
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 56 বার ]
Category : Fever
এর অন্য নাম আন্ত্রিক জ্বর। কারণ, এই রোগে প্রধানত অন্ত্র আক্রান্ত হয়। একে সান্নিপাতিক জ্বরও বলা হয়। ব্যাসিলাস অব ইবার্থ ( Bacillus of Eberth ) বা স্যালমোনেলা টাইফোসা ( Salmonella Typhosa ) নামক এক প্রকার জীবাণু দ্বারা এই জ্বরের উৎপত্তি হয়। এটি সংক্রামক রোগ। যুবক বয়সেই বেশী হয়ে থাকে।
মানবদেহ এই রোগের মূল উৎস। টাইফয়েড রোগ ব্যাসিলাস
টাইফোসাস দ্বারা ও প্যারাটাইফয়েড রোগ এ.বি. ব্যাসিলাস প্যারাটাইফোসাস দ্বারা
মানবদেহে সংক্রামিত হয়। আক্রান্ত রোগীর মল-মূত্র স্বারা বিভিন্ন যায়গায় পানি
জীবাণু দুষ্ট হয়। এবং যেভাবেই হোক এই দূষিত পানি মানবদেহে প্রবেশ করলে রোগের
সৃষ্টি হয়। কাঁচা ফলমূল, পানি, দুধ, আইসক্রীমের মাধ্যমে ঐ জীবাণু মানবদেহের
ক্ষুদ্র অন্ত্রে বাসা বাঁধে এবং ঐ স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। জীবাণুগুলির দেহ হতে টক্সিন নামক এক প্রকার পদার্থ রক্তে
মিশে জ্বরের সৃষ্টি করে। রোগীর হাত পা কাঁপে, কারো কারো পেট খারাপ থাকে, পেট ফাঁপে
কিংবা প্রস্রাব বন্ধ হয়। এই অবস্থাকে প্রকৃত টাইফয়েড বলে। প্যারাটাইফয়েড জ্বরে এমন
প্রকাশ হয় না। টাইফয়েড এ Step Ladder Like জ্বরে উঠে, কিন্তু
প্যারাটাইফয়েডে অনিয়মিত জ্বর উঠে।
লক্ষণঃ
১। রোগীর জ্বর ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
২। প্রথম দিন রোগী সামান্য ব্যাথা অনুভব করে এবং কাজে
অস্বস্থি প্রকাশ করে।
৩। জ্বর সকালে কমে কিন্তু পূর্বের তূলনায় বেশী হয়। তবে
৩/৪ দিন পরে শরীরের তাপমাত্রা ১০২° ডিগ্রী পর্যন্ত
বৃদ্ধি পায়।
৪। নাড়ীর স্পন্দন জ্বর বৃদ্ধির অনুপাতে কম হয়। ১০২° বা ১০৩° ডিগ্রী জ্বরে নাড়ির গতি অত্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার কথা, টাইফয়েড জ্বরে প্রতি মিনিটে ৯৯ হতে ১০০ এর মধ্যে হয়।
৫। জিহ্বার মধ্যভাগের পিছনে সাদা দাগ পড়ে, সামনে এবং পার্শ্বে
পরিষ্কার থাকে এবং লাল হয়। তবে সব সময় তা হয় না। টাইফয়েডে আক্রান্ত রোগীর পেটের গন্ডগোল বেশী হয়, কিন্তু প্যারাটাইফয়েডে আক্রান্ত রোগীর কোষ্টকাঠিণ্য বেশী থাকে।
৬। রক্ত পরীক্ষায় Lymphocyte বেশী দেখা যায়।
৭। টাইফয়েডে কারো কারো পাতলা পায়খানা হয়। কিন্তু
প্যারাটাইফয়েডে কোষ্ঠ কাঠিণ্য হেতু ৪/৫ দিন মলত্যাগ হয় না। আবার ৫/৬ দিন পরে আপনা
আপনি মলত্যাগ হয়।
৮। টাইফয়েড বা প্যারাটাইফয়েড জ্বরে চিকিৎসা না করলে
৭/১৪/২১/২৮ দিনে জ্বর ছাড়তে পারে।
৯। চতুর্থ সপ্তাহে অনেক সময় রোগী কালো পায়খানা করে, রোগী
খুব দুর্বল হয় এবং হার্টফেল করার সম্ভাবনা থাকে।
১০। ঐ সময় রোগীর অস্থিরতা ভাব, নাড়ী দ্রুত, প্রলাপ,
চীৎকার, হাত-পা ঠান্ডা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
১১। অনেক সময় চিকিৎসার পরে রোগী আরোগ্য হলে পুনরায়
আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। তবে প্রথম বারের তুলনায় দ্বিতীয় বার রোগ তেমন কঠিন
আকার ধারণ করে না। কিন্তু পূর্ব হতে রোগী দূর্বল হয় বলে সেদিকে চিকিৎসককে খেয়াল
রাখতে হবে। জ্বরের গতি বেশী হওয়ার জন্য রোগী ভুল বকে ।
১২। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে পরিষ্কারভাবে টাইফয়েড রোগ ধরা
পড়ে।
১৩। Widal Test করলে ভাল হয়। সেই অনুসারে চিকিৎসা দেয়া দরকার।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp