[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 63 বার ]
Category : Fever
জীবানুতত্ত্ববিদগণ বলেন, “প্লাজমোডিয়াম” নামক
এক প্রকার প্রটোজোয়া মানব দেহে ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এই রোগের প্যারাসাইটগুলি ম্যালেরিয়া রোগীর শরীরে
বিদ্যমান থাকে। স্ত্রী জাতীয় এনোফিলিস মশা আক্রান্ত রোগীকে দংশন করলে ঐ রোগের
জীবাণু মশার দেহে প্রবেশ করে। অবশেষে এই মশা যখন কোন সুস্থ ব্যক্তিকে দংশন করে তখন
মশার দেহ থেকে মানুষের দেহে জীবাণূ প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে ১০/১২ দিনের মধ্যে
ম্যালেরিয়া জ্বর দেখা দেয়। বাংলাদেশ ও ভারতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব খুব বেশী ছিল।
তবে আজকাল এর প্রকোপ কমে গেছে।
লক্ষণঃ
১। রোগী শীত শীত অনুভব করে, হাত-পা ঠান্ডা হয়, প্রবল
কম্প দিয়ে জ্বর আসে। রোগী এত বেশী কাঁপতে থাকে যে, লেপ ও কম্বল দিয়ে রোগীর সমস্ত শরীর
চাপা দিলেও কম্পন বন্ধ হয় না, মাথাব্যথা থাকে, বেদনা হয় এমন অবস্থা বেশ কিছুক্ষন
স্থায়ী হয়।
২। দেহের তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং পরিশেষে ১০৩°-১০৪°
ডিগ্রী হয়, রোগী তখন প্রলাপ বকতে থাকে। উত্তাপ বৃদ্ধির পর রোগী গরম অনুভব করে,
কম্পন অল্প হয় এবং নাড়ীর স্পন্দন দ্রুত হয়। রোগী শরীরে কাপড় রাখতে পারে না।
৩। জ্বর ছাড়ার সময় দেহে ভীষন ঘাম হয় এবং তাপমাত্রা কমে
যায়।
ম্যালেরিয়া জ্বরের ৩ টি অবস্থাঃ
১। শীতাবস্থা (Cold Stage)
২। উষ্ণাবস্থা (Hot Stage)
৩। ঘর্মাবস্থা (Sweating Stage)
ম্যালেরিয়া জ্বরে সচরাচর এই ৩টি অবস্থা দেখা যায়।
অর্থাৎ, শীত করে জ্বর আসা, এরপর শরীর উষ্ণ হয়ে গায়ের তাপ বৃদ্ধি হওয়া এবং ঘাম দিয়ে
জ্বর একেবারে ছেড়ে যায়। জ্বরে অত্যাধিক পিপাসা হয়। এই ৩টি লক্ষণের স্পষ্ট সমাবেশ
দেখলে ম্যালেরিয়া বুঝতে হবে।
অনেক সময় দেখা যায়, প্রায়ই ম্যালেরিয়া জ্বর কোন এক
নিরূপিত সময় আসে। কিন্তু মাঝে মাঝে আবার ব্যতিক্রমও ঘটে। তাই একে ৩ভাগে ভাগ করা
যায়।
১। প্রত্যহ একবার জ্বর
২। একদিন অন্তর জ্বর বা পালি জ্বর
৩। দুইদিন অন্তর জ্বর বা পালি জ্বর
অবিরাম ম্যালেরিয়া জ্বরঃ এই প্রকারের ম্যালেরিয়া জ্বর সব
সময় থাকে এবং টাইফয়েডের সাথে এর ভুল বা ভ্রম হতে পারে। তবে কখনো জ্বরের মাত্রা
কমে, আবার কখনো বৃদ্ধি পায়। কিন্তু step
ladder like হয় না। রোগীর জিহ্বা শুকনা এবং বাদামী রংএর হয়। অনেক
সময় রোগীর ডায়রিয়াও দেখা যায়।
ক্রণিক অবস্থাঃ কিছুদিন জ্বর হয়, আবার কমে যায়, আবার
জ্বর হয়। এমনিভাবে বার বার জ্বর হলে প্লীহা বাড়ে। অনেকদিন পর প্লীহা শক্ত হয়,
লিভার বাড়ে ও রক্তহীনতা দেখা যায়। পরিশেষে, চক্ষু হলদে হয় অর্থাৎ, রোগী জন্ডিসে
আক্রান্ত হয়। তবে আজকাল ক্রণিক ম্যালেরিয়া বিশেষ দেখা যায় না।
ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া (পার্নিসাস ম্যালেরিয়া) – এই সব রোগীর জ্বর দ্রুত
বৃদ্ধি পেয়ে ১০৪-১০৭ ডিগ্রী পর্যন্ত উঠতে পারে। রোগী ভুল বকে এবং অজ্ঞান হয়। অনেক
সময় মাথায় অবিরত পানি ঢাললেও জ্বর কিছুতেই কমতে চায় না। রক্ত পরীক্ষা করলে
ম্যালেরিয়া জীবাণু পাওয়া যায়। সেইজন্য সম্ভব হলে রক্ত পরীক্ষা করে রিপোর্ট অনুসারে
চিকিৎসা করতে হবে।
ম্যালেরিয়া জ্বর হলে রক্ত পরীক্ষায় MP Test পজেটিভ(+) হবে।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp