ রাখে নি।
============================
----------------------------------------------------------
এই পোস্টের সমস্ত তথ্য উৎস --
----------------------------------------------------------
১) আমার বিগত দিনের নিরলস নির্ঘুম রিসার্চ,
২) অসংখ্য রোগী দেখার অভিজ্ঞতা,
৩) দীর্ঘদিন অসংখ্য রোগীর রিপোর্ট এনালাইস পর্যবেক্ষণ, রোগীদের আগে/পরের রিপোর্ট এনালাইস।
৪) আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল,
( না বুঝে কেউ কোন প্রকার বিরূপ মন্তব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি কোন কিছু না বুঝলে, সরাসরি আমার চেম্বারে দেখা করুন। )
বিদ্রঃ হোমিওপ্যাথি তে কিডনি সুস্থ হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।
#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে কিডনি চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) এলবুমিন এর ক্ষয় কমানো
৪) ক্রিয়েটিনিন লেভেল কমানো
৫) খাবার চার্ট মেনে চলা।
৬) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।
----------------------------------------------------------
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
ইউটিউবে ---
https://youtube.com/@allmedicin6069
--------------------------------------------------------
বিদ্রঃ এই পোস্টটি রিসার্চ অনুসারে নিয়মিত আপডেট হচ্ছে। তাই নিয়মিত চোখ রাখুন।
সর্বশেষ আপডেট 23-01-2024
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp